¦
জঙ্গি হামলার আশংকা

কাজী জেবেল | প্রকাশ : ২০ ডিসেম্বর ২০১৫

পৌরসভার নির্বাচনী সভাগুলো জঙ্গি হামলার টার্গেটে পরিণত হতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেছে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে রয়েছে রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের জেলাগুলো। জঙ্গি হামলার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সভা-সমাবেশের ক্ষেত্রে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের প্রতি পরামর্শ দিয়েছেন গোয়েন্দারা।
শনিবার রাজধানীর বিয়াম মিলনায়তনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পৌর নির্বাচনের আইন-শৃংখলা সংক্রান্ত এক বৈঠকে এমন আশংকার কথা জানান একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা। তবে বৈঠকে উপস্থিত অধিকাংশ বক্তাই বলেন, পৌরসভা নির্বাচনে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি এখনও পর্যন্ত ভালো রয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে অদ্যাবধি দেশের কোনো পৌরসভায় বড় ধরনের সহিংস ঘটনা ঘটেনি। বৈঠক সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।
সূত্র আরও জানায়, বৈঠকে একটি গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে বলা হয়, ভোট গ্রহণ সামনে রেখে ফেরারি আসামিরা নির্বাচনের মাঠে ফিরতে পারে। বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে অভ্যন্তরীণ কোন্দল বেড়ে যেতে পারে। কালো টাকার ছড়াছড়ি হতে পারে।
ভোট গ্রহণের দিন গণমাধ্যমগুলোর সরাসরি সম্প্রচার ও ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের ক্ষেত্রে শর্তারোপ করতে ইসির প্রতি অনুরোধ জানান আইন-শৃংখলা বাহিনীর কর্মকর্তারা। নির্বাচনী মাঠে পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেট স্বল্পতা রয়েছে জানিয়ে তারা বলেন, মাঠ পর্যায়ের প্রশাসন ও পুলিশ কর্মকর্তারা আইন-শৃংখলা রক্ষার ব্যাপারে ইসির প্রস্তাবিত নিরাপত্তা পরিকল্পনার বদলে জেলা পর্যায়ে নিজস্বভাবে পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষমতা দেয়ার প্রস্তাব দেন। এছাড়া নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যানরা প্রভাব বিস্তার করছে জানিয়ে এ বিষয়ে কমিশনের নির্দেশনা চান তারা।
তবে বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ নির্বাচন কর্মকর্তা ও আইন-শৃংখলা বাহিনীর সদস্যদের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন। কোনো ভোট কেন্দ্রে অনিয়মের ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে ভোট কেন্দ্র বন্ধের নির্দেশ দেন। ভোটের আগের রাতে কেউ যেন ব্যালটে সিল মেরে তা বক্সে ঢুকিয়ে না রাখে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। সন্ত্রাসীদের ধরার নামে নিরপরাধ ব্যক্তিরা যাতে হয়রানির শিকার না হন, সে বিষয়ে কঠোর নির্দেশ দেন সিইসি।
রাজধানীর ইস্কাটনে বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট (বিয়াম) ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে শনিবার বেলা ১১টা থেকে সোয়া ২টা পর্যন্ত তিন ঘণ্টা এ বৈঠক চলে। রুদ্ধদ্বার এ বৈঠকে নির্বাচন কমিশনাররা, পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, আনসার ভিডিপি, গোয়েন্দা সংস্থা এনএসআই, এসবি ও ডিজিএফআইর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সব রিটার্নিং কর্মকর্তা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।
