¦
বিজয় উৎসবে মাতোয়ারা দেশ

যুগান্তর রিপোর্ট | প্রকাশ : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৫

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বুধবার সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে লাখো মানুষের ঢল -আনোয়ার হোসেন জয়

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন, দ্রুত যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শেষ করা ও জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধের দাবিতে পালিত হয়েছে মহান বিজয় দিবস। বুধবার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা, স্বাধীনতা স্তম্ভে পুষ্পাঞ্জলি অর্পণের মধ্য দিয়ে জাতি শহীদদের স্মরণ করে। দিবসটি উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সহস্র কণ্ঠে গীত হয় জাতীয় সঙ্গীত। প্যারেড গ্রাউন্ডের কুচকাওয়াজে রাষ্ট্রপতি সালাম গ্রহণ করেন। আওয়ামী লীগ-বিএনপি বিজয় র‌্যালি বের করে। শহীদ মিনার এবং সোহরাওয়ার্দী উদ্যানসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নানা ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করে দেশবাসী দিনটি পার করেন। শীর্ষ পর্যায়ের চার যুদ্ধাপরাধীর ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ায় বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে। এবার পাকিস্তানি যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবি তুলেছেন দেশবাসী।
৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত বিজয়ের ৪৪ বছর পূর্ণ করেছে বুধবার। দিবসটি কেন্দ্র করে ঢাকাসহ সারা দেশে ছিল উৎসবের আমেজ। গতকাল ছিল সরকারি ছুটির দিন। সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উড়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনায় রাতে আলোকসজ্জা করা হয়। প্রধান সড়ক ও সড়ক দ্বীপগুলো সাজানো ছিল জাতীয় পতাকা ও রং-বেরংয়ের কাগজে। এ দিনের তাৎপর্য তুলে ধরে সংবাদপত্রগুলো প্রকাশ করে বিশেষ ক্রোড়পত্র। বেতার ও টেলিভিশনেও বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করা হয়। জেলখানা, হাসপাতাল, এতিমখানা ও শিশু সদনগুলোয় পরিবেশন করা হয় উন্নত খাবার। এবারের বিজয় দিবসের ব্যাপ্তি ছড়িয়ে পড়ে সাবেক ছিটমহল পর্যন্ত। বাংলাদেশী নাগরিকের মর্যাদা পাওয়ার পর ছিটমহলের মানুষেরা প্রথমবারের মতো দিনব্যাপী বিজয় উদযাপন করেছেন।
ভোরে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে শেরেবাংলা নগরে জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে (পুরনো বিমানবন্দর) ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে বিজয় দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। সকালে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ অ্যাডভোকেট, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাভারে স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের শহীদ বীর সেনানীদের শ্রদ্ধা জানান। তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল এ সময় সালাম জানায়। শহীদদের স্মরণে বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর।
আওয়ামী লীগের সভানেত্রী হিসেবে দলের নেতাকর্মীদের নিয়ে আবারও স্মৃতিসৌধে ফুল দেন শেখ হাসিনা। এরপর স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্যরা শ্রদ্ধা জানান। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা, তিন বাহিনীর প্রধান এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দলের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ শ্রদ্ধা জানায়। মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য ও কূটনীতিকরা স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে স্মরণ করেন একাত্তরের শহীদদের। স্মৃতিসৌধ সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়ার পর পতাকা আর ফুল হাতে জনতার ঢল নামে। ফুলে ফুলে ভরে ওঠে শহীদের স্মৃতির মিনার। মা-বাবার কোলে উঠেও অনেক শিশুকে স্মৃতিসৌধের বিজয় উৎসবে যোগ দিতে দেখা গেছে। সবাই এক কাতারে দাঁড়িয়ে মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ উৎসর্গ করা মুক্তি সেনানীদের শ্রদ্ধা জানান। তারা দৃপ্তকণ্ঠে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পণ্ণ, জামায়াত-শিবির নিষিদ্ধ, পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার মাধ্যমে একটি অসাম্প্রদায়িক, জঙ্গিবাদমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সাভার থেকে ফিরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন। ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনের প্রতিকৃতিতে প্রথমে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ও পরে আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে ফুল দেন শেখ হাসিনা। তার পাশাপাশি জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এ সময় মন্ত্রিসভার সদস্য এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
এখান থেকে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে গিয়ে কুচকাওয়াজে যোগ দেন। এখানে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও বিজয় দিবসের সালাম গ্রহণ করেন। রাষ্ট্রপতি প্যারেড স্কয়ারে পৌঁছলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এবং তিন বাহিনীর প্রধানরা তাকে স্বাগত জানান। একটি খোলা জিপে চড়ে কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন রাষ্ট্রপ্রধান। তিনি অভিবাদন মঞ্চে দাঁড়িয়ে সালাম গ্রহণ করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়াও কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ, বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ, মন্ত্রিসভার সদস্য, সংসদ সদস্য, সচিব, সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তা, বিদেশী রাষ্ট্রদূত ও বিভিন্ন মিশনের প্রধান এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। আরও ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়, প্রধানমন্ত্রীর কন্যা সায়মা হোসেন পুতুল ও শেখ রেহানার পুত্র রেদওয়ান সিদ্দিক ববি। লে. জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) বিষ্ণু কান্ত চতুর্বেদীর নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয়া ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ২৭ জন সদস্য এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের আয়োজনে সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনী, বিএনসিসি, বিজিবি, পুলিশ, র‌্যাব, আনসার ও ভিডিপি, কোস্টগার্ড এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সদস্যরা সুসজ্জিতভাবে এ কুচকাওয়াজে অংশ নেন। এ বছর প্রথমবারের মতো কুচকাওয়াজে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি নারী কন্টিনজেন্ট রাষ্ট্রপতিকে সালাম জানায়।
