jugantor
লাল-সবুজের পতাকার খণ্ডকালীন ব্যবসা
লাল-সবুজের পতাকা দুলছে বাড়ির ছাদে, বারান্দায়, গাড়িতে, রিকশায় এমনকি সাইকেলের সামনে। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে চলছে জাতীয় পতাকা বিক্রির ধুম। ডিসেম্বরের শুরু থেকে পতাকা বিক্রির উৎসব শুরু হয়। চলে বিজয় দিবস পর্যন্ত। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পতাকা বিক্রি করছেন একশ্রেণীর মৌসুমি বিক্রেতা। আর তাই আপনিও এই বিজয়ের মাসে পতাকা বিক্রির খণ্ডকালিন ব্যবসা করতে পারেন।

   

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

এই ব্যবসায় যারা আসবেন

মূলত ডিসেম্বর বা মার্চ মাসে শিক্ষার্থীসহ যে কোনো পেশার লোক পতাকা বিক্রির ব্যবসা শুরু করতে পারেন। হাবিবউল্লাহ খণ্ডকালিন পতাকা ব্যবসায়ী, তার সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, বন্ধুরা মিলে তিন বছর ধরে ডিসেম্বর মাসে এলাকায় পতাকার দোকান দিয়ে আসছেন। অল্প কিছু টাকা বিনিয়োগ করে মোটামোটি ভালো টাকা আয় হয় তাদের। তাই বিজয়ের মাস ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে তারা পতাকার দোকান দিয়ে বসছেন বলে জানিয়েছেন হাবিবউল্লাহ।

পাইকারি পতাকার দোকান কোথায় পাবেন

যদি পতাকার ব্যবসা করতে চান তাহলে চলে যেতে পারেন ঢাকার পল্টনে, বাংলাবাজার, সদরঘাট ও চকবাজারে পাইকারি কাপড়ের ও কাগজের পতাকার দোকানগুলোতে। পুরান ঢাকার সদরঘাট এলাকার ফুটপাতে সেলাই মেসিন নিয়ে বসা আক্তার হোসেন বলেন, বিভিন্ন মানের কাপড় দিয়ে পতাকা বানিয়ে পাইকারি বিক্রি করে থাকি। সে অনুযায়ী বড় থেকে ছোট পতাকা বিভিন্ন দামের হয়ে থাকে। তাছাড়াও পল্টন কাগজের ছোট পতাকার পাইকারি দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হাজার বা ৫শ’ এই পরিমাণে পতাকা বিক্রি হয়।

পুঁজি কেমন লাগে ও কত আয় করা যায়

খুব অল্প পুঁজি দিয়েই বিজয় দিবস মৌসুমে পতাকার ব্যবসা করা যায়। ঢাকার বাংলাবাজার ও পল্টনের পাইকারি কাগজের পতাকার দোকানগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, ১ হাজার কাগজের পতাকার পাইকারি মূল্য ৫০-৬০ টাকা। সে ক্ষেত্রে আপনি আপনার লাভ রেখে বিক্রি করতে পারেন বাজারদর ও মানুষের চাহিদার কথা মাথায় রেখে। আর কাপড়ের পতাকার পাইকারি দোকান ঢাকার বঙ্গ মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, আকার ভেদে নানা দামে বিক্রি হচ্ছে পতাকা।

কোথায় দোকান দেবেন ও সাজসজ্জা কেমন হবে

রাস্তার পাশে বা নিজ নিজ এলাকার মোড়ে দোকান দিয়ে বসতে পারেন, তাছাড়াও বাজারকেন্দ্রিক রাস্তায়, শপিংমলে বা বিভিন্ন নিজ মালিকানা গিফট শপে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। যেখানেই দোকান দিয়ে বসুন না কেন, দোকানের সাজসজ্জা হতে হবে সুন্দর। দোকানে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করতে পারেন তাতে ক্রেতা আকৃষ্ট বেশি হবে।


 