সূত্র জানায়, বৈঠকে একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি বলেন, রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের জেলাগুলোসহ যেসব জঙ্গি অধ্যুষিত এলাকাগুলো রয়েছে, সেখানে বাড়তি সতর্ক ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে। বিশেষ করে সামনের দিনগুলোতে সারা দেশের নির্বাচনী সভা-সমাবেশগুলোর ওপর কোনো না কোনোভাবে জঙ্গি সদস্যদের টার্গেটে পরিণত হওয়ার ক্ষীণ সম্ভাবনা রয়েছে। এ শংকা মাথায় রেখে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা নিরাপত্তা কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি বিঘ্নিত হওয়ার মতো উল্লেখযোগ্য তথ্য আমরা পাইনি। ভোটের সময় যত ঘনিয়ে আসবে আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি এতটা হয়তো মসৃণ (স্মুথ) থাকবে না।
বিদ্যমান আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি সম্পর্কে ওই গোয়েন্দা কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচনে আইন-শৃংখলা নিয়ে গুরুতর কোনো সমস্যা নেই। এসপি ও ডিসিদের কাছ থেকেও এ ধরনের কোনো তথ্য পাইনি। আমরা মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির অবনতি হতে পারে এমন আগাম তথ্য পাঠাতে নির্দেশনা দিয়েছিলাম, যাতে ওই তথ্য অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে পারি। পৌর নির্বাচন বানচাল করার মতো পরিকল্পনা হচ্ছে এমন কোনো তথ্য আমরা এখনও পাইনি।
মাঠপর্যায়ের নিরাপত্তা পরিকল্পনা জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের ওপর ছেড়ে দিতে ইসিকে পরামর্শ দিয়ে গোয়েন্দা সংস্থার ওই প্রতিনিধি বলেন, একেক জেলায় একেক রকম পরিস্থিতি বিরাজ করছে। নিরাপত্তা পরিকল্পনা কী হওয়া উচিত সেখানকার প্রশাসন ভালো বুঝবেন। তিনি বলেন, মোবাইল টিমে পর্যাপ্ত সদস্য না থাকলে তা কাজে আসবে না। এজন্য কোন পৌরসভায় কতটি টিম থাকবে, তা ডিসি ও এসপিরা করলে ভালো হবে। ভোটের দিনে গণমাধ্যমের কাজ নিয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, ভোটের দিন সকাল থেকে গণমাধ্যমে সরাসরি সম্প্রচার শুরু হয়। এর প্রভাব সারা দেশে পড়ে যায়। এমনকি ভোট গ্রহণের স্থান থেকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। তিনি প্রস্তাব রেখে বলেন, ভোট কেন্দ্রে কতজন সাংবাদিক যেতে পারবেন, কতক্ষণ থাকতে পারবেন সে বিষয়ে ইসি থেকে গাইডলাইন দিতে পারে।
ওই কর্মকর্তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন আরেকটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি। তিনি বলেন, আমাদের কাছে একই ধরনের তথ্য রয়েছে। তিনি বলেন, সব দল এ নির্বাচনে অংশ নেয়ায় একটি নির্বাচনী আমেজ সৃষ্টি হয়েছে।
আরেকটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি হামলার আশংকা প্রকাশ করে বলেন, স্থানীয় সরকার যথা পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদগুলোতে প্রার্থী বেশি থাকায় প্রতিযোগিতা বেশি হয়। এতে নির্বাচনের পরিবেশ মসৃণ থাকে। বিপরীত দিকও রয়েছে, অতি প্রতিযোগিতার কারণে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে ঝুঁকি থাকে। তিনি বলেন, নির্বাচনে জনবহুল পরিবেশ (ক্লাউড) সৃষ্টি হয়। জঙ্গিরা এ ধরনের পরিবেশকে টার্গেটে রাখে। তারা যাতে এটা করতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। জঙ্গিদের ইস্যুদের মাথায় রেখে ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলে জঙ্গিদের তৎপরতা রয়েছে। সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনি বলেন, এ নির্বাচনে এখন পর্যন্ত কোথাও ক্ষুদ্র অস্ত্রের ব্যবহার হয়নি। আগামীতে যাতে ক্ষুদ্র অস্ত্রের ব্যবহার করতে না পারে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
