¦
ক্ষোভের আগুন প্রকাশ্যে

মুসতাক আহমদ, মিজান চৌধুরী ও উবায়দুল্লাহ বাদল | প্রকাশ : ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫

নতুন পে-স্কেলকে কেন্দ্র করে প্রতিদিনই তীব্র হচ্ছে সংশ্লিষ্টদের ‘ক্ষোভের আগুন’। পদমর্যাদা অবনমন ও বেতন বৈষম্যের প্রতিবাদে তাদের এই ক্ষোভ রূপ নিয়েছে প্রকাশ্যে। এক্ষেত্রে চাকরির আচরণবিধির তোয়াক্কা করছেন না তারা। অফিস সময়ে নির্বিঘ্নে চলছে সভা-সমাবেশ, মানববন্ধন, সংবাদ সম্মেলন, স্মারকলিপি প্রদানসহ নানা কর্মসূচি। এ দাবি শিগগির পূরণ না হলে আন্দোলন আরও তীব্রতর হবে বলেও হুমকি দিয়েছেন সুবিধা বঞ্চিতরা। কিন্তু এ ব্যাপারে শক্ত অবস্থান নিয়েছে সরকার। বুধবার অর্থমন্ত্রী সুস্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, নতুন বেতন স্কেল পরিবর্তন হবে না। এ ঘোষণার পর গোটা পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হবে বলে আশংকা সংশ্লিষ্টদের।
জানা গেছে, ১৫ ডিসেম্বর নতুন বেতন স্কেলের প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকে পদমর্যাদা অবনমনের প্রতিবাদে নানাভাবে ক্ষোভ অব্যাহত রেখেছেন প্রায় সাড়ে তিন লাখ নন-ক্যাডার কর্মকর্তা। আর পদমর্যাদা বাড়ানোর দাবিতে মাঠে নেমেছেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজের প্রায় ৩০ হাজার শিক্ষক। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সাড়ে পাঁচ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক। পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক মর্যাদা ক্ষুণœসহ বেতন বৈষম্যের প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ছয় হাজার কর্মকর্তা-কর্মচারী।
বিক্ষোভকারীরা সুযোগ-সুবিধা ফিরে পাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এখন একমাত্র ভরসা মনে করছেন। বুধবার সন্ধ্যায় তিন দফা দাবি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের পাঁচ সদস্যের কমিটি স্মারকলিপি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে। পাশাপাশি আজ বৃহস্পতিবার প্রকৃচি-বিসিএস (২৬ ক্যাডার) সকাল ১০টায় তাদের দাবি নিয়ে হাজির হবেন প্রধানমন্ত্রীর দরজায়। সুবিধা ফিরিয়ে দিতে আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারকে আলটিমেটাম দিয়েছে বিসিএস সাধারণ শিক্ষক সমিতি। আর ২ জানুয়ারি জরুরি বৈঠকে পরবর্তী আন্দোলনের করণীয় ঠিক করবেন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। আগামী রোববার থেকে বৃহস্পতিবার পুরো সপ্তাহে প্রতিদিন এক ঘণ্টা করে কর্মবিরতি পালন করবে কর্মকর্তা পরিষদ, প্রকৃচি ও ২৬ ক্যাডার। পাশাপাশি ২৭ ডিসেম্বর থেকে কালোব্যাজ ধারণসহ কঠোর কর্মসূচি ঘোষণার হুমকি দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসার্স ওয়েলফেয়ার কাউন্সিল’।
এদিকে বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, যতই আন্দোলন হোক না কেন নতুন বেতন কাঠামো পরিবর্তন হবে না। তিনি বলেন, ‘যে যা-ই বলুক, বেতন কাঠামো পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।’ এ সময় শিক্ষক ও ব্যাংকারদের আন্দোলনকে ‘অযৌক্তিক’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করেই সব ঠিক করা হয়েছে দাবি করে অর্থমন্ত্রী বলেন, তাদের দাবি একেবারেই অজ্ঞতাপ্রসূত। এ ছাড়া জাতীয় অধ্যাপকদের কোনো বেতন কাঠামো নেই। এটা একটা সম্মান।
