jugantor
নভেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে
বিশ্ববাজারে ভোগ্যপণ্যের দাম ক্রমাগতভাবে কমছে। যার প্রভাব দেশেও পড়ছে। যে কারণে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে : পরিকল্পনামন্ত্রী * দুই মাসে গ্রাম ও শহরের মূল্যস্ফীতি নিুমুখী ধারায় * গ্রামীণ অঞ্চলে সাধারণ মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৬১ শতাংশ, আগের মাস অক্টোবরে তা ছিল ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

নভেম্বরে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতে মূল্যম্ফীতির হার আগের মাসের চেয়ে কমেছে। গত দুই মাস ধারাবাহিকভাবে নিুমুখী ধারায় ছিল মূল্যস্ফীতি। গেল নভেম্বরে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ। অক্টোবরে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ১৯ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বুধবার এনইসি সম্মেলন কক্ষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য তুলে ধরেন। এ সময় পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য ড. শামসুল আলম, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কানিজ ফাতেমাসহ বিবিএসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, শীতকালীন শাকসবজিতে বাজার ভরে গেছে। কম দামে বাজারে প্রচুর সবজি পাওয়া যাচ্ছে। সবজিসহ সব ধরনের পণ্যের সরবরাহ বেড়েছে। বিশ্ববাজারে ভোগ্যপণ্যের দাম ক্রমাগতভাবে কমছে। যার প্রভাব দেশেও পড়ছে। যে কারণে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে। তিনি বলেন, গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রার মান বেড়েছে। তাদের বাড়ি ভাড়া দিতে হয় না, কম দামে নানা পণ্য খেতে পারছেন।

মুস্তফা কামাল বলেন, দেশেও খাদ্যপণ্যের দাম কম। বিদেশ থেকেও কম দামে খাবার আমদানি হচ্ছে। যে কারণে খাবারের দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই।

পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি বলতে আগের বছরের নির্দিষ্ট কোনো মাসের ভোক্তা মূল্য সূচকের তুলনায় পরের বছর একই মাসে ওই সূচক যতটুকু বাড়ে তার শতকরা হারকে বুঝায়।

অন্যদিকে ১২ মাসের পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতির গড় করে বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হিসাব করা হয়। খাদ্য এবং খাদ্যবহির্ভূত বিভিন্ন পণ্য ও সেবার মূল্য নিয়ে বিবিএস মূল্যস্ফীতির পরিসংখ্যান তৈরি করে। জাতীয় মূল্যস্ফীতির পাশাপাশি গ্রাম এবং শহরের মূল্যস্ফীতির আলাদা হিসাব করা হয়ে থাকে।

বিবিএসের হালনাগাদ তথ্যে দেখা গেছে, খাদ্যপণ্যে অক্টোবর মাসের চেয়ে নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি হার কমেছে। মাছ, মাংস, ব্রয়লার মুরগি, শাকসবজি, ফল, মসলা, দুধজাতীয় ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রীর মূল্য বাড়ার হার কম। অক্টোবরে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। নভেম্বরে এর হার কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ।

গ্রাম ও শহরে মূল্যস্ফীতির আলাদা হিসাবও দিয়েছে বিবিএস। এতে বলা হয়েছে, নভেম্বরে গ্রামীণ অঞ্চলে সাধারণ মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৬১ শতাংশ, আগের মাস অক্টোবরে তা ছিল ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ। গত মাসে শহরাঞ্চলের মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এর আগের মাসে তা ছিল ৬ দশমিক ৯১ শতাংশ।

সংস্থাটি বলছে, প্রসাধন সামগ্রী, জুতা, পরিধেয় বস্র, বাড়িভাড়া, আসবাবপত্র, গৃহস্থালি পণ্য, চিকিৎসা সেবা, পরিবহন, শিক্ষা উপকরণ এবং সেবাখাতের মূল্যস্ফীতির হার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এ কারণে খাদ্যবহির্ভূত খাতে ছয় শতাংশের ওপরে মূল্যস্ফীতি। এ খাতে নভেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ।



