¦
সর্বশক্তি দিয়ে ভোটের মর্যাদা রক্ষা করুন

যুগান্তর রিপোর্ট | প্রকাশ : ২৯ ডিসেম্বর ২০১৫

ভোট দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন -যুগান্তর

আগামীকাল পৌরসভা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের জন্য ধানের শীষে ভোট চেয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তিনি বলেছেন, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অংশ হিসেবেই আমরা পৌর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অবতীর্ণ হয়েছি। বিএনপি শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী যুদ্ধে অবিচল থাকবে। দলে দলে ব্যাপক সংখ্যায় ভোট কেন্দ্রে হাজির হয়ে সর্বশক্তি দিয়ে নিজেদের ভোটের মর্যাদা রক্ষার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন। তিনি বলেন, ‘জনতার ঐক্যবদ্ধ শক্তি যে কোনো স্বৈরশাসকের অসৎ উদ্দেশ্য ব্যর্থ করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। শাসক দল নির্বাচনের ওপর অশুভ প্রভাব বিস্তারের যে পরিকল্পনা করেছে তা শান্তিপূর্ণ পন্থায় ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ান। আপনাদের অধিকার ও গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার সংগ্রামে ভূমিকা রাখুন।’ সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া এ আহ্বান জানান। এ সময় তিনি অভিযোগ করেন, ‘সরকার নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করার আয়োজন সম্পন্ন করেছে। সবরকম অনিয়মের মাধ্যমে ফল পাল্টে দেশবাসী এবং পৃথিবীকে দেখাতে চায় যে, তাদেরও জনপ্রিয়তা আছে। সেই অসৎ উদ্দেশ্যেই আসন্ন পৌর নির্বাচনে প্রশাসন ও পেশিশক্তি ব্যবহার করে তারা নির্বাচনী ফল ছিনতাই করতে চায়।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন যদি স্বাধীন জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে তাহলেই আসন্ন পৌর নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হতে পারে। আর তা হলেই বর্তমান নির্বাচন কমিশন তাদের হারানো ভাবমূর্তি ফিরে পেতে পারে।’ পরিস্থিতি নাজুক দাবি করে আবারও সেনা মোতায়েনের দাবি জানান তিনি।
গুলশানে নিজ কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন করেন খালেদা জিয়া। আট মাস পর সংবাদ সম্মেলনে আসেন তিনি। সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের আগে সর্বশেষ ২৫ এপ্রিল এখানে সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন। তবে এর মাঝে বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসন। বিকাল ৪টা ২৪ মিনিটে শুরু হওয়া সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেয়ার সময় খালেদা জিয়ার টেবিলের পাশে ধানের শীষ প্রতীক ছিল। সংবাদ সম্মেলনের পর তিনি সেই প্রতীক হাতে তুলে নেন। লিখিত বক্তব্যের পর সাংবাদিকদের কোনো প্রশ্নের জবাব দেননি।
এ সময় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, আ স ম হান্নান শাহ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ শাহজাহান, উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, সাবিহ উদ্দিন আহমেদ, শিরিন সুলতানা, শহীদউদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, এমরান সালেহ প্রিন্স, শামীমুর রহমান শামীম, খালেদা জিয়ার প্রেসসচিব মারুফ কামাল খান, বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, প্রেস উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান, শামসুদ্দিন দিদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামীর আবদুল হালিম, বিজেপির ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, ইসলামী ঐক্যজোটের মজিবুর রহমান পেশোয়ারী, জাগপার শফিউল আলম প্রধান, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনপিপির অ্যাডভোকেট ফরিদুজ্জামান ফরহাদসহ ২০ দলীয় জোটের নেতারাও উপস্থিত ছিলেন।