এমপিওভুক্তির সমালোচনা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘এই পদ্ধতি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বার্থ দেখে না, ছাত্রদের স্বার্থও দেখে না। শুধু শিক্ষকদের স্বার্থ দেখে।’ তবে এজন্য একটি কমিটি করে দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে মুহিত বলেন, ‘এ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। যদিও কমিটি খুবই ধীরে কাজ করছে।’
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা নতুন বেতন কাঠামোতে বৈষম্যের যে অভিযোগ তুলেছেন, তাকে ‘খামাখা’ বলে মন্তব্য করে মুহিত বলেন, ‘তাদের দাবি-দাওয়ার মধ্যে যৌক্তিক কিছু দেখছি না। অযৌক্তিক দাবিতে তারা এসব করছে। ননসেন্স।’
পে-স্কেলের ক্ষোভ-অসন্তোষ কারণ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার বুধবার যুগান্তরকে বলেন, পে স্কেল ঘোষণা করলে ক্ষোভ-অসন্তোষ যে হয় না, তা ঠিক নয়। তবে অষ্টম পে-স্কেলে ক্যাডার-নন ক্যাডারদের ক্ষেত্রে যা করা হয়েছে তা যথাযথ হয়নি। এ কারণে নন-ক্যাডার কর্মকর্তারা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তাদের একই গ্রেড ও সমান থাকা উচিত ছিল। টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড বিলুপ্ত করা হলেও এর বিকল্প রাখা হয়েছে বলে পত্র-পত্রিকায় দেখেছি। কিন্তু কী বিকল্প রাখা হয়েছে তার কোনো দলিল আমি পাইনি, তাই এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করব না। তবে এ বিষয়টি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিলে ভালো হতো।
জানা গেছে, প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটির উল্লেখযোগ্য দাবি হচ্ছে- সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল পুনর্বহাল, প্রথম শ্রেণীর চাকরিতে যোগদানের ক্ষেত্রে ক্যাডার, নন-ক্যাডার বৈষম্য দূরীকরণ ও বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিতের সিদ্ধান্ত বাতিল, সব ক্যাডার ও সার্ভিসে পদোন্নতির সমান সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে সুপারনিউমারি পদ সৃজন।
জানতে চাইলে প্রকৃচি-বিসিএস সমন্বয় কমিটির সদস্যসচিব মো. ফিরোজ খান যুগান্তরকে বলেন, সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল তুলে দেয়ায় কর্মকর্তাদের মধ্যে এমনকি একই ব্যাচের কর্মকর্তাদের মধ্যে চরম মর্যাদাগত ও আর্থিক বৈষম্য সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি স্থগিত করা আইনের পরপন্থী কাজ। এসব কারণে সারা দেশের কর্মকর্তারা মাঠে নেমেছেন।
প্রকৃচি কেন্দ্রীয় স্টিয়ারিং কমিটি সদস্য স ম গোলাম কিবরিয়া বলেন, নতুন পে-স্কেলে প্রথম শ্রেণীর সরকারি চাকরিতে যোগদানের ক্ষেত্রে ক্যাডার কর্মকর্তাদের জন্য অষ্টম গ্রেড ও নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের জন্য নবম গ্রেড নির্ধারণ করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্যে অধিকাংশই নন-ক্যাডার কর্মকর্তা। মেধা ও যোগ্যতার মাপকাঠিতে কোনোভাইে নন-ক্যাডার কর্মকর্তারা ক্যাডার কর্মকর্তাদের তুলনায় নিুমানের নয়। এর প্রতিবাদে আমাদের দফতর ছেড়ে রাজপথে নামতে হয়েছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
প্রকৃচি ও ২৬ ক্যাডার কর্মকর্তাদের কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে, ২৪ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান, ২৭ থেকে ৩০ ডিসেম্বর প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে এক ঘণ্টার কর্মবিরতি পালন করা হবে। ৩০ ডিসেম্বরের মধ্যে দাবি মানা না হলে লাগাতার কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। ঘোষিত কর্মসূচির আওতায় আগামী ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত কালো ব্যাজ ধারণ।