সাবমিট

লাল-সবুজের পতাকার খণ্ডকালীন ব্যবসা

লাল-সবুজের পতাকা দুলছে বাড়ির ছাদে, বারান্দায়, গাড়িতে, রিকশায় এমনকি সাইকেলের সামনে। ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে চলছে জাতীয় পতাকা বিক্রির ধুম। ডিসেম্বরের শুরু থেকে পতাকা বিক্রির উৎসব শুরু হয়। চলে বিজয় দিবস পর্যন্ত। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত পতাকা বিক্রি করছেন একশ্রেণীর মৌসুমি বিক্রেতা। আর তাই আপনিও এই বিজয়ের মাসে পতাকা বিক্রির খণ্ডকালিন ব্যবসা করতে পারেন।
  
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 

এই ব্যবসায় যারা আসবেন

মূলত ডিসেম্বর বা মার্চ মাসে শিক্ষার্থীসহ যে কোনো পেশার লোক পতাকা বিক্রির ব্যবসা শুরু করতে পারেন। হাবিবউল্লাহ খণ্ডকালিন পতাকা ব্যবসায়ী, তার সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, বন্ধুরা মিলে তিন বছর ধরে ডিসেম্বর মাসে এলাকায় পতাকার দোকান দিয়ে আসছেন। অল্প কিছু টাকা বিনিয়োগ করে মোটামোটি ভালো টাকা আয় হয় তাদের। তাই বিজয়ের মাস ডিসেম্বরকে কেন্দ্র করে তারা পতাকার দোকান দিয়ে বসছেন বলে জানিয়েছেন হাবিবউল্লাহ।

পাইকারি পতাকার দোকান কোথায় পাবেন

যদি পতাকার ব্যবসা করতে চান তাহলে চলে যেতে পারেন ঢাকার পল্টনে, বাংলাবাজার, সদরঘাট ও চকবাজারে পাইকারি কাপড়ের ও কাগজের পতাকার দোকানগুলোতে। পুরান ঢাকার সদরঘাট এলাকার ফুটপাতে সেলাই মেসিন নিয়ে বসা আক্তার হোসেন বলেন, বিভিন্ন মানের কাপড় দিয়ে পতাকা বানিয়ে পাইকারি বিক্রি করে থাকি। সে অনুযায়ী বড় থেকে ছোট পতাকা বিভিন্ন দামের হয়ে থাকে। তাছাড়াও পল্টন কাগজের ছোট পতাকার পাইকারি দোকানে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, হাজার বা ৫শ’ এই পরিমাণে পতাকা বিক্রি হয়।

পুঁজি কেমন লাগে ও কত আয় করা যায়

খুব অল্প পুঁজি দিয়েই বিজয় দিবস মৌসুমে পতাকার ব্যবসা করা যায়। ঢাকার বাংলাবাজার ও পল্টনের পাইকারি কাগজের পতাকার দোকানগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, ১ হাজার কাগজের পতাকার পাইকারি মূল্য ৫০-৬০ টাকা। সে ক্ষেত্রে আপনি আপনার লাভ রেখে বিক্রি করতে পারেন বাজারদর ও মানুষের চাহিদার কথা মাথায় রেখে। আর কাপড়ের পতাকার পাইকারি দোকান ঢাকার বঙ্গ মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে, আকার ভেদে নানা দামে বিক্রি হচ্ছে পতাকা।

কোথায় দোকান দেবেন ও সাজসজ্জা কেমন হবে

রাস্তার পাশে বা নিজ নিজ এলাকার মোড়ে দোকান দিয়ে বসতে পারেন, তাছাড়াও বাজারকেন্দ্রিক রাস্তায়, শপিংমলে বা বিভিন্ন নিজ মালিকানা গিফট শপে ব্যবসা শুরু করতে পারেন। যেখানেই দোকান দিয়ে বসুন না কেন, দোকানের সাজসজ্জা হতে হবে সুন্দর। দোকানে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করতে পারেন তাতে ক্রেতা আকৃষ্ট বেশি হবে।


 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র