jugantor
আয়রন অ্যান্ড স্টিল ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন
১৯ ডিসেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকাল ধর্মঘটের ডাক

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে আয়রন অ্যান্ড স্টিল ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন 	-যুগান্তর

বেপরোয়া চোরাচালান আর বন্ডের নামে দুর্নীতি বন্ধে আগামী ১৯ ডিসেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে দোকানপাট বন্ধ রাখার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ আয়রন অ্যান্ড স্টিল ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনের পর এক সংবাদ সম্মেলনে নেতারা এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, শুধু লৌহজাত পণ্যের ব্যবসা থেকেই বছরে কমপক্ষে দশ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আয়ের সুযোগ আছে সরকারের। কিন্তু প্রভাবশালী কয়েকটি কোম্পানির বন্ডের মাধ্যমে আমদানি করা লৌহজাত কাঁচামাল খোলাবাজারে বিক্রি হওয়ায় একদিকে সরকার এই রাজস্ব পাচ্ছে না, অপরদিকে বন্ধ হওয়ার পথে এ সংক্রান্ত দেশের প্রায় এক লাখ ক্ষুদ্র ব্যবসা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সভাপতি সিরাজ ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ আবুজর গিফারি জুয়েল ও যুগ্ম সম্পাদক আমির হোসেন নুরানী।

লিখিত বক্তব্যে আবুজর গিফারি বলেন, বন্ডেড সুবিধা নিয়ে পণ্য আমদানি করে খোলা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে সিআর আয়রন। দেশের শীর্ষস্থানীয় তিনটি প্রতিষ্ঠান এ পন্থায় আমদানি সুবিধা নিয়ে বছরে কমপক্ষে আড়াই হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনি সরকারও হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এসব বিষয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বারবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ অন্যান্য দফতরে অভিযোগ করার পরও তদন্তের কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না কেউ। তিনি বলেন-একটি বড় স্টিল মিলসহ কয়েকটি কোম্পানী নিজস্ব ঢেউটিন তৈরির কারখানার জন্য বন্ডেড সুবিধা নিয়ে বিদেশ থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার টন কাঁচামাল আমদানি করছে। এজন্য তারা বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকে। কিন্তুু এসব কোম্পানি আমদানি করা সামান্য কিছু মাল ঢেউটিন তৈরিতে কাজে লাগায়। বাকি মাল চড়া দামে খোলা বাজারে বিক্রি করে দেয়। এতে একদিকে সরকার যেমন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে অন্যদিকে দেশের প্রায় লক্ষাধিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প কারখানাগুলো ধ্বংসের মুখে পড়েছে।




 

সাবমিট
আয়রন অ্যান্ড স্টিল ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন

১৯ ডিসেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকাল ধর্মঘটের ডাক

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে আয়রন অ্যান্ড স্টিল ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন 	-যুগান্তর
জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন করে আয়রন অ্যান্ড স্টিল ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন -যুগান্তর

বেপরোয়া চোরাচালান আর বন্ডের নামে দুর্নীতি বন্ধে আগামী ১৯ ডিসেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে দোকানপাট বন্ধ রাখার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ আয়রন অ্যান্ড স্টিল ইমপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে আয়োজিত মানববন্ধনের পর এক সংবাদ সম্মেলনে নেতারা এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, শুধু লৌহজাত পণ্যের ব্যবসা থেকেই বছরে কমপক্ষে দশ হাজার কোটি টাকা অতিরিক্ত রাজস্ব আয়ের সুযোগ আছে সরকারের। কিন্তু প্রভাবশালী কয়েকটি কোম্পানির বন্ডের মাধ্যমে আমদানি করা লৌহজাত কাঁচামাল খোলাবাজারে বিক্রি হওয়ায় একদিকে সরকার এই রাজস্ব পাচ্ছে না, অপরদিকে বন্ধ হওয়ার পথে এ সংক্রান্ত দেশের প্রায় এক লাখ ক্ষুদ্র ব্যবসা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন সমিতির সভাপতি সিরাজ ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ আবুজর গিফারি জুয়েল ও যুগ্ম সম্পাদক আমির হোসেন নুরানী।

লিখিত বক্তব্যে আবুজর গিফারি বলেন, বন্ডেড সুবিধা নিয়ে পণ্য আমদানি করে খোলা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে সিআর আয়রন। দেশের শীর্ষস্থানীয় তিনটি প্রতিষ্ঠান এ পন্থায় আমদানি সুবিধা নিয়ে বছরে কমপক্ষে আড়াই হাজার কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে। এতে একদিকে যেমন ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন, তেমনি সরকারও হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এসব বিষয়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বারবার জাতীয় রাজস্ব বোর্ডসহ অন্যান্য দফতরে অভিযোগ করার পরও তদন্তের কোনো উদ্যোগ নিচ্ছে না কেউ। তিনি বলেন-একটি বড় স্টিল মিলসহ কয়েকটি কোম্পানী নিজস্ব ঢেউটিন তৈরির কারখানার জন্য বন্ডেড সুবিধা নিয়ে বিদেশ থেকে প্রতিবছর হাজার হাজার টন কাঁচামাল আমদানি করছে। এজন্য তারা বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকে। কিন্তুু এসব কোম্পানি আমদানি করা সামান্য কিছু মাল ঢেউটিন তৈরিতে কাজে লাগায়। বাকি মাল চড়া দামে খোলা বাজারে বিক্রি করে দেয়। এতে একদিকে সরকার যেমন বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে অন্যদিকে দেশের প্রায় লক্ষাধিক ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প কারখানাগুলো ধ্বংসের মুখে পড়েছে।




 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র