বৈঠক শেষে জঙ্গি ও সন্ত্রাসীদের তৎপরতা সম্পর্কে সিইসি সাংবাদিকদের বলেন, এটা তো জেনারেল সমস্যা। এটা নিয়েও আলোচনা হয়েছে।
নির্বাচনে সহিংসতার আশংকা করে অন্য একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধি বলেন, আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি এখন পর্যন্ত স্বাভাবিক রয়েছে। ভোট গ্রহণের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, তত বড় দলগুলোর মধ্যে কোন্দল বেড়ে যেতে পারে। নির্বাচনের সুযোগে ফেরারি আসামিরা বেরিয়ে নির্বাচনে প্রভাব ফেলতে পারে। এ ছাড়া এ নির্বাচনে কালো টাকার ছড়াছড়ি হতে পারে। এসব প্রতিরোধে চলমান সন্ত্রাসবিরোধী জোরদার করতে হবে।
সূত্র জানায়, বৈঠকে র‌্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ বলেন, নির্বাচনে আইনশৃংখলা রক্ষায় র‌্যাবের যথেষ্ট প্রস্তুতি রয়েছে। ভোটের দিন র‌্যাবের বেশকিছু টিম ঢাকায় প্রস্তুত থাকবে। কোথাও আইনশৃংখলা পরিস্থিতির অবনতির আশংকা দেখা দিলে গাড়ি বা হেলিকপ্টারযোগে ফোর্স পাঠানো হবে। এ ছাড়া ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট প্রস্তুত থাকবে।
এ ছাড়া পুলিশের মহাপরিদর্শক একেএম শহীদুল হক বলেন, ভোটের দিন টেলিভিশনগুলোতে সকাল থেকে সরাসরি সম্প্রচার করায় ছোটখাটো বিষয়গুলো প্রচারিত হয়। ওইসব ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনার আগেই মিডিয়ার কল্যাণে সবাই জেনে যায়। পরবর্তী সময়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হলেও নির্বাচনের বদনাম হয়। এ জন্য সাংবাদিকদের জন্য গাইডলাইন দিতে ইসির প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
মিডিয়ার বিষয়ে আইনশৃংখলা বাহিনীর প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন বলেন, গণমাধ্যম আমাদের একটি ফোর্স। এটিকে আমাদের কাজে লাগানো যেতে পারে। সরাসরি সম্প্রচার হলে আমরা কমিশনে বসে কোন কেন্দ্রে কী হল তা দেখে ব্যবস্থা নিতে বলতে পারি। তিনি বলেন, আচরণবিধি লংঘনের অপরাধে রিটার্নিং কর্মকর্তারা যেসব ব্যবস্থা নিচ্ছেন তা মিডিয়াতে প্রকাশ পেলে অন্যরা সচেতন হবে।
নিরাপত্তার ছক তৈরির দায়িত্ব চেয়েছেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা : নির্বাচনে ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যের সংকট রয়েছে জানিয়ে নিরাপত্তা ছক তৈরির দায়িত্ব চেয়ে বক্তব্য দেন কয়েকজন বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার ও রিটার্নিং কর্মকর্তা। তারা নির্বাচনের বিভিন্ন সমস্যাও তুলে ধরেন।
