¦
শান্তিপূর্ণ ভোট নিয়ে শংকা

হাবিবুর রহমান খান ও নাঈমুল করীম নাঈম | প্রকাশ : ২১ ডিসেম্বর ২০১৫

পৌরসভা নির্বাচনে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দেয়া নিয়ে মানুষের শংকা বাড়ছে। নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে সাধারণ ভোটার, দলীয় ও বিদ্রোহী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থক এবং বিশিষ্টজনদের মাঝে সুষ্ঠু ভোট নিয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের অসহায়ত্ব, ক্ষমতাসীন দলের প্রার্র্থীদের বেপরোয়া মনোভাব এবং অব্যাহতভাবে মন্ত্রী-এমপিদের আচরণবিধি লংঘন এ ভয়কে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, ভোটের দিন বেপরোয়া প্রার্থী ও তাদের কর্মী-সমর্থকদের দৌরাত্ম্য আরও বাড়তে পারে। সে ক্ষেত্রে ৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় পৌর নির্বাচনে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে বলে তারা মনে করছেন।
জানা গেছে, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করা যাদের দায়িত্ব খোদ সেই নির্বাচন কমিশনই নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত মাঠ প্রশাসনের ওপর চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ইসি। নিরুপায় হয়ে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছে নির্বাচন কমিশন।
স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান অবস্থার পরিবর্তন না হলে সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারবেন কিনা সে বিষয়ে কেউ নিশ্চয়তা দিতে পারবে না। রোধ করা সম্ভব হবে না নির্বাচনে কারচুপি। এ পরিস্থিতিতে অনেক এলাকায় ভোটাররা প্রার্থী পছন্দের বিষয়টি গৌণ মনে করছেন। তাদের মতে, যোগ্য ও পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে চাই, তার জন্য প্রচারে নামতে চাই। কিন্তু ওই প্রার্থীকে ভোট দিতে পারব কিনা তারই কোনো নিশ্চয়তা নেই। কাজেই আমাদের কাছে দলীয় বা বিদ্রোহী অথবা স্বতন্ত্র প্রার্থী কোনো বড় বিষয় নয়। তবে সরকার এবং আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের মতে, ভোট অবাধ ও সুষ্ঠু হবে। প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতেই অনেকে নির্বাচন নিয়ে নানা শংকা প্রকাশ করছেন। আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের কেউ কেউ বিএনিপ-জামায়াত ভোট ডাকাতি করতে পারে বলে উল্টো অভিযোগ করছেন।
সাধারণ ভোটার, বিভিন্ন প্রার্থী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে জানা গেছে, সুষ্ঠু নির্বাচন না হওয়ার পেছনে উল্লিখিত কারণ ছাড়াও তারা আরও বেশ কয়েকটি কারণকে চিহ্নিত করেছেন। এগুলোর মধ্যে আছে- ১. পর্যাপ্ত জনবল থাকা সত্ত্বেও নির্বাচন কমিশনের জনপ্রশাসন থেকে রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা ২. মাঠ প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন না করা ৩. সারা দেশে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা অব্যাহত থাকা ৪. বিএনপিসহ অন্যান্য প্রার্থীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ৫. প্রকৃত অপরাধীদের গ্রেফতারে পুলিশ প্রশাসনের নির্লিপ্ততা ৬. সাধারণ ভোটারদের মাঝে আতংক সৃষ্টি ও ৭. ভোটের দিন সাংবাদিকদের ভোট কেন্দ্রে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ায় সরাসরি সম্প্রচারে আপত্তি জানানো।
এ প্রসঙ্গে নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ রোববার সাংবাদিকদের বলেন, ভোট কেন্দ্র কেউ দখল করুক তা আমরা আশা করি না। এটা প্রশ্রয় দেয়া হবে না। মানুষ যাতে সুষ্ঠুভাবে ভোট দিতে পারেন, কেউ যাতে কেন্দ্র দখল করতে না পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। কেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়ার নির্দেশ দেয়া আছে। এছাড়া কমিশন থেকেও ভোটগ্রহণ মনিটরিং করা হবে। কাউকে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।
