¦
মোদির রাজ্য গুজরাটে কনে সংকট!

অনলাইন ডেস্ক ৮ এপ্রিল : | প্রকাশ : ০৮ এপ্রিল ২০১৫

অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, গুজরাটে বিয়ে যোগ্য করেন তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।আর এজন্য বিয়ে করতে না পেরে হাজার হাজার পুরুষকে চিরকুমার থাকতে হচ্ছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তার জন্মস্থান গুজরাটে ‘চিরকুমার’ হিসেবেই সবচেয়ে বেশি পরিচিত। তবে নির্বাচনের আগে বিয়ের ঘোষণা দিয়ে তিনি রক্ষা পান। কিন্তু তার রাজ্যে কনে সংকটের কোন সুরাহা হচ্ছে না।
বুধবার ভারতের জনপ্রিয় ইংরেজি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার বিশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
আদমশুমারির তথ্যমতে, শুধু মোদিই নন, গুজরাটের ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সের প্রায় ৬ লাখ ২৯ হাজার যুবক এখনো অবিবাহিত। মজার ব্যাপার হলো, ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও এই যুবকরা বিয়ের পিঁড়িতে বসতে পাচ্ছেন না শুধু কনের অভাবে।
খবরে বলা হয়, গুজরাটে লিঙ্গ অনুপাতের একটি পরিসংখ্যানে দেখানো হয়েছে, প্রদেশটিতে প্রতি ৯১৯ জন নারীর বিপরীতে পুরুষের সংখ্যা ১ হাজার জন এবং ০ থেকে ৬ বছর বয়সের শিশুদের মধ্যে ৮৮৬ জন মেয়ে আর ১ হাজার জন ছেলেশিশু। প্রদেশটিতে নারী-পুরুষের অনুপাতের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে।
তৃণমূল পর্যায়েও নারী-পুরুষের এই ভারসাম্যহীনতার কারণে অনেক সুযোগ্য যুবক বিয়ের পাত্রী খোঁজার পরও ব্যর্থ হচ্ছেন। হরিশ পাতিল তাদেরই একজন। অনেক যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি তিনি এবং তার নামের সঙ্গে এমএসসি, এমএড, এমফিল এবং পিএইচডি ডিগ্রিও রয়েছে।
হরিশ এইচএসসি শিক্ষার্থীদের পড়িয়ে বিপুল অর্থ আয় করেছেন।সবদিক বিবেচনা করলে তিনি এখন বিয়ের জন্য উপযুক্ত একজন পাত্র। তবে অনেক খোঁজাখুঁজির পর পাত্রী না পেয়ে বিয়ের আশা একেবার ছেড়েই দিয়েছেন হরিশ। তার মতো প্রদেশটিতে এ রকম আরো অনেকে রয়েছেন, যারা পাত্রীর অভাবে বিয়ে করতে পারছেন না।
এ প্রসঙ্গে হরিশ বলেন, বিয়ের জন্য এমন কোনো পাত্র-পাত্রীর অফিস নেই যেখানে আমি রেজিস্ট্র্রেশন করিনি। এমনকি এমন কোনো সম্মেলন নেই যেখানে আমি যায়নি। কিন্তু বিয়ের পাত্রীর সংখ্যা নিতান্তই নগণ্য।
গণিতশাস্ত্রের এই শিক্ষক তার বৈবাহিক দুরবস্থার জন্য নারী-পুরুষের ভারসাম্যহীন অনুপাতকেই দায়ী করেছেন।
এ প্রদেশে বর্তমানে বিয়ের পাত্রী খুঁজে বের করাই সবচেয়ে কঠিন কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
 
আন্তর্জাতিক পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close