jugantor
দেশের প্রথম বিপিও সামিট উদ্বোধন করলেন সজীব ওয়াজেদ জয়
২০২১ সালে তথ্যপ্রযুক্তিতে ২ লাখ কর্মসংস্থান এবং ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের আশাবাদ

   

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

২০২১ সালের মধ্যে বিপিও সেক্টর থেকে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করা, দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশী বিপিও সেক্টর সম্পর্কে একটি সম্যক ধারণা দেয়া, বাংলাদেশে বিপিও সেক্টরে সাফল্যের গল্পগুলো বিশ্ববাসীকে জানানো ও দেশের তরুণ সমাজের কাছে এ সেক্টরকে কাজের ক্ষেত্র হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের বিপিও খাতকে এগিয়ে নিতে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে বুধবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে শুরু হল প্রথম ‘বিপিও সামিট ২০১৫’। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্য) যৌথ উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী এ সামিট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বিপিও সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তিতে এগিয়ে নেয়ার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। বর্তমানে আউটসোর্সিং থেকে আয় ১০০ মিলিয়ন ডলার এবং কর্মসংস্থান ২৫ হাজার হলেও আগামী পাঁচ বছরে তা এক বিলিয়ন ডলার এবং দুই লাখ কর্মসংস্থার সৃষ্টির লক্ষ্য রয়েছে। তিনি জানান, ২০০৯ সালে দেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতের আয় ছিল মাত্র ২৬ মিলিয়ন ডলার। ৬ বছরের মধ্যে এ খাতে আয় ৩০০ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা আরও বলেন, বর্তমানে বিপিও সেক্টরে ২৫ হাজার লোক কাজ করছে। ২০২১ সালের মধ্যে এ খাতে ২ লাখ লোক কাজ করবে। বিপিও খাতে আয় যত বাড়বে দেশ অর্থনৈতিকভাবে ততই এগিয়ে যাবে। তরুণদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ দিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন খাতে কাজে লাগাতে হবে। তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে ক্যারিয়ার গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। দেশের প্রধান রফতানি পণ্য পোশাক খাতের চেয়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আয় কয়েকগুণ বেশি এবং ভবিষ্যতে পোশাক রফতানির চেয়ে আইটি পণ্য রফতানি বেশি হওয়া উচিত মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমি পরামর্শ দেব আজকের তরুণদের মা-বাবাদের যে, এখন শুধু ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবীর চেয়ে আইটির দিকেও একটু নজর দেয়া উচিত। এখানে শুধু জ্ঞানের বিষয় নয়, নিজের উদ্যোগেরও বিষয় আছে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিসেস অ্যালায়েন্সের (উইটসা) সভাপতি সান্তিয়াগো গুতিয়ারেজ বলেন, বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে অনেক ভালো করছে। বাংলাদেশের বিপিও খাতসহ তথ্যপ্রযুক্তির সার্বিক বিকাশে উইটসা সার্বিকভাবে সহযোগিতা করবে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ইমরান আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের সরকার আইসিটি খাতকে এগিয়ে নেয়ার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সভাপতির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। সেই লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তরুণদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। আগামী বছরের মধ্যে কয়েক হাজার প্রোগ্রামার তৈরি করা হবে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রযুক্তির আলো ছড়িয়ে দেয়ার জন্য ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, এফবিসিসিআইর সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ, বাক্যের সভাপতি আহমাদুল হক।

