¦
স্কুল শিক্ষার্থীদের গ্রোগ্রামিং শেখাতে সরকারি উদ্যোগ

| প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০১৫

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মতো স্কুল পর্যায় থেকে শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার প্রোগ্রামিং চর্চায় আকৃষ্ট করতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে, স্কুল শিক্ষার্থীদের কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের বিভিন্ন বিষয়, প্রয়োগ ও দক্ষতা সম্পর্কে সচেতন করা, রিসোসপ্রাপ্তি ও হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান। স্থানীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া, স্কুল পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য আঞ্চলিক ও জাতীয় পর্যায়ে কম্পিউটার প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার আয়োজন করা এবং আন্তর্জাতিক কার্যক্রমের সঙ্গে এ উদ্যোগের সম্পৃক্ততা রাখা। চলতি অর্থবছরেই পাইলট কর্মসূচি হিসেবে এ উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। এপ্রিলের শেষদিকে শুরু হয়ে জুনের মধ্যেই এ কার্যক্রম শেষ করবে বিভাগটি। স্কুল ও কলেজ শিক্ষার্থীকে কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে উদ্বুদ্ধকরণ ও জাতীয় হাইস্কুল প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতার (এনএইচএসপিসি) মধ্য দিয়েই এ কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এটি বাস্তবায়নে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগকে সহযোগিতা করবে বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক এবং ধানসিড়ি কমিউনিকেশন্স। ইতিমধ্যে এ উদ্যোগের প্রস্তুতি নেয়া শুরু হয়েছে। কার্যক্রম শুরুর আগে গণমাধ্যমে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা করবে আয়োজকরা। পাইলট কার্যক্রমের ফল দেখে পরবর্তী সময়ে এ আয়োজন কয়েকটি স্তরে বছরব্যাপী অনুষ্ঠিত হবে। ইতিমধ্যে এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে ২৬ সদস্যবিশিষ্ট উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করা হয়েছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এ পরিষদের সভাপতি। শাবিপ্রবির অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, বুয়েট অধ্যাপক মোহাম্মদ কায়কোবাদ, বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্কের সাধারণ সম্পাদক মুনির হাসান, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, বেসিস, বিসিএসসহ বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি ও তথ্যপ্রযুক্তি সংশ্লিষ্টরা এ পরিষদের সদস্য হিসেবে রয়েছেন। প্রতিযোগিতা ৭ বিভাগ ও ঢাকা মহানগরে অনুষ্ঠিত হবে। তবে ঢাকা বিভাগীয় আয়োজনটি হবে গোপালগঞ্জে। অন্য বিভাগগুলোর আয়োজন হবে নিজ নিজ সদরে। প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা হবে ২ ঘণ্টার। শিক্ষার্থীদের কম্পিউটারে ৫টি প্রশ্নের সমাধান করতে হবে। অনলাইন জাজিং পদ্ধতির মাধ্যমে ফল আসবে। প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা আঞ্চলিক ভেন্যুর ধারণ ক্ষমতার ওপর নির্ভর করবে। আইসিটি কুইজ প্রতিযোগিতায় জুনিয়র, সেকেন্ডারি ও হায়ার সেকেন্ডারি এ তিন ক্যাটাগরিতে ১ হাজার শিক্ষার্থী এমসিকিউ কুইজে অংশ নেবে। এতে ৩০ মিনিটে ৫০টি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। কুইজে অংশ নেয়া প্রত্যেকে সনদপত্র দেয়া হবে। এরপর প্রশ্নোত্তর ও সচেতনতামূলক অনুষ্ঠান থাকবে। এতে বইমেলাসহ নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন রয়েছে। কুইজ অনুষ্ঠানের সমাপনীতে প্রতি ক্যাটাগরিতে ৪০ জন করে ১২০ জন মেডেল ও সনদ পাবে। প্রোগ্রামিংয়ে প্রতি ভেন্যুতে ১০ থেকে ১২ জনকে মেডেল ও সনদ দেয়া হবে। আঞ্চলিক পর্যায়ে বিভাগগুলোতে আয়োজক বিশ্ববিদ্যালয় প্রোগ্রামিংয়ে বিজয়ীদের নিয়ে কর্মশালা করবে। আঞ্চলিক বিজয়ীদের নিয়ে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে একদিনের জাতীয় প্রতিযোগিতা। এতে যোগ দেবে ১২০ প্রোগ্রামার এবং ৮টি ভেন্যু থেকে কুইজে বিজয়ী ৯৬০ শিক্ষার্থী। জাতীয় পর্যায়ে কুইজে তিন ক্যাটাগরির সেরা তিনজন এবং প্রোগ্রামিংয়ে সেরা দুজনের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেয়া হবে। এরপর জাতীয় উৎসবে বাছাই করা ৪০ শিক্ষার্থীর জন্য আবাসিক প্রোগ্রামিং ক্যাম্প থাকছে। এই ক্যাম্প হবে চার দিনের। পাইলট এ প্রকল্পের সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৯২ লাখ টাকা।
-আইটি ডেস্ক
আইটি ও প্রযুক্তি পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close