সাবমিট

নভেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে

বিশ্ববাজারে ভোগ্যপণ্যের দাম ক্রমাগতভাবে কমছে। যার প্রভাব দেশেও পড়ছে। যে কারণে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে : পরিকল্পনামন্ত্রী * দুই মাসে গ্রাম ও শহরের মূল্যস্ফীতি নিুমুখী ধারায় * গ্রামীণ অঞ্চলে সাধারণ মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৬১ শতাংশ, আগের মাস অক্টোবরে তা ছিল ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ
 যুগান্তর রিপোর্ট 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
নভেম্বরে খাদ্য ও খাদ্যবহির্ভূত উভয় খাতে মূল্যম্ফীতির হার আগের মাসের চেয়ে কমেছে। গত দুই মাস ধারাবাহিকভাবে নিুমুখী ধারায় ছিল মূল্যস্ফীতি। গেল নভেম্বরে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ। অক্টোবরে সাধারণ মূল্যস্ফীতি ছিল ৬ দশমিক ১৯ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বুধবার এনইসি সম্মেলন কক্ষে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ তথ্য তুলে ধরেন। এ সময় পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) সদস্য ড. শামসুল আলম, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কানিজ ফাতেমাসহ বিবিএসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, শীতকালীন শাকসবজিতে বাজার ভরে গেছে। কম দামে বাজারে প্রচুর সবজি পাওয়া যাচ্ছে। সবজিসহ সব ধরনের পণ্যের সরবরাহ বেড়েছে। বিশ্ববাজারে ভোগ্যপণ্যের দাম ক্রমাগতভাবে কমছে। যার প্রভাব দেশেও পড়ছে। যে কারণে মূল্যস্ফীতির হার কমেছে। তিনি বলেন, গ্রামের মানুষের জীবনযাত্রার মান বেড়েছে। তাদের বাড়ি ভাড়া দিতে হয় না, কম দামে নানা পণ্য খেতে পারছেন।

মুস্তফা কামাল বলেন, দেশেও খাদ্যপণ্যের দাম কম। বিদেশ থেকেও কম দামে খাবার আমদানি হচ্ছে। যে কারণে খাবারের দাম বাড়ার কোনো কারণ নেই।

পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে মূল্যস্ফীতি বলতে আগের বছরের নির্দিষ্ট কোনো মাসের ভোক্তা মূল্য সূচকের তুলনায় পরের বছর একই মাসে ওই সূচক যতটুকু বাড়ে তার শতকরা হারকে বুঝায়।

অন্যদিকে ১২ মাসের পয়েন্ট টু পয়েন্ট মূল্যস্ফীতির গড় করে বার্ষিক মূল্যস্ফীতির হিসাব করা হয়। খাদ্য এবং খাদ্যবহির্ভূত বিভিন্ন পণ্য ও সেবার মূল্য নিয়ে বিবিএস মূল্যস্ফীতির পরিসংখ্যান তৈরি করে। জাতীয় মূল্যস্ফীতির পাশাপাশি গ্রাম এবং শহরের মূল্যস্ফীতির আলাদা হিসাব করা হয়ে থাকে।

বিবিএসের হালনাগাদ তথ্যে দেখা গেছে, খাদ্যপণ্যে অক্টোবর মাসের চেয়ে নভেম্বরে মূল্যস্ফীতি হার কমেছে। মাছ, মাংস, ব্রয়লার মুরগি, শাকসবজি, ফল, মসলা, দুধজাতীয় ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রীর মূল্য বাড়ার হার কম। অক্টোবরে খাদ্যপণ্যে মূল্যস্ফীতি ছিল ৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ। নভেম্বরে এর হার কমে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ।

গ্রাম ও শহরে মূল্যস্ফীতির আলাদা হিসাবও দিয়েছে বিবিএস। এতে বলা হয়েছে, নভেম্বরে গ্রামীণ অঞ্চলে সাধারণ মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ৬১ শতাংশ, আগের মাস অক্টোবরে তা ছিল ৫ দশমিক ৮২ শতাংশ। গত মাসে শহরাঞ্চলের মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ। এর আগের মাসে তা ছিল ৬ দশমিক ৯১ শতাংশ।

সংস্থাটি বলছে, প্রসাধন সামগ্রী, জুতা, পরিধেয় বস্র, বাড়িভাড়া, আসবাবপত্র, গৃহস্থালি পণ্য, চিকিৎসা সেবা, পরিবহন, শিক্ষা উপকরণ এবং সেবাখাতের মূল্যস্ফীতির হার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। এ কারণে খাদ্যবহির্ভূত খাতে ছয় শতাংশের ওপরে মূল্যস্ফীতি। এ খাতে নভেম্বরে মূল্যস্ফীতির হার ছিল ৬ দশমিক ৫৬ শতাংশ।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র