jugantor
সিএসইর এমডির পদত্যাগ নিয়ে তদন্ত কমিটি

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওয়ালি উল মারুফ মতিনের পদত্যাগের প্রকৃত কারণ জানতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। প্রথম ও দ্বিতীয় পদত্যাগপত্রে বক্তব্যের পার্থক্য দেখা দেয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমানের নেতৃত্বে এ কমিটিকে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। আর রিপোর্ট না দেয়া পর্যন্ত পদত্যাগের কার্যকারিতা স্থগিত থাকবে। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটি চিঠি সিএসই চেয়ারম্যান ড. আবদুল মজিদের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালি উল মারুফ মতিনের প্রথম ও দ্বিতীয় পদত্যাগপত্রের বর্ণনায় পার্থক্য দেখা গেছে। ডিমিউচুয়ালাইজেশনের আলোকে সিএসইর কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো বিচ্যুতি রয়েছে কিনা সে বিষয়টি তদন্তের প্রয়োজন। ফলে কমিটি গঠন করা হল।

৩০ নভেম্বর মারুফ মতিনের প্রথম পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করা হয়, পরিচালনা পর্ষদের প্রভাবশালী সদস্যরা তার বিভিন্ন সিদ্ধান্তে অযাচিত হস্তক্ষেপ করছেন। যার কারণে বিভিন্ন ইস্যুতে এমডি হিসেবে তিনি কোনো সিদ্ধান্তই নিতে পারছেন না। এরপর আবার ৬ ডিসেম্বর আরেকটি পদত্যাগপত্র দেন তিনি। এতে ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। বিষয়টি বিভ্রান্তিকর। সূত্র জানায়, এমডি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে তিনি অ্যালায়েন্স ক্যাপিটাল এবং অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান ছিলেন। আর নিয়োগের সময় তাকে আগের সব দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে আসার শর্ত দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি ওইসব শর্ত পালন করতে পারেননি। এছাড়া সিএসইর এমডি হলেও বেশির ভাগ সময়ই তিনি ঢাকা ও কুষ্টিয়াতে থাকতেন। এই বিষয়টি বোর্ডে কয়েকবার তাকে বলা হয়েছে। সর্বশেষ ২৬ নভেম্বর সিএসইর বিশেষ সাধারণ সভায় মেম্বররা বিষয়টি নিয়ে জোড়ালো আপত্তি তুলে। এরপরই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।



সাবমিট

সিএসইর এমডির পদত্যাগ নিয়ে তদন্ত কমিটি

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ওয়ালি উল মারুফ মতিনের পদত্যাগের প্রকৃত কারণ জানতে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। প্রথম ও দ্বিতীয় পদত্যাগপত্রে বক্তব্যের পার্থক্য দেখা দেয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক সাইফুর রহমানের নেতৃত্বে এ কমিটিকে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। আর রিপোর্ট না দেয়া পর্যন্ত পদত্যাগের কার্যকারিতা স্থগিত থাকবে। মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত একটি চিঠি সিএসই চেয়ারম্যান ড. আবদুল মজিদের কাছে পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওয়ালি উল মারুফ মতিনের প্রথম ও দ্বিতীয় পদত্যাগপত্রের বর্ণনায় পার্থক্য দেখা গেছে। ডিমিউচুয়ালাইজেশনের আলোকে সিএসইর কার্যক্রম পরিচালনায় কোনো বিচ্যুতি রয়েছে কিনা সে বিষয়টি তদন্তের প্রয়োজন। ফলে কমিটি গঠন করা হল।

৩০ নভেম্বর মারুফ মতিনের প্রথম পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করা হয়, পরিচালনা পর্ষদের প্রভাবশালী সদস্যরা তার বিভিন্ন সিদ্ধান্তে অযাচিত হস্তক্ষেপ করছেন। যার কারণে বিভিন্ন ইস্যুতে এমডি হিসেবে তিনি কোনো সিদ্ধান্তই নিতে পারছেন না। এরপর আবার ৬ ডিসেম্বর আরেকটি পদত্যাগপত্র দেন তিনি। এতে ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। বিষয়টি বিভ্রান্তিকর। সূত্র জানায়, এমডি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে তিনি অ্যালায়েন্স ক্যাপিটাল এবং অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টের চেয়ারম্যান ছিলেন। আর নিয়োগের সময় তাকে আগের সব দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে আসার শর্ত দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি ওইসব শর্ত পালন করতে পারেননি। এছাড়া সিএসইর এমডি হলেও বেশির ভাগ সময়ই তিনি ঢাকা ও কুষ্টিয়াতে থাকতেন। এই বিষয়টি বোর্ডে কয়েকবার তাকে বলা হয়েছে। সর্বশেষ ২৬ নভেম্বর সিএসইর বিশেষ সাধারণ সভায় মেম্বররা বিষয়টি নিয়ে জোড়ালো আপত্তি তুলে। এরপরই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন তিনি।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র