প্রচারে হামলার চিত্র তুলে ধরে খালেদা জিয়া বলেন, ৩০ ডিসেম্বর দেশে ২৩৪ পৌরসভায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরির ব্যাপারে কমিশন অনাগ্রহ প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে এটা স্পষ্ট হয়ে উঠছে যে, আসন্ন পৌর নির্বাচন প্রহসনে পরিণত করার সব আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে। বিরোধী দলের অফিস ও প্রার্থীর ওপর হামলা, সমর্থকদের হত্যা, প্রচারণায় বাধা, ভয়-ভীতি প্রদর্শন, গ্রেফতার ও হুমকি চরম আকার ধারণ করেছে। বিরোধীদলীয় সমর্থক ভোটার ও সম্ভাব্য এজেন্টদের ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য প্রতিনিয়ত ভয়-ভীতি দেখানো হচ্ছে। সন্ত্রাসী ছাড়াও আইনশৃংখলাবাহিনীর এক শ্রেণীর সদস্যকে এ অপকর্মে ব্যবহার করা হচ্ছে। সরকারি দলের সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন নির্বাচনী এলাকায় প্রকাশ্যে অস্ত্রের মহড়া দিচ্ছে, সশস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। ভোট কেন্দ্র দখলের হুমকিও দেয়া হচ্ছে। শাসক দলের মন্ত্রী-এমপিরা নির্বাচনী আচরণবিধি বেপরোয়াভাবে লংঘন করে চলেছেন। এর কিছু কিছু খবর সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত হলেও মামুলি কারণ দর্শানো নোটিশ এবং তারপর লোক দেখানো দুঃখ প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন দায় সারছে। ইতিমধ্যে ক্ষমতাসীনদের আচরণবিধি লংঘন রোধে প্রধানমন্ত্রীর সহায়তা কামনা করেছে নির্বাচন কমিশন। এর মাধ্যমে তারা সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যাপারে নিজেদের অসহায়ত্ব ও অক্ষমতাই প্রকাশ করেছে।
তিনি বলেন, ‘এ নাজুক পরিস্থিতিতে আমরা সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি করেছি। আমরা জানি না, আর কত ভয়াবহ অবস্থা হলে নির্বাচন কমিশন সেনা মোতায়েনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করবে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচনী দায়িত্বে সেনা মোতায়েন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। অতীতেও সেনাবাহিনীর সহায়তায় বিভিন্ন নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাই আমরা আবারও পৌর নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানাচ্ছি। নিজ উদ্যোগেই এ কাজটি করার সাংবিধানিক ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের রয়েছে।’
জগাখিচুড়ি ব্যবস্থায় পৌর নির্বাচন হচ্ছে দাবি করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘নির্বাচনটি পরিপূর্ণভাবে দলীয় ভিত্তিতে হচ্ছে না। কাউন্সিলর প্রার্থীরা দলীয় প্রতীক ব্যবহার করতে পারছেন না। এর পেছনে সরকারের দুরভিসন্ধি রয়েছে। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপিসহ অধিকাংশ রাজনৈতিক দল অংশ নেয়নি। সেই নির্বাচন দেশে-বিদেশে গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। ফলে ক্ষমতাসীন সরকারের নৈতিক বৈধতার সংকট রয়ে গেছে। এ সংকট কাটাতে প্রয়োজন একটি নিরপেক্ষ নির্দলীয় ব্যবস্থার অধীনে সবার অংশগ্রহণমূলক নতুন জাতীয় সংসদ নির্বাচন।’
তিনি বলেন, ‘দলীয় ভিত্তিতে পৌর মেয়র নির্বাচন করার ব্যবস্থা সরকার করেছে সেই সংকট থেকে উত্তরণের দুরাশা নিয়ে। তারা এ নির্বাচনে সবরকম অনিয়মের মাধ্যমে ফল পাল্টে দিয়ে দেশবাসী এবং পৃথিবীকে দেখাতে চায় যে, তাদেরও জনপ্রিয়তা আছে। সেই অসৎ উদ্দেশ্যেই আসন্ন পৌর নির্বাচনে প্রশাসন ও পেশিশক্তি ব্যবহার করে তারা নির্বাচনী ফল ছিনতাই করতে চায়। অতীতের মতো নির্বাচনকে তারা আবারও হোন্ডা-ডাণ্ডা-গুণ্ডার নির্বাচনে পরিণত করেছে। এবার পৌর নির্বাচনেও তার পুনরাবৃত্তির পাঁয়তারা চলছে।’
সাবেক এ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি স্থানীয় সরকারের প্রতিটি নির্বাচনেই অংশগ্রহণ করে আসছে। ৫ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছিল। সেসময় সরকার দেখাতে চেয়েছিল যে, তাদের অধীনেই সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। তাদের উদ্দেশ্য ছিল বিরোধী দল যেন ৫ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের ফল দেখে আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনেই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে রাজি হয়। কিন্তু তাদের সেই ষড়যন্ত্র উন্মোচিত হয়েছে। জনগণের নির্বাচিত ৫ সিটি মেয়রকেই সরকার বরখাস্ত করে দিয়েছে। সেই সঙ্গে অনেক নির্বাচিত বিরোধীদলীয় পৌর মেয়র ও উপজেলা চেয়ারম্যানকেও বরখাস্ত করা হয়েছে। এতে তাদের গণতন্ত্রবিরোধী চরিত্র আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।’