নির্বাচনে সুষ্ঠুভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ প্রসঙ্গে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় ও আশংকা রয়েছে। মানুষ পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন কিনা সে বিষয়ে শতভাগ গ্যারান্টি দেয়া যাচ্ছে না। কারণ গত সিটি কর্পোরেশন ও উপজেলা নির্বাচনের রেকর্ড ভালো নয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পৌর নির্বাচনের শুরুতেই ইসির ভূমিকা নিয়ে নানা ধরনের প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ইসির যথেষ্ট জনবল থাকার পরও নির্বাচনসংক্রান্ত কাজের প্রায় পুরো দায়িত্ব জনপ্রশাসনের ওপর ছেড়ে দিয়েছে। মাঠ প্রশাসনে দলীয়করণ এবং ক্ষমতাসীনদের হস্তক্ষেপে তারা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে না বলে অনেকেই শংকা প্রকাশ করেন। অবশেষে সেই ভয়ই সত্য হতে যাচ্ছে। বিভিন্ন পৌরসভায় দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ওঠছে। রোববার সাতক্ষীরার কলারোয়া পৌরসভার রিটার্নিং কর্মকর্তা আবুল হোসেনকে এই অভিযোগে সাময়িক বহিষ্কারও করা হয়েছে।
এদিকে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী ও সমর্থকদের বেপরোয়া আচরণে ক্ষুব্ধ সাধারণ মানুষ ও ভোটাররা। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি এলাকায় দল ও বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মারাও যান একজন। প্রতিপক্ষের হাত-পা কেটে নেয়ার হুমকি দিচ্ছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থীরা। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। ভোটের দিন সকাল ১০টার মধ্যে ফল হয়ে যাবে এমন হুমকিও দিচ্ছেন অনেকে।
কিছু পৌরসভার রিটার্নি কর্মকতাকে যে কোনো মূল্যে তাদের প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করতে এমপি-মন্ত্রীরা চাপ দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। আইনশৃংখলা বাহিনীর সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে গণমাধ্যমের ওপর কড়াকড়ি আরোপের বিষয়টিকেও ভালোভাবে নিচ্ছেন না সাধারণ ভোটার থেকে শুরু করে সব শ্রেণী-পেশার মানুষ। নির্বাচনের দিন সাংবাদিকদের ভোট কেন্দ্রে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপের প্রস্তাবকে সন্দেহের চোখে দেখছেন তারা। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বিগত উপজেলা এবং সবশেষ তিন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রশাসনের সহায়তায় ক্ষমতাসীনরা ব্যাপক কারচুপি করে। মাঠের বিরোধী দল বিএনপি তা প্রতিহত করতে ব্যর্থ হয়। নির্বাচনের নানা অনিয়ম গণমাধ্যমে চলে আসায় সমালোচনার মুখে পড়ে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসন। তাই আগাম সতর্কতা হিসেবে এবার গণমাধ্যমকে ভোট কেন্দ্র থেকে দূরে রাখতে চাইছে তারা।
জানতে চাইলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, পৌর নির্বাচনে কারচুপি হবে এটা জানার পরও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশ হিসেবে তারা নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। বর্তমান সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের অধীনে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয় এটা আবারও প্রমাণের জন্যই তারা নির্বাচন করছেন।
তিনি বলেন, নির্বাচন সুষ্ঠু না হওয়ার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। নির্বাচন ঘনিয়ে এলেও অনেক এলাকায় বিএনপি প্রার্থীরা প্রচারে নামতে পারছেন না। অপরদিকে সরকারের মন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগ এমপিরা প্রতিনিয়ত আচরণবিধি লংঘন করছেন। কিন্তু ইসি তাদের বিরত করতে পারছে না।
এ বিষয়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ যুগান্তরকে বলেন, তার দল সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন চায়। আওয়ামী লীগ কখনও ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং করেনি, করবেও না। দলটি এ ধরনের কাজ সমর্থনও করে না। সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সব ধরনের সাহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলে মন্তব্য করেন শাসক দলের এ নেতা।