কমিশনের প্রস্তাবে প্রতিটি পৌরসভায় ভোটের আগে ও পরে চার দিন প্রতি ৩টি সাধারণ ওয়ার্ডে একজন নির্বাহী ও প্রতিটি পৌরসভায় একজন করে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোতায়েনের জন্য বলা হয়েছে। এ ছাড়া নির্বাচনে প্রতিটি সাধারণ ওয়ার্ডে একটি মোবাইল ফোর্স ও প্রতি ৩টি ওয়ার্ডের জন্য একটি স্ট্রাইকিং ফোর্স, প্রতিটি পৌরসভায় একটি করে র‌্যাবের টিম ও এক প্লাটুন বিজিবি মোতায়েনের কথা বলা হয়। এ প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা। খুলনার বিভাগীয় কমিশনার মো. আবদুস সামাদ বলেন, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে কোর কমিটি রয়েছে। স্থানীয়ভাবে এসব কোর কমিটি আলোচনা করে যেখানে যে পরিমাণ আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের দরকার হবে তা নির্ধারণ করতে পারে। এ বিষয়ে কমিশন থেকে নির্ধারণ করে না দিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ছেড়ে দেয়ার অনুরোধ জানান তিনি। রাজশাহীর বিভাগীয় কমিশনার হেলালুদ্দিন আহমদ বলেন, কমিশনের প্রস্তাবনা অনুযায়ী রাজশাহীর ৫০টি পৌর নির্বাচনে যে পরিমাণ ম্যাজিস্ট্রেট দরকার তা নেই। আমার ৬০ জন ম্যাজিস্ট্রেট আছে। জনপ্রশাসন আরও ৬০ জন ম্যাজিস্ট্রেট দিতে পারবে। আরও ৪১ জন ম্যাজিস্ট্রেটের প্রয়োজন হবে। তিনি বলেন, অনেক ম্যাজিস্ট্রেট প্রশিক্ষণে আছেন। নির্বাচন উপলক্ষে সাত দিনের জন্য ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রশিক্ষণ থেকে এনে নির্বাচনে মোতায়েন করা যেতে পারে। এ প্রস্তাবে সমর্থন দেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. জামাল উদ্দীন আহমেদ। তিনি বলেন, সিলেট বিভাগে ১৬টি পৌরসভা নির্বাচন হচ্ছে। এ বিভাগে যে পরিমাণ ম্যাজিস্ট্রেট আছে, তার চেয়ে আরও ৫০ জন বেশি লাগবে। স্থানীয় পর্যায়ে নিরাপত্তা ছকের বিষয়ে একমত পোষণ করে একই ধরনের প্রস্তাব দিয়েছেন চাঁদপুর, মুন্সীগঞ্জ, টাঙ্গাইলসহ কয়েকটি জেলার পুলিশ সুপার ও প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা। এদিকে কমিশন সূত্র জানিয়েছে, বিষয়টি আজ রোববার কমিশনে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
উপজেলা চেয়ারম্যানদের বিরুদ্ধে অভিযোগ : পৌর নির্বাচনে উপজেলা চেয়ারম্যানরা প্রভাব বিস্তার করছেন বলে জানিয়েছেন কয়েকজন রিটার্নিং কর্মকর্তা। তারা বলেন, আচরণবিধিতে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সংজ্ঞায় মেয়ররা থাকলেও উপজেলা চেয়ারম্যানদের রাখা হয়নি। তারা নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করছেন। এমনকি উপজেলা চেয়ারম্যানের গাড়িও ব্যবহার করছেন। এ বিষয়ে ইসির নির্দেশনা চান তারা। তবে বৈঠকে এ বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া হয়নি বলে জানা গেছে।
কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার প্রস্তাব : ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানোর প্রস্তাব দিয়েছেন বরিশালের পুলিশ সুপার। তিনি বলেছেন, সিসি ক্যামেরা থাকলে ভোট কেন্দ্রে কে বা কারা প্রবেশ করেছে তার চিত্র থাকবে। নির্বাচনে কোনো সমস্যা হলে ওই চিত্র দেখে ব্যবস্থা নেয়া যাবে। এ ছাড়া সিসি ক্যামেরা থাকলে দুর্বৃত্তদের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ সৃষ্টি হবে।
বৈধ অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ : পৌর নির্বাচনে ভোটের দিন বৈধ অস্ত্র ব্যবহার নিষিদ্ধের প্রস্তাব করেছেন কয়েকজন কর্মকর্তা। শরীয়তপুর জেলা প্রশাসক বলেছেন, আচরণবিধিতে ভোট কেন্দ্রের চৌহদ্দির মধ্যে অস্ত্র বহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। পুরো নির্বাচনী এলাকায় এ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে ভালো হয়। একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন র‌্যাবের মহাপরিচালকও।
 

প্রথম পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close