সম্মেলনে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খ্যাতনামা ৪০ জনেরও বেশি বক্তা বিভিন্ন সেশনে স্পিকার হিসেবে থাকবেন। স্পিকারদের মধ্যে রয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্টসের সিইও ফায়েজুল চৌধুরী, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ, অস্ট্রেলিয়ান বিপিও অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট মার্টিন এন কনবয়, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং এশিয়ান-ওশেনিয়ান কম্পিউটিং ইন্ডাস্ট্রি অর্গানাইজেশনের (অ্যাসোসিও) সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ এইচ কাফী, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের পলিসি অ্যাডভাইজার আনীর চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, ইনফোসিসের এমডি ও সিইও ড. বিশাল সিক্কা, তথ্য-প্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বার, বেসিস সভাপতি শামীম আহসান, মাইক্রোসফটের এমডি এবং টাই বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সোনিয়া বশির কবির, আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ও টেকনোলজি ব্যবসায় বিশেষজ্ঞ স্যানটিয়াগো গুটায়ারেজ, ডাটাবেইজ মার্কেটিং এবং কাস্টমার রিলেশন ম্যানেজমেন্ট সলিউশন বিশেষজ্ঞ রাজমোহন ভি, বিনোদ হ্যামপাপুর র‌্যাঙ্গাদোর, শ্রী দয়া খালসা। এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসায় খাতের সেক্টরের অনেক বিশেষজ্ঞও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। সম্মেলনের প্রথম দিন ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল অ্যান্ড অপারেশনাল রেডিনেস, এন্টারপ্রেইনারশিপ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ইন বিপিও ইন্ডাস্ট্রি, কানেক্টিং স্টার্টআপস বাংলাদেশ : নারচারিং দ্য ফিউচার, ফিউচার চ্যালেঞ্জেস অব আইসিটি ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন অব বিপিও ইন্ডাস্ট্রি, দ্য অপরচুনেটিজ অব আউটসোর্সিং ক্লায়েন্ট সার্ভিসেস ফ্রম আইটি পার্সপেক্টিভ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন বাংলাদেশ ইয়ুথ টু ড্রাইভ বিপিও ইন্ডাস্ট্রি, গ্লোবাল বিপিও ইন্ডাস্ট্রি বেস্ট প্রাক্টিসেস, দ্য অপরচুনেটিজ ইন দ্য ডোমেস্টিক মার্কেট ফর আউটসোর্সিং, অপরচুনেটিজ অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস ইন ব্যাংকিং আউটসোর্সিং, রাল অব হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশনস ফর বিপিও ইন্ডাস্ট্রি এবং কানেক্টিং উইথ আনট্যাপড স্কিলস : পলিটেকটিক, ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

-আইটি ডেস্ক



সাবমিট
দেশের প্রথম বিপিও সামিট উদ্বোধন করলেন সজীব ওয়াজেদ জয়

২০২১ সালে তথ্যপ্রযুক্তিতে ২ লাখ কর্মসংস্থান এবং ১ বিলিয়ন ডলার আয়ের আশাবাদ

  
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
২০২১ সালের মধ্যে বিপিও সেক্টর থেকে ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করা, দেশী-বিদেশী বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশী বিপিও সেক্টর সম্পর্কে একটি সম্যক ধারণা দেয়া, বাংলাদেশে বিপিও সেক্টরে সাফল্যের গল্পগুলো বিশ্ববাসীকে জানানো ও দেশের তরুণ সমাজের কাছে এ সেক্টরকে কাজের ক্ষেত্র হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেয়া এবং সর্বোপরি বাংলাদেশের বিপিও খাতকে এগিয়ে নিতে একটি সুস্পষ্ট পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়ে বুধবার রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে শুরু হল প্রথম ‘বিপিও সামিট ২০১৫’। সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কলসেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্য) যৌথ উদ্যোগে দুই দিনব্যাপী এ সামিট অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

বিপিও সামিটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, বাংলাদেশকে তথ্যপ্রযুক্তিতে এগিয়ে নেয়ার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। বর্তমানে আউটসোর্সিং থেকে আয় ১০০ মিলিয়ন ডলার এবং কর্মসংস্থান ২৫ হাজার হলেও আগামী পাঁচ বছরে তা এক বিলিয়ন ডলার এবং দুই লাখ কর্মসংস্থার সৃষ্টির লক্ষ্য রয়েছে। তিনি জানান, ২০০৯ সালে দেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতের আয় ছিল মাত্র ২৬ মিলিয়ন ডলার। ৬ বছরের মধ্যে এ খাতে আয় ৩০০ মিলিয়ন ডলারে উন্নীত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা আরও বলেন, বর্তমানে বিপিও সেক্টরে ২৫ হাজার লোক কাজ করছে। ২০২১ সালের মধ্যে এ খাতে ২ লাখ লোক কাজ করবে। বিপিও খাতে আয় যত বাড়বে দেশ অর্থনৈতিকভাবে ততই এগিয়ে যাবে। তরুণদের উচ্চতর প্রশিক্ষণ দিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন খাতে কাজে লাগাতে হবে। তরুণদের তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে ক্যারিয়ার গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি। দেশের প্রধান রফতানি পণ্য পোশাক খাতের চেয়ে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আয় কয়েকগুণ বেশি এবং ভবিষ্যতে পোশাক রফতানির চেয়ে আইটি পণ্য রফতানি বেশি হওয়া উচিত মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আমি পরামর্শ দেব আজকের তরুণদের মা-বাবাদের যে, এখন শুধু ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবীর চেয়ে আইটির দিকেও একটু নজর দেয়া উচিত। এখানে শুধু জ্ঞানের বিষয় নয়, নিজের উদ্যোগেরও বিষয় আছে।’

