jugantor
উইকিপিডিয়ায় চিকিৎসা সংক্রান্ত ৯০ শতাংশ তথ্যই ভুল!

   

৩০ মে ২০১৪, ০০:০০:০০  | 

বিশ্বের ২৮৫টি ভাষায় রচিত ৩১ মিলিয়ন কনটেন্টের সমরাজ্য উইকিপিডিয়া। ২০০১ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকেই উইকিপিডিয়া ইন্টারনেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় রেফারেন্স সাইটে পরিণত হলেও এখানে প্রকাশিত চিকিৎসা ও ওষুধ সংক্রান্ত ৯০ শতাংশ তথ্যই ভুল বলে প্রমাণিত হয়েছে। উইকিপিডিয়াতে দেয়া স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতি ১০টি এন্ট্রির মধ্যে ৯টি এন্ট্রিই প্রকৃতপক্ষে যথাযথ না। তাই শারীরিক কোনো সমস্যা সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে উইকিপিডিয়ার দ্বারস্থ না হওয়াই ভালো হবে। কেননা, সম্ভবত আপনার ওই সমস্যা ও এর সমাধান সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা পাবেন উইকিপিডিয়ায়। চিকিৎসকদের একটি গবেষণা থেকে জানা যায়, আপনার শরীরে অস্বাভাবিক যে লক্ষণগুলো দেখা দিচ্ছে তা নির্ণয় করার জন্য ইন্টারনেটের দ্বারস্থ হওয়ার ধারণাটি খুবই বাজে। তারা দেখেছেন, সাধারণ চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের ক্ষেত্রে প্রতি ১০টি তথ্যের ৯টিই ভুল! এর কারণ প্রথাগত অন্যান্য বিশ্বকোষের মতোই, এই বিপুল জনপ্রিয় ওয়েবসাইটটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের নতুন কোনো তথ্য যোগ করা, মুছে ফেলা কিংবা সংযোজন করার অনুমতি দেয়। এ কারণেই তথ্যগত ভুল রয়ে যাওয়ার ঝুঁকি ক্রমাগত বাড়ছে। শুধু তাই নয়, ওষুধ কোম্পানিগুলো উইকিপিডিয়া থেকে তাদের ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কিত তথ্য মুছে ফেলছে, এমন অভিযোগও আছে। ২০০৯ সালে এস্ট্রাজেনেকা কোম্পানির কর্মচারী শিশু-কিশোরদের জন্য অবসাদরোধক ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সংক্রান্ত একটি বাক্য উইকিপিডিয়া থেকে মুছে ফেলে। উইকিপিডিয়াতে সঠিকভাবে উচ্চ রক্তচাপ নির্ণয় করা সম্পর্কে যে তথ্য দেয়া আছে তা সত্য নয় বলেই জানিয়েছেন গবেষকরা। বরং এ পদ্ধতি অবলম্বন করতে গেলে চিকিৎসায় বিলম্ব ঘটতে পারে, ফলে রোগীর জীবনও সংকটে পড়তে পারে। এ ছাড়া অবসাদ বা হতাশা দূরীকরণ ওষুধ (এন্টিডিপ্রেসেন্ট) সম্পর্কেও ভুল তথ্য দেয়া আছে। শিশুদের জন্য এসব ওষুধ মোটেও নিরাপদ নয়। উইকিপিডিয়াতে দেয়া ভুল নির্দেশনার ফলে অনেকেরই ভুল চিকিৎসার প্রমাণ মেলে। আমেরিকান অস্টিওপ্যাথিক অ্যাসোসিয়েশনের জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, নারীদের চারভাগের একভাগ গুগল থেকে প্রাপ্ত ভুল নির্দেশনা অনুসরণ করেন। ২০১২ সালে ১০০০ জন নারীদের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা যায়, উইকিপিডিয়ার ভুল নির্দেশনা পেয়ে তারা প্রায়ই নিজেদের স্তন ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, অ্যাজমার রোগী বলে মনে করতেন।

হসুমাইয়া রহমান সীমা









সাবমিট

উইকিপিডিয়ায় চিকিৎসা সংক্রান্ত ৯০ শতাংশ তথ্যই ভুল!

