¦
পুলিশকে অস্ত্র দেয়া হয়েছে পকেটে রাখার জন্য নয়

যুগান্তর রিপোর্ট | প্রকাশ : ১৬ এপ্রিল ২০১৫

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, যত বাধা এবং চাপ আসুক, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হবেই। বিচারের রায়ও কার্যকর হবে। তিনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করতে সবার সহযোগিতা কামনা করেছেন। একই সঙ্গে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও পেট্রলবোমা নিক্ষেপকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা প্রসঙ্গে যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন হচ্ছে বলে সমালোচনা করছেন, তাদের বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বুধবার বিভিন্ন সংবাদপত্র ও টিভি চ্যানেলের সিনিয়র সাংবাদিক এবং উপস্থাপকদের সঙ্গে মতবিনিময়ের প্রারম্ভিক বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বর্ষবরণ উপলক্ষে গণভবনের ব্যাংকুয়েট হলে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়।
একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধীদের সাজা কার্যকর করতে গিয়ে ‘বড় বড়’ জায়গা থেকে বাধা পাওয়ার কথাও তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো বাধায়ই কাজ হবে না। নির্যাতিত, ক্ষতিগ্রস্তের কথা না ভেবে যারা তাদের ওপর মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে তাদের মানবাধিকার নিয়েই ‘সবাই সোচ্চার’- এমন মন্তব্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা রায় কার্যকর করতে শুরু করেছি। আপনারা দেখেছেন, এ বিচারের রায় কার্যকর করতে গিয়ে কত উঁচু জায়গার টেলিফোন, ফাঁসি যেন দেয়া না হয় সেই অনুরোধ পর্যন্ত করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে তাদের মানবাধিকারও রক্ষা করতে হবে? আমরা একটা বিষয় অনেক সময় দেখি যারা মারা গেল, ক্ষতিগ্রস্ত হল তাদের কথা চিন্তা করি না। যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে, মানুষের ক্ষতি করছে, মানুষকে পুড়িয়ে মারছে, সেসব মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীকে নিয়ে অনেকে বেশি সোচ্চার। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে গিয়েও আমাদের বারবার এ প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। একটা অদ্ভুত বিষয় দেখি, অপরাধীদের জন্য সবার মায়াকান্না। কিন্তু যে নিরপরাধ লোকগুলো মারা গেল তাদের জন্য অত কষ্ট নেই। যারা জীবন দিল, আর তাদের যারা আপনজন বেঁচে আছে, তাদের যন্ত্রণা-কষ্ট ও অন্ধকার ভবিষ্যৎ অনেকে বুঝতে চায় না।
আর ফাঁসির বিষয়ে যে এত কথা বলা হয়, ফাঁসি কি বিশ্বে হচ্ছে না? ফাঁসি কি হয়নি? ঈদের দিনে সাদ্দাম হোসেনকে ফাঁসি দেয়া হল। যারা ফাঁসি নিয়ে এত কথা বলেন, তারাই সাদ্দামের ফাঁসিতে হাততালি দিয়েছে, খুশি হয়েছে। সাদ্দাম যে অপরাধ করেছে, ওই পাকিস্তানি হানাদার ও তাদের দোসররা কি একই অপরাধ করেনি? বরং তার (সাদ্দাম) চেয়ে জঘন্য অপরাধ তারা করেছে। তাহলে কি এদেশের মানুষের জীবনের কোনো মূল্য নেই? এদেশের মানুষের কোনো অধিকার নেই বিচার চাওয়ার?
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এভাবে আমরা অনেক উদাহরণ দিতে পারি। গাদ্দাফিকে গুলি করে মেরে ফেলা হল। লাদেনকে গুলি করে মেরে কোথায় ফেলল তার লাশটাও পাওয়া গেল না। তারা অপরাধ করলে তাদের শাস্তি দেয়া হলে সেটা ঠিক। আর একই ধরনের অপরাধ করলে আমরা তাদের শাস্তি দিলে সেটা মানবাধিকারের লঙ্ঘন হবে কেন?