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক : শিক্ষকরা অভিযোগ করে বলেন, অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামো বাস্তবায়িত হলে সপ্তম জাতীয় বেতন কাঠামোর তুলনায় গ্রেড-১-প্রাপ্ত শিক্ষকের সংখ্যা অর্ধেক কিংবা তারও নিচে নেমে আসবে। উপরন্তু, গ্রেড-১-প্রাপ্ত শিক্ষকদের থেকে সুপারগ্রেডের ২য় ধাপে যাওয়ার কোনো সুযোগ ও নির্দেশনা এ গেজেটে কিংবা অন্য কোনো পরিপত্রে এখন পর্যন্ত পরিলক্ষিত হয়নি।
বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের মহাসচিব অধ্যাপক ড. এএসএম মাকসুদ কামাল যুগান্তরকে বলেন, গত ৬ ডিসেম্বর অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের সর্বশেষ বৈঠক হয়। সেখানে তিনি এসব দাবি পূরণের আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, কিছুই হয়নি। টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড সম্পর্কে যা শুনতে পাচ্ছি তাতে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই। ক্যাডার কর্মকর্তার পদ অষ্টম গ্রেড হয়েছে। ক্যাডার পদ না হওয়ায় সে হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক পদ এ সুবিধার মধ্যে আসে না। তিনি বলেন, এই পে-স্কেলে সুবিধা না দিয়ে উল্টো তা কমানোর মত ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটানো হয়েছে। আগে মোট অধ্যাপকের ২৫ শতাংশ গ্রেড-১ পেতেন। এবার মন্ত্রিসভা কমিটির সিদ্ধান্তের নামে বলা হচ্ছে যে, ওই কমিটি গ্রেড-২-প্রাপ্ত অধ্যাপক থেকে ২৫ শতাংশকে গ্রেড-১ দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে, অষ্টম জাতীয় পে-স্কেল বাস্তবায়িত হলে সপ্তম পে-স্কেলের তুলনায় গ্রেড-১-প্রাপ্ত শিক্ষকদের সংখ্যা অর্ধেক কিংবা তারও নিচে নেমে আসবে। অর্থাৎ সুবিধা না বাড়িয়ে কমানো হয়েছে। তিনি বলেন, শিক্ষক নেতারা মনে করেন, গ্রেড-১-প্রাপ্ত শিক্ষকদের থেকে সুপার গ্রেডের ২য় ধাপে (সিনিয়র সচিব) যাওয়ার কোনোও সুযোগ ও নির্দেশনা নেই এ গেজেটে। এ পর্যন্ত কোনো সরকারি আদেশেই তা পরিলক্ষিত হয়নি। উপরন্তু জাতীয় অধ্যাপকদের সিনিয়র সচিবদের পর্যায় এনে এই বরেণ্য ব্যক্তিদের অপমান করা হয়েছে। অন্যদিকে তাদেরকে পে-রুলে অন্তর্ভুক্ত করার মধ্য দিয়ে জাতীয় পে-স্কেলকে করা হয়েছে বিতর্কিত। এ অবস্থায় শিক্ষকরা দারুণভাবে ক্ষুব্ধ হয়েছেন।
জানা গেছে, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশন ২৭ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে একযোগে সংবাদ সম্মেলনের কর্মসূচি দিয়েছে। এছাড়া ২ জানুয়ারির আগেই সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ, ২ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব ভবনে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের ডাকে সব বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক প্রতিনিধি সম্মিলন হবে। পরে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে কর্মসূচি ঘোষিত হবে।
সরকারি কলেজ শিক্ষক : সরকারি কলেজ শিক্ষকদের দাবিগুলো হচ্ছে- পঞ্চম গ্রেডের সহযোগী অধ্যাপকদের পদোন্নতি দিয়ে অধ্যাপক করার সময়ে সরাসরি ৩য় গ্রেডে উন্নীত করা। নায়েম’র (জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি) মহাপরিচালক, পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ও বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানে পদ এবং জেলা সদরের অধ্যক্ষ পদ ১ নম্বর গ্রেডে উন্নীত করা। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের (মাউশি) পরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর, নায়েম, পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদফতর এবং অনার্স-মাস্টার্স কলেজের উপাধ্যক্ষর পদ, বোর্ড সচিব ও এনসিটিবি সদস্যের পদ ২ নম্বর গ্রেডে উন্নীত করা। এগুলোর বাস্তবায়ন না করা পর্যন্ত সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বহাল রাখা।