  
৩০ মে ২০১৪, ১২:০০ এএম  | 
বিশ্বের ২৮৫টি ভাষায় রচিত ৩১ মিলিয়ন কনটেন্টের সমরাজ্য উইকিপিডিয়া। ২০০১ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকেই উইকিপিডিয়া ইন্টারনেটের সবচেয়ে জনপ্রিয় রেফারেন্স সাইটে পরিণত হলেও এখানে প্রকাশিত চিকিৎসা ও ওষুধ সংক্রান্ত ৯০ শতাংশ তথ্যই ভুল বলে প্রমাণিত হয়েছে। উইকিপিডিয়াতে দেয়া স্বাস্থ্যবিষয়ক প্রতি ১০টি এন্ট্রির মধ্যে ৯টি এন্ট্রিই প্রকৃতপক্ষে যথাযথ না। তাই শারীরিক কোনো সমস্যা সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে উইকিপিডিয়ার দ্বারস্থ না হওয়াই ভালো হবে। কেননা, সম্ভবত আপনার ওই সমস্যা ও এর সমাধান সম্পর্কে ভুল ব্যাখ্যা পাবেন উইকিপিডিয়ায়। চিকিৎসকদের একটি গবেষণা থেকে জানা যায়, আপনার শরীরে অস্বাভাবিক যে লক্ষণগুলো দেখা দিচ্ছে তা নির্ণয় করার জন্য ইন্টারনেটের দ্বারস্থ হওয়ার ধারণাটি খুবই বাজে। তারা দেখেছেন, সাধারণ চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্যের ক্ষেত্রে প্রতি ১০টি তথ্যের ৯টিই ভুল! এর কারণ প্রথাগত অন্যান্য বিশ্বকোষের মতোই, এই বিপুল জনপ্রিয় ওয়েবসাইটটি সাধারণ ব্যবহারকারীদের নতুন কোনো তথ্য যোগ করা, মুছে ফেলা কিংবা সংযোজন করার অনুমতি দেয়। এ কারণেই তথ্যগত ভুল রয়ে যাওয়ার ঝুঁকি ক্রমাগত বাড়ছে। শুধু তাই নয়, ওষুধ কোম্পানিগুলো উইকিপিডিয়া থেকে তাদের ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সম্পর্কিত তথ্য মুছে ফেলছে, এমন অভিযোগও আছে। ২০০৯ সালে এস্ট্রাজেনেকা কোম্পানির কর্মচারী শিশু-কিশোরদের জন্য অবসাদরোধক ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া সংক্রান্ত একটি বাক্য উইকিপিডিয়া থেকে মুছে ফেলে। উইকিপিডিয়াতে সঠিকভাবে উচ্চ রক্তচাপ নির্ণয় করা সম্পর্কে যে তথ্য দেয়া আছে তা সত্য নয় বলেই জানিয়েছেন গবেষকরা। বরং এ পদ্ধতি অবলম্বন করতে গেলে চিকিৎসায় বিলম্ব ঘটতে পারে, ফলে রোগীর জীবনও সংকটে পড়তে পারে। এ ছাড়া অবসাদ বা হতাশা দূরীকরণ ওষুধ (এন্টিডিপ্রেসেন্ট) সম্পর্কেও ভুল তথ্য দেয়া আছে। শিশুদের জন্য এসব ওষুধ মোটেও নিরাপদ নয়। উইকিপিডিয়াতে দেয়া ভুল নির্দেশনার ফলে অনেকেরই ভুল চিকিৎসার প্রমাণ মেলে। আমেরিকান অস্টিওপ্যাথিক অ্যাসোসিয়েশনের জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, নারীদের চারভাগের একভাগ গুগল থেকে প্রাপ্ত ভুল নির্দেশনা অনুসরণ করেন। ২০১২ সালে ১০০০ জন নারীদের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা যায়, উইকিপিডিয়ার ভুল নির্দেশনা পেয়ে তারা প্রায়ই নিজেদের স্তন ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, অ্যাজমার রোগী বলে মনে করতেন।

হসুমাইয়া রহমান সীমা









 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র