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ পৌরসভার বর্তমান মেয়র ও আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী নুরুন্নবী অপু সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শংকা প্রকাশ করেন। তিনি যুগান্তরকে বলেন, প্রশাসন প্রতিনিয়ত তার সমর্থকদের প্রচারে বাধা দিচ্ছে। অহেতুক অনেককে গ্রেফতার করে নিয়ে যাচ্ছে। সন্ধ্যা হলেই বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। তার চারটি নির্বাচনী ক্যাম্প বন্ধ করে দিয়েছে। কিন্তু আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী প্রতিদিন আচরণবিধি ভঙ্গ করলেও প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে। এ ব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ করেও কোনো ফল পাওয়া যাচ্ছে না।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেও যদি এ অবস্থা হয় তাহলে অন্যান্য প্রার্থীদের কি অবস্থা তা সহজেই বোঝা যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ভোটারদের একটাই প্রশ্ন তারা ভোট দিতে পারবেন কিনা।
যুগান্তরের ব্যুরো থেকে পাঠানো খবরে জানা গেছে- রাজশাহী, বরিশাল, সিলেটসহ অধিকাংশ এলাকায় ভোট ডাকাতির আশংকা করছেন বিএনপি, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী, স্বতন্ত্র ও অন্যান্য দলের মেয়র প্রার্থীরা।
রাজশাহী : এ অঞ্চলে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হয়রানি করা হচ্ছে বলে পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে আশংকা প্রকাশ করে আড়ানী পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী তোজাম্মেল হক বলেন, গণসংযোগে নামলেই আওয়ামী লীগ প্রার্থীর লোকজন আমার সমর্থকদের মারপিট করেছে। আমাদের ভয় দেখানো হচ্ছে। তবে ভোটের মাঠে আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজশাহীর পুলিশ সুপার নিশারুল আরিফ।
বরিশাল : মেহেন্দিগঞ্জ ও গৌরনদীতে গত পৌর নির্বাচনে ভোট ডাকাতি হয়েছে বলে বিএনপি প্রার্থীদের অভিযোগ। এবারও ভোট ডাকাতির আশংকা করা হচ্ছে। মুলাদী পৌরসভার মেয়র প্রার্থী আসাদ মাহমুদ বলেন, ৫ জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত কোনো নির্বাচনেই ভোটাররা কেন্দ্রে যেতে পারেননি। এবারও সেই পরিস্থিতি হওয়ার আশংকা রয়েছে।
ময়মনসিংহ : ত্রিশাল পৌরসভার বিএনপি প্রার্থী আমিনুল ইসলাম ও আওয়ামী লীগ বিদ্রোহী প্রার্থী ও বর্তমান মেয়র এবিএম আনিসুজ্জামান আনিস সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন। বর্তমার মেয়র এবিএম আনিসুজ্জামান আনিস জানান, তার কর্মী-সমর্থকদের অহেতুক মামলায় জড়ানো হচ্ছে। ফুলবাড়ীয়া পৌরসভার বর্তমান মেয়র ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া নির্বাচন প্রসঙ্গে বলেন, বিএনপির একটি গ্রুপ ভোটের মাঠে টাকা ছড়াচ্ছে। সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে কোনো সংশয় নেই।
যশোর : যশোর পৌরসভাগুলোতে সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শংকা রয়েছে। যশোর পৌরসভায় বিএনপি মনোনীত মেয়র প্রার্থী মারুফুল ইসলাম বলেন, যশোরের বাস্তবতায় সেনাবাহিনী ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়।
সিলেট : সিলেট বিভাগের ১৬টি পৌরসভার মধ্যে ৬টি পৌরসভায় ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ জন রায় ছিনিয়ে নেয়ার সংশয় প্রকাশ করেছে স্থানীয় বিএনপি। কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও পৌর নির্বাচন মনিটরিং সেলের অন্যতম সদস্য ডা. সাখাওয়াত হোসেন জীবন বলেন, আওয়ামী লীগ বিগত কয়েকটি স্থানীয় নির্বাচনে জবরদস্তির মাধ্যমে বিএনপির প্রার্থীদের পরাজিত করেছে। এবারও তারা সেই চেষ্টা করছে।
চট্টগ্রাম : রাউজান পৌরসভায় বিএনপির মেয়র প্রার্থী কাজী আবদুল্লাহ আল হাসান যুগান্তরকে বলেন, ভোট কেন্দ্র দখলের ষড়যন্ত্র করছে আওয়ামী লীগ। সাতকানিয়া পৌরসভার আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জোবায়ের বিএনপি-জামায়াতের ক্যাডারদের দ্বারা ভোট কেন্দ্র দখল হবে এমন আশংকার কথা যুগান্তরকে জানিয়েছেন।
খুলনা : চালনা পৌরসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থী ড. অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে বলেছেন, তার নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় সরকার সমর্থক নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ভাবে ভয়-ভীতি দিয়ে বাধা দিচ্ছেন। বিএনপির প্রার্থী আবদুল মান্নান শেখও একই অভিযোগ করেছেন।
কুমিল্লা : কুমিল্লার ৬ পৌরসভাতেই সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জসিম উদ্দিন জানান, সরকারদলীয় নেতাকর্মীদের হামলা-মামলার কারণে সঠিকভাবে নির্বাচনী প্রচারে অংশ নিতে পারছেন না। নেতাকর্মীদের অহেতুক হয়রানি করা হচ্ছে।
 

প্রথম পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close