jugantor
আগামী ফেব্রুয়ারিতে এমএনপির নিলাম

   

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

১১ ডিজিটের নম্বর অপরিবর্তিত রেখে মোবাইল অপারেটর পরিবর্তনের (এমএনপি) প্রযুক্তি চালু করতে আগামী ফেব্র“য়ারিতে উন্মুক্ত নিলামের আয়োজন করবে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন। সরকার এমএনপি নিলামের নীতিমালা অনুমোদনের পর টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন প্রাথমিকভাবে এ সময় নির্ধারণ করেছে। জানা গেছে, মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত অনুমোদনের কপি কমিশনে আসে। বিটিআরসির সচিব মো. সারওয়ার আলম সাংবাদিকদের জানান, কয়েকদিনের মধ্যে নীতিমালার গেজেট প্রকাশ করা হবে। এরপর নিলামের প্রস্তুতি শুরু করবে কমিশন। অপর এক কর্মকর্তা জানান, সব মিলে নিলামের আয়োজন করতে ফেব্রুয়ারি লেগে যাবে। তবে নিলামে বিজয়ী কোম্পানির সেবা চালু করতে এরপর আরও কিছুদিন সময় লাগবে। নীতিমালা অনুসারে গ্রাহক ৩০ টাকা খরচ করে এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে যেতে পারবেন। তবে একবার অপারেটর বদল করলে আরেকবার এ সুযোগ পেতে গ্রাহককে ৪০ দিন অপেক্ষা করতে হবে। এ সময় পর চাইলে তিনি আবারও নতুন অপারেটরে যেতে পারবেন বা আগের অপারেটরে ফিরে আসতে পারবেন। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও পাকিস্তান ছাড়াও বিশ্বের ৭২টি দেশে বর্তমানে এমএনপি সুবিধা চালু রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সেবাটি চালু হলে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা অনেক বাড়বে এবং সেবার মান বাড়বে। এতে গ্রাহক লাভবান হবেন। টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তারানা হালিম দায়িত্ব নেয়ার পরই তিনি এ সেবা চালুর বিষয়ে গুরুত্ব দেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, এতে মোবাইল অপারেটরগুলোর মধ্যে উন্নতমানের সেবা দেয়ার প্রতিযোগিতা তৈরি হবে। আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের টেলিযোগাযোগ খাত বিকশিত হচ্ছে। তাই এখানকার সেবাও বিশ্বমানের হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। বর্তমানে গুণগত সেবা পেতে অনেক ক্ষেত্রেই গ্রাহক একাধিক সিম ব্যবহার করেন। গত সেপ্টেম্বরে এমএনপি নীতিমালায় অনুমোদন দেয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এরপর অক্টোবরে এমএনপি ফাইলটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। বিটিআরসি সূত্র জানিয়েছে, উন্মুক্ত দরপত্রে দেশী-বিদেশী যে কোনো প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে। তবে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান মোবাইল ফোন অপারেটরদের জন্য নিষেধ থাকবে। তাছাড়া শতভাগ বিদেশী মালিকানার কোনো কোম্পানিও এতে অংশ নিতে পারবে না। এর আগে নম্বর না বদলে গ্রাহকদের অন্য অপারেটরে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে ২০১৩ সালের জুনে মোবাইল ফোন অপারেটরদের নির্দেশ দেয় বিটিআরসি। কিন্তু অপারেটরগুলো নানা গড়িমসি করে তা আর করেনি। সংস্থাটি জানায়, অপারেটরদের টু-জি লাইসেন্স নবায়নের সময় গাইডলাইনে অপারেটররা মিলে এমএনপি চালু করবে বলে লেখা ছিল। কিন্তু সেটিও বাস্তবতা পায়নি। ফলে বহুল কাক্সিক্ষত সেবাটি গ্রাহকদের অপেক্ষাই বাড়িয়েছে শুধু।