সাংবাদিকদের নানাভাবে হয়রানি করা হচ্ছে অভিযোগ করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘সাংবাদিকদের সততা ও বস্তুনিষ্ঠতার কারণে দেশবাসী এবং বিশ্ববাসী জানতে পেরেছে আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে কখনও কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু হয় না। এবার সাংবাদিকরা যাতে নির্বাচন চলাকালে তাদের পেশাগত দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে না পারেন তার জন্য নানা ধরনের অপচেষ্টা চলছে।’ তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, ‘পৌর নির্বাচনে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আমরা একটি বিজ্ঞাপনচিত্র প্রচার করতে চেয়েছিলাম। সরকারের পরোক্ষ চাপের কারণে ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো সে বিজ্ঞাপনটি প্রচারেও রাজি হয়নি। এসব ঘটনায় সরকারের অগণতান্ত্রিক আচরণ আরও ন্যক্কারজনকভাবে ফুটে উঠেছে। এত সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমরা বিশ্বাস করি, এবারের পৌর নির্বাচনে গণমাধ্যম আগের মতোই সাহসের সঙ্গে সত্যকে তুলে ধরার ক্ষেত্রে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালনে সচেষ্ট থাকবে।’
তিনি বলেন, ‘বিদেশে অবস্থানকালে দেশে উদ্বেগজনক কিছু ঘটনা ঘটেছে এবং এখনও বিক্ষিপ্তভাবে ঘটে চলেছে। বিদেশীরা আক্রান্ত হচ্ছেন। ভিন্ন মতের মানুষের ওপর সশস্ত্র চোরাগোপ্তা হামলা চলছে। ধর্মীয় সমাবেশ, মসজিদ ও অন্যান্য উপাসনালয় আক্রান্ত হচ্ছে। নিরাপত্তা বেষ্টনির ভেতরেও ঘটছে বোমা হামলার মতো সন্ত্রাসী ঘটনা। এসবের পেছনে কারা জড়িত তা নিয়ে সরকারের বিভিন্ন পর্যায় থেকে পরস্পরবিরোধী নানামুখী বক্তব্য আসছে। দেশবাসীর সঙ্গে আমরাও এসব ঘটনায় উদ্বিগ্ন।’
তিনি দাবি করেন, ‘আওয়ামী লীগের ১৯৯৬ থেকে ২০০১ মেয়াদের শাসনকালে দেশে পবিত্র ইসলাম ধর্মের অপব্যাখ্যা করে জঙ্গিবাদের উত্থান হয়েছিল। বাংলাদেশে বিলুপ্তপ্রায় জঙ্গিবাদীরা এখন আবারও নতুন শক্তিতে সংগঠিত হয়েছে কিনা এবং তাদের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদের যোগসূত্র স্থাপিত হয়েছে কিনা, তা নিয়ে সবখানে সংশয় ও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়েছে। এটা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এ ধরনের বিপদকে সম্মিলিতভাবে এবং জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির মাধ্যমে মোকাবিলা করতে হবে। চারদিকের অশুভ আলামত ও বিপজ্জনক সব হামলার ঘটনার ব্যাপারে আমি সবাইকে সতর্ক ও সজাগ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। দেশে যাতে কোনোভাবেই নৈরাজ্যকর নিরাপত্তা পরিস্থিতির সৃষ্টি না হয়, সে দিকে আমি সবাইকে নজর রাখতে বলব।’
নেতাকর্মীদের হামলা-মামলা, খুন ও গুম করা হচ্ছে দাবি করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘অনেক মা ও বোন গুম হয়ে যাওয়া সন্তান ও ভাইদের ছবি বুকে ধারণ করে আহাজারি করছেন। আমরা বিশ্বাস করি, বীরের এই রক্তস্রোত, মায়ের এই অশ্র“ধারা কখনও বৃথা যাবে না।’
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি খুবই নাজুক দাবি করেন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, ‘দ্রব্যমূল্যের ক্রমাগত ঊর্ধ্বগতির ফলে জনজীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে। দেশী-বিদেশী বিনিয়োগ মুখ থুবড়ে পড়েছে। নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে না। কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য দাম না পেয়ে কৃষিকাজে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। কুইক রেন্টাল পাওয়ার প্ল্যান্ট স্থাপনের নামে চলেছে লুটপাটের মহোৎসব। ব্যাংকিং খাত অচল হয়ে পড়ছে সীমাহীন দুর্নীতিতে। শেয়ারবাজারে অবাধ লুণ্ঠণে নিঃস্ব হয়েছে অসংখ্য পরিবার। জনগণের সম্পদ লুণ্ঠন করে বিপুল অর্থ বিদেশে পাচার করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল একটি উদার গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। বিজয়ের এ মাসে আমরা বিশ্বাস করি, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে যে সাম্য, সামাজিক ন্যায়বিচার ও মানবিক মর্যাদার কথা বলা হয়েছে, তা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই বাংলাদেশের জনগণের কাক্সিক্ষত মুক্তি অর্জন সম্ভব।’
আরাফাত রহমান কোকোর জানাজায় ব্যাপক লোকসমাগমের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এর মাধ্যমে দেশবাসী জানিয়ে দিয়েছে, শত অপপ্রচার সত্ত্বেও তারা আমাদের ভুল বোঝেনি। এ নীরব ভালোবাসা সক্রিয় সমর্থনে পরিণত হলে কোনো নিষ্ঠুর ফ্যাসিবাদীর পক্ষেই ক্ষমতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়।’
সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরে স্বাধীনতা যুদ্ধের অমর শহীদদের কথা শ্রদ্ধাভরে স্মরণ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অভিবাদন জানান খালেদা জিয়া। সবশেষে দেশবাসীকে আসন্ন খ্রিস্টীয় নববর্ষের শুভেচ্ছা জানান তিনি।
 

প্রথম পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close