সম্মিলিত সরকারি কর্মকর্তা পরিষদ : এই সংগঠনের সদস্যদের মোট দাবি ৯টি। সংগঠনের সভাপতি মো. শফিউল আজম বলেন, একই যোগ্যতা এবং পিএসসির মাধ্যমে এসব কর্মকর্তা চাকরিতে প্রবেশ করে। তা সত্ত্বেও শুধু নন-ক্যাডার হওয়ার অপরাধে তারা চাকরিতে চরম বৈষমের শিকার হচ্ছেন।
মহাসচিব মো. জিন্নাত আলী বিশ্বাস বলেন, ক্যাডার-ননক্যাডার কর্মকর্তাদের জন্য চাকরির প্রারম্ভিক বেতন অভিন্ন ৮ম গ্রেড করতে হবে। সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল প্রথা আগের মতো বহাল রাখতে হবে। নির্ধারিত সময় শেষে ক্যাডার কর্মকর্তাদের মতো নন-ক্যাডার কর্মকর্তাদের পদোন্নতি নিশ্চিত করতে হবে।
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারদের দাবি : ইন্সটিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশের (আইডিইবি) নেতৃত্বে বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন করছেন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়াররা। আইডিইবির সভাপতি একেএমএ হামিদ বলেন, পে-স্কেলে বৈষম্যের প্রেক্ষাপটে আমরা সরকারের কাছে আমাদের দাবি ৬টি। এগুলো হচ্ছে- ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার উপ-সহকারী প্রকৌশলীদের প্রারম্ভিক বেতন ক্যাডার এন্ট্রি পদের একধাপ নিচে অর্থাৎ ৯ম গ্রেডে নির্ধারণ, বেতন বৈষম্য হ্রাসে ক্যাডার-নন-ক্যাডার এন্ট্রি পদ একই গ্রেডে নির্ধারণ, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার উপ-সহকারী প্রকৌশলী/সমমান পদে কর্মরতদের ৪ বছর চাকরি পূর্তিতে ৮ম গ্রেড, ৮ বছর চাকরি পূর্তিতে ৭ম গ্রেড, ১২ বছর চাকরি পূর্তিতে ৬ষ্ঠ গ্রেড ও ১৫ বছর চাকরি পূর্তিতে ৫ম গ্রেড স্কেল প্রদান এবং একইভাবে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীদের গ্রেড পরিবর্তনের সুযোগ রাখা,
কেন্দ্রীয় ব্যাংক : বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসার্স কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহরিয়ার সিদ্দিকী বলেন, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ অবদান থাকা সত্ত্বেও গেজেটে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল্যায়ন অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। বাংলাদেশ ব্যাংককে কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক, আনসার-ভিডিপি ব্যাংক, পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক ও প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের সমমর্যাদার করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ভূমিকাকে খাটো করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বৈষম্য দূর করতে আমাদের তিন দফা দাবি হচ্ছে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশ ব্যাংককে গেজেটে আলাদাভাবে প্রদর্শন করা, নির্বাহী পরিচালক পদকে ১ম গ্রেডে উন্নীত করা এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকে যোগদানকারী সহকারী পরিচালক প্রবেশ পদ জাতীয় স্কেলে ৮ম গ্রেডে নির্ধারণ।
 

প্রথম পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close