-জামান আশরাফ



সাবমিট

আগামী ফেব্রুয়ারিতে এমএনপির নিলাম

  
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
১১ ডিজিটের নম্বর অপরিবর্তিত রেখে মোবাইল অপারেটর পরিবর্তনের (এমএনপি) প্রযুক্তি চালু করতে আগামী ফেব্র“য়ারিতে উন্মুক্ত নিলামের আয়োজন করবে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন। সরকার এমএনপি নিলামের নীতিমালা অনুমোদনের পর টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন প্রাথমিকভাবে এ সময় নির্ধারণ করেছে। জানা গেছে, মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত অনুমোদনের কপি কমিশনে আসে। বিটিআরসির সচিব মো. সারওয়ার আলম সাংবাদিকদের জানান, কয়েকদিনের মধ্যে নীতিমালার গেজেট প্রকাশ করা হবে। এরপর নিলামের প্রস্তুতি শুরু করবে কমিশন। অপর এক কর্মকর্তা জানান, সব মিলে নিলামের আয়োজন করতে ফেব্রুয়ারি লেগে যাবে। তবে নিলামে বিজয়ী কোম্পানির সেবা চালু করতে এরপর আরও কিছুদিন সময় লাগবে। নীতিমালা অনুসারে গ্রাহক ৩০ টাকা খরচ করে এক অপারেটর থেকে অন্য অপারেটরে যেতে পারবেন। তবে একবার অপারেটর বদল করলে আরেকবার এ সুযোগ পেতে গ্রাহককে ৪০ দিন অপেক্ষা করতে হবে। এ সময় পর চাইলে তিনি আবারও নতুন অপারেটরে যেতে পারবেন বা আগের অপারেটরে ফিরে আসতে পারবেন। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারত ও পাকিস্তান ছাড়াও বিশ্বের ৭২টি দেশে বর্তমানে এমএনপি সুবিধা চালু রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সেবাটি চালু হলে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা অনেক বাড়বে এবং সেবার মান বাড়বে। এতে গ্রাহক লাভবান হবেন। টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী হিসেবে তারানা হালিম দায়িত্ব নেয়ার পরই তিনি এ সেবা চালুর বিষয়ে গুরুত্ব দেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, এতে মোবাইল অপারেটরগুলোর মধ্যে উন্নতমানের সেবা দেয়ার প্রতিযোগিতা তৈরি হবে। আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশের টেলিযোগাযোগ খাত বিকশিত হচ্ছে। তাই এখানকার সেবাও বিশ্বমানের হওয়া প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। বর্তমানে গুণগত সেবা পেতে অনেক ক্ষেত্রেই গ্রাহক একাধিক সিম ব্যবহার করেন। গত সেপ্টেম্বরে এমএনপি নীতিমালায় অনুমোদন দেয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়। এরপর অক্টোবরে এমএনপি ফাইলটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়। বিটিআরসি সূত্র জানিয়েছে, উন্মুক্ত দরপত্রে দেশী-বিদেশী যে কোনো প্রতিষ্ঠান অংশ নিতে পারবে। তবে অংশ নেয়ার ক্ষেত্রে বিদ্যমান মোবাইল ফোন অপারেটরদের জন্য নিষেধ থাকবে। তাছাড়া শতভাগ বিদেশী মালিকানার কোনো কোম্পানিও এতে অংশ নিতে পারবে না। এর আগে নম্বর না বদলে গ্রাহকদের অন্য অপারেটরে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে ২০১৩ সালের জুনে মোবাইল ফোন অপারেটরদের নির্দেশ দেয় বিটিআরসি। কিন্তু অপারেটরগুলো নানা গড়িমসি করে তা আর করেনি। সংস্থাটি জানায়, অপারেটরদের টু-জি লাইসেন্স নবায়নের সময় গাইডলাইনে অপারেটররা মিলে এমএনপি চালু করবে বলে লেখা ছিল। কিন্তু সেটিও বাস্তবতা পায়নি। ফলে বহুল কাক্সিক্ষত সেবাটি গ্রাহকদের অপেক্ষাই বাড়িয়েছে শুধু।

-জামান আশরাফ



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র