দিনের শুরুতেই সাড়ম্বরে বিজয় উদযাপনে অংশ নেয় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সদস্যরাও। সভাপতি শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে প্রেস ক্লাবে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম চৌধুরী, সদস্য গোলাম সরওয়ার, কোষাধ্যক্ষ কার্তিক চ্যাটার্জি, সদস্য সাইফুল আলম, আজিজুল ইসলাম ভূঁইয়া, শামসুল হক দুররানী, কবি হেলাল হাফিজ, শামসুদ্দিন আহমেদ, স্বপন দাস গুপ্ত।
এদিকে পাকবাহিনীর আত্মসমর্পণের স্থান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে (তৎকালীন রোসকোর্স ময়দান) তাদের আত্মসমর্পণের সময় ৪টা ৩১ মিনিটের মুহূর্তকে স্থায়ী রূপ দিতে তৃতীয়বারের মতো বুধবার সহস্র কণ্ঠে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হয়। ’৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক এ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানেই (তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান) যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল পাকবাহিনী। ‘বিজয় দিবস উদযাপন জাতীয় কমিটি’ এর আয়োজন করে। বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) ৪টা ৩১ মিনিটে জাতি-ধর্ম-বর্ণ, শ্রেণী-পেশা-বয়স নির্বিশেষে সবাই একসঙ্গে গাইল জাতীয় সঙ্গীত। এখানে উপস্থিত ছিলেন দেশের বিশিষ্ট নাগরিকরা। এদিকে গতকাল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে দিনব্যাপী বিজয় দিবসের নানা কর্মসূচি পালিত হয়। শিখা চিরন্তনের পাশাপাশি সর্বস্তরের মানুষের ভিড় ছিল স্বাধীনতা স্তম্ভেও। বুধবার বিজয়ের দিনে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এবং টিএসসিও ছিল কর্মসূচিতে ঠাসা। এদিন শহীদ মিনার, টিএসসিসহ চিড়িয়াখানা, হাতিরঝিল ছিল লোকে-লোকারণ্য। দিনভর সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, শাহবাগ, টিএসসি, শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমিতে বিজয়ের আনন্দমুখর অনুষ্ঠান নানা শ্রেণীর মানুষ উপভোগ করেন। এবারই প্রথম হাতরঝিলে বিজয় দিবসের নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
এদিকে দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বঙ্গভবনে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষের সম্মানে এক সংবর্ধনার আয়োজন করেন। বিজয় দিবসে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য শুভেচ্ছা উপহার পাঠান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী সচিব (১) জাহাঙ্গির আলম সূত্রে জানা যায়, বুধবার সকালে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মোহাম্মদপুরে যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা পুনর্বাসন কেন্দ্রে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য ফুল, মিষ্টি ও ফল পাঠান। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব (১) সাজ্জাদুল হাসান, ব্যক্তিগত সহকারী সচিব (১) জাহাঙ্গির আলম এবং সহকারী সচিব (২) সাইফুজ্জামান শেখর বঙ্গবন্ধু কন্যার পক্ষে মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে শুভেচ্ছা উপহার পৌঁছে দেন। এছাড়া বিজয় দিবস উপলক্ষে স্মারক খাম ও ডাক টিকিটও অবমুক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। বুধবার সকালে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ সিল ব্যবহার করে দশ টাকা মূল্যমানের পাঁচটি ও ৬০ টাকা দামের একটি স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেন। মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয়ের ৪৪ বছর পূর্তি উপলক্ষে তিনটি উদ্বোধনী খাম ও তিনটি ডাটা কার্ডও প্রকাশ করেন সরকারপ্রধান।
এছাড়া, বিজয় দিবসের অংশ হিসেবে বরাবরের মতোই এবারও বিজয় র‌্যালি করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। দলটি বিকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে শিখা চিরন্তনে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইন্সটিটিউটের সামনে থেকে মিছিলসহ ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবনে পৌঁছায়। নেতাকর্মীরা ঘোড়ার গাড়ি নিয়ে বাদ্য-বাজনা বাজিয়ে, ব্যানার-প্লাকার্ডসহ র‌্যালিতে অংশ নেন। একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে বিজয় র‌্যালির উদ্বোধন করেন দলটির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী। শাসক দল আওয়ামী লীগের আরেকটি অংশ টুঙ্গিপাড়ায় গিয়ে বঙ্গবন্ধুর মাজারে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে। কর্নেল (অব.) ফারুক খানের নেতৃত্বে সেখানে উপস্থিত ছিলেন শ্রম সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য এসএম কামালসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। এছাড়াও বিজয় দিবস উৎযাপনে দিনব্যাপী কর্মসূচি পালন করে শাসক দল।
আওয়ামী লীগর আদলে এবারই প্রথম বিজয় র‌্যালি করে বিএনপিও। দলটির নয়াপল্টনস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে এ র‌্যালি শুরু হয় মালিবাগে গিয়ে শেষ হয়। বিজয় দিবসে দলের প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বিএনপি।
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে জাতীয় মন্দির ঢাকেশ্বরীতে বুধবার দুপুরে বিশেষ প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
যথাযথ কর্মসূচির মাধ্যমে পাকিস্তানের করাচির হাইকমিশনেও বিজয় উদযাপন করা হয়।
বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ উপলক্ষে বিজিবির সদর দফতর পিলখানাসহ বাহিনীর সব রিজিয়ন, সেক্টর ব্যাটালিয়ন ও ইউনিটগুলোতে বিস্তারিত কর্মসূচি পালন করা হয় বলে বিজিবির জনংযোগ কর্মকর্তা মুহাম্মদ মহসিন রেজা স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
 

প্রথম পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close