¦

এইমাত্র পাওয়া

  • হালনাগাদ ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ; নতুন ভোটার ৪৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৭ জন
নতুন বছরে সরকার-জনগণের দূরত্ব ঘোচাবে ই-ফাইলিং

| প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০১৬

লাল ফিতায় বাঁধা সরকারি ফাইলের দিন শেষ হচ্ছে। সরকারি অফিসে গতি-স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণকে সেবা প্রদান ও কাগজের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব অফিস সৃষ্টির লক্ষ্যে ই-ফাইলিং সিস্টেমের যাত্রা শুরু করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ। ই-ফাইলিং সরকার ও জনগণের দূরত্ব কমিয়ে জবাবদিহিতার সুযোগ বাড়াবে বলে উল্লেখ করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। এতে সরকারের দক্ষতা শতভাগ বেড়ে যাবে বলেও আশা তার। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এটুআই প্রোগ্রামের আওতায় ই-ফাইলিং-বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধন শেষে তিনি এসব কথা বলেন। তিন দিনব্যাপী কোর্সটি বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) শেষ হয়েছে। ইনু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাওয়ার সূত্র ধরেই আজ ই-ফাইলিং উদ্যোগ। জনগণ ও সরকারের সার্বক্ষণিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করবে এটি। ফাইলের স্তূপ নিয়ে আর ঘোরা লাগবে না। সরকারের সঙ্গে সাধারণ জনগণের দূরত্বও কমাবে এটি। এটি যেন একটি স্বচ্ছ কাচের ঘর। যেখানে সরকার, জনগণসহ সব থাকবে। সরকারের দক্ষতা শতভাগ বাড়বে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ই-ফাইলিং ব্যবস্থায় বিদ্যুৎ, নিরবচ্ছিন্ন ইন্টারনেট সংযোগ, ব্যাকআপ বা সংরক্ষণের ব্যবস্থা লাগবে, যাতে কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য না হারায়। প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, এটি এখন ক্ষেত্রবিশেষের বিজ্ঞান নয়, সর্বজনীন বিজ্ঞানে পরিণত হয়েছে। সারা বিশ্বের যে কোনো দেশের সঙ্গে কাজ চালানো যায় এ সুবিধা নিয়ে। ভয়ের কোনো কারণ নেই। নথিভুক্ত করা, নথি ট্রান্সফার করা- এসব শিখবেন প্রথমে। কৃষি ও শিল্প বিপ্লবের পর এখন চলছে তথ্য বিপ্লব। কম্পিউটার মাউসের এক টোকার অনেক ক্ষমতা এখন। আজ আপনারা প্রশিক্ষণ নেবেন, তিন বছর পর সাধারণ জনগণও অনলাইনে সেবা নিতে শিখবে। তিনি বলেন, বড় নথি কীভাবে ব্যবস্থাপনা করবেন, সেটি শিখবেন। এর পরের প্রজন্ম আসবে ইন্টারনেট ও কম্পিউটারে দক্ষতা নিয়ে। লজ্জা না পেয়ে শিখুন, না বুঝলে প্রশ্ন করুন। আপনারা প্রশিক্ষিত হলে সবাই লাভবান হবে। ই-ফাইলিং সরকারকে জনগণের জবাবদিহিতার আরও কাছে নিয়ে আসবে বলেও জানান তথ্যমন্ত্রী। এর আগে ২০১৫ সালের ১০ মার্চ রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিসিসি ভবনে আইসিটি বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক একটি ই-ফাইল নিষ্পত্তির মাধ্যমে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। এ প্রসঙ্গে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, সরকারি অফিসে গতি, স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণকে সেবা প্রদান এবং কাগজের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব অফিস সৃষ্টির লক্ষ্যে বিভাগের ই-ফাইলিং সিস্টেমের যাত্রা শুরু হয়েছে। ই-ফাইলিং মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হবে সরকারি সব অফিসেই। তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্য ছিল জনগণ সেবার পেছনে ছুটবে না বরং সেবাই পৌঁছে যাবে জনগণের কাছে। এ প্রত্যয় সামনে রেখে সরকারের বিরামহীন প্রয়াসের অংশ হিসেবে এ কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়। এরই মধ্যে জেলা পর্যায়সমূহে ই-ফাইলিং কার্যক্রম বাস্তবায়ন হয়েছে। জুনাইদ বলেন, সরকারি অফিসে গতি-স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণকে সেবা প্রদান এবং কাগজের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব অফিস সৃষ্টির জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ই-ফাইলিং সিস্টেমের কার্যক্রম শুরু করল। দাফতরিক কাজে লাল ফিতার দৌরাত্ম্য কমাতেই এ উদ্যোগ, বলেন তিনি। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন সংস্থাগুলোতে একযোগে ই-ফাইলিংয়ের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে প্রতিমন্ত্রী জানান। স্বল্প সময়ের মধ্যে সব মন্ত্রণালয়ে ই-ফাইলিং কার্যক্রম শুরু হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ৫০টির বেশি মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ক পাসওয়ার্ড দেয়া হয়েছে। সব সাইট বাংলায় করা হয়েছে এবং বিশ্বের যে কোনো জায়গা থেকে এ কার্যক্রম চালানো যাবে।
-এম. মিজানুর রহমান সোহেল
আইটি ও প্রযুক্তি পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close