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিসেস অ্যালায়েন্সের (উইটসা) সভাপতি সান্তিয়াগো গুতিয়ারেজ বলেন, বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে অনেক ভালো করছে। বাংলাদেশের বিপিও খাতসহ তথ্যপ্রযুক্তির সার্বিক বিকাশে উইটসা সার্বিকভাবে সহযোগিতা করবে।

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ইমরান আহমেদ তার বক্তব্যে বলেন, আমাদের সরকার আইসিটি খাতকে এগিয়ে নেয়ার জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সভাপতির বক্তব্যে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২১ সালের মধ্যে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। সেই লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তরুণদের প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে। আগামী বছরের মধ্যে কয়েক হাজার প্রোগ্রামার তৈরি করা হবে। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মাঝে প্রযুক্তির আলো ছড়িয়ে দেয়ার জন্য ষষ্ঠ শ্রেণী থেকে কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শ্যাম সুন্দর সিকদার, এফবিসিসিআইর সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ, বাক্যের সভাপতি আহমাদুল হক।

সম্মেলনে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে খ্যাতনামা ৪০ জনেরও বেশি বক্তা বিভিন্ন সেশনে স্পিকার হিসেবে থাকবেন। স্পিকারদের মধ্যে রয়েছে তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অব অ্যাকাউন্টসের সিইও ফায়েজুল চৌধুরী, এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি আবদুল মাতলুব আহমাদ, অস্ট্রেলিয়ান বিপিও অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক প্রেসিডেন্ট মার্টিন এন কনবয়, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং এশিয়ান-ওশেনিয়ান কম্পিউটিং ইন্ডাস্ট্রি অর্গানাইজেশনের (অ্যাসোসিও) সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ এইচ কাফী, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের পলিসি অ্যাডভাইজার আনীর চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান, ইনফোসিসের এমডি ও সিইও ড. বিশাল সিক্কা, তথ্য-প্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বার, বেসিস সভাপতি শামীম আহসান, মাইক্রোসফটের এমডি এবং টাই বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সোনিয়া বশির কবির, আন্তর্জাতিক টেলিকমিউনিকেশন ও টেকনোলজি ব্যবসায় বিশেষজ্ঞ স্যানটিয়াগো গুটায়ারেজ, ডাটাবেইজ মার্কেটিং এবং কাস্টমার রিলেশন ম্যানেজমেন্ট সলিউশন বিশেষজ্ঞ রাজমোহন ভি, বিনোদ হ্যামপাপুর র‌্যাঙ্গাদোর, শ্রী দয়া খালসা। এছাড়া তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবসায় খাতের সেক্টরের অনেক বিশেষজ্ঞও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন। সম্মেলনের প্রথম দিন ইনফ্রাস্ট্রাকচারাল অ্যান্ড অপারেশনাল রেডিনেস, এন্টারপ্রেইনারশিপ অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট ইন বিপিও ইন্ডাস্ট্রি, কানেক্টিং স্টার্টআপস বাংলাদেশ : নারচারিং দ্য ফিউচার, ফিউচার চ্যালেঞ্জেস অব আইসিটি ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন অব বিপিও ইন্ডাস্ট্রি, দ্য অপরচুনেটিজ অব আউটসোর্সিং ক্লায়েন্ট সার্ভিসেস ফ্রম আইটি পার্সপেক্টিভ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের দ্বিতীয় দিন বাংলাদেশ ইয়ুথ টু ড্রাইভ বিপিও ইন্ডাস্ট্রি, গ্লোবাল বিপিও ইন্ডাস্ট্রি বেস্ট প্রাক্টিসেস, দ্য অপরচুনেটিজ ইন দ্য ডোমেস্টিক মার্কেট ফর আউটসোর্সিং, অপরচুনেটিজ অ্যান্ড চ্যালেঞ্জেস ইন ব্যাংকিং আউটসোর্সিং, রাল অব হায়ার এডুকেশন ইনস্টিটিউশনস ফর বিপিও ইন্ডাস্ট্রি এবং কানেক্টিং উইথ আনট্যাপড স্কিলস : পলিটেকটিক, ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

-আইটি ডেস্ক



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র