তিনি বলেন, আমি বুঝি না, যারা দেশের মানুষকে হত্যা করেছে তাদের জন্য বিবেকে এত নাড়া দেয় কেন? অপরাধী অপরাধীই। সেটা যে দেশের মানুষই হোক। একজন মানুষকে মেরে যদি ৫০ জন মানুষকে বাঁচানো যায়, তবে সেটাই ভালো। কোনটা সঠিক হবে- একজন অপরাধীকে বাঁচানো, নাকি ৫০ জন মানুষকে বাঁচানো? বঙ্গবন্ধু কন্যা বলেন, আমরা এখনও দেখি যে মানুষগুলোকে পোড়ানো হল, যারা পোড়া ঘায়ের যন্ত্রণা নিয়ে বেঁচে আছেন, তাদের নিয়ে যত না চিন্তা, তার চেয়ে অনেক বেশি কান্না পোড়াতে যাওয়া সেসব অপরাধীর জন্য। যখন তারা মারা যাচ্ছে, তখন বলছে ক্রসফায়ারে মানুষ মারা গেছে। আসলে তো ক্রসফায়ারে মারা যাচ্ছে না। যখন কেউ অপরাধ করতে যায়, পুলিশের অধিকার আছে সেসব অপরাধীর কাছ থেকে সাধারণ মানুষের জানমাল বাঁচানো। সেটা বাঁচানোর জন্য যা যা করা দরকার সেটা করতে হবে। আমরা বাধ্য হয়েছি পুলিশকে সেই নির্দেশ দিতে। পুলিশকে অস্ত্র দেয়া হয়েছে পকেটে রেখে দেয়ার জন্য নয়, অপরাধীকে দমনের জন্য। অপরাধীকে দমন করতেই হবে। মানুষকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারছে, বাসে আগুন দিচ্ছে, রেলে আগুন দিচ্ছে, ফিসপ্লেট তুলে ফেলছে, বোমা মেরে মানুষ হত্যা করছে। আর সবাই দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে এসব দেখবে? তাদের কিছু বলা যাবে না? কিছু করলেই মানবাধিকার লঙ্ঘন হবে?
আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের কথা বলা হচ্ছে। কোপেনহেগেনে কি হল? ফ্রান্সে? বেলজিয়ামে? ইউরোপে? আমেরিকায়? একটা ছেলে ১৬ বছর বয়সে পকেটে হাত দিল বলে গুলি করে মারা হল। একটা খেলনা পিস্তল নিয়ে বের হয়েছে সে অপরাধে গুলি করে মারা হল। সেক্ষেত্রে অপরাধ নয়? খালি আমাদের দেশে অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলে সেটা অপরাধ হয়ে যায়?
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবাধিকার সংগঠন ধোঁকাবাজি করা সংগঠন। যখন দেশের মানুষদের পুড়িয়ে মারা হয়, তখন তাদের মানবাধিকার লঙ্ঘন হয় না, কিন্তু যখন ওই অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়, তখন নাকি মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়। আসলে এসব সংগঠনগুলোর অভ্যাস হল বাংলাদেশে কোনো ঘটনা ঘটলে লাফ দিয়ে পড়া।
তিনি উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, আপনারা সমালোচনা করুন, সরকারের ভুল ধরুন, কিন্তু স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে যাতে অস্ত্র না যায়, সেটা খেয়াল রাখুন। তারা যেন কথার খোরাক না পায়, সেটুকু সহযোগিতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের হাতে চলতি মেয়াদে ৩ বছর ৯ মাস সময় আছে। সময় খুব অল্প কিন্তু আমাদের অনেক কাজ বাকি। পরবর্তী নির্বাচনের আগে অনেক উন্নয়ন করতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসর্ম্পূণ। বর্তমান সরকার কৃষির ওপর জোর দিয়েছে। ঋণের ব্যবস্থা করেছি কৃষকদের জন্য। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে কৃষিতে বিপ্লব ঘটছে। কিন্তু বিএনপির আমলে কৃষকরা খুব দরিদ্র অবস্থায় থাকত। কারণ তখন ভিক্ষুকের সর্দার ক্ষমতায় ছিল। বিদেশ থেকে সাহায্য আনার জন্য কৃষিকে অন্ধকারে রেখেছিল। আমরা এখন মাথা উঁচু করে গর্বের সঙ্গে বলতে পারি, আমরা বিদেশ থেকে সাহায্য নেই না; বরং আমরা এখন চাল রফতানি করছি।
প্রধানমন্ত্রী আবারও দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানান। তিনি জানান, বর্ষবরণ উৎসবে যাতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, প্রত্যেক নাগরিকের নিরাপত্তার সেই বিষয়টি তিনি নিজে তদারকি করেছেন।
প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার তথ্য উপদেষ্টা, ডেইলি অবজারভার সম্পাদক ইকবাল সোবহান চৌধুরীর সঞ্চালনায় এ সময় প্রধানমন্ত্রীর পাশে মঞ্চে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. আআমস আরেফিন সিদ্দিক, বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক ড. শামসুজ্জামান খান, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, সমকাল সম্পাদক গোলাম সারওয়ার এবং তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। মতবিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী, মানবাধিকার কর্মী অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল, দলের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক সাবেক মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ, প্রবীণ সাংবাদিক আবেদ খান, দৈনিক যুগান্তরের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সাইফুল আলম, সকালের খবরের সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন মঞ্জু, ইতিহাসবিদ ও লেখক অধ্যাপক ড. মুনতাসীর মামুন, নাট্য ব্যক্তিত্ব মামুনূর রশিদ, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন (বিএফইউজে) সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, মহাসচিব আবদুল জলিল ভূঁইয়া, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি শামীম চৌধুরী, পিআইবির মহাপরিচালক শাহ আলমগীর, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) সভাপতি আলতাফ মাহমুদ, বাসসের প্রধান সম্পাদক ও এমডি আবুল কালাম আজাদ, সিনিয়র সাংবাদিক শফিকুর রহমান, হারুন হাবীব, শাহজাহান মিয়া, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, বিশিষ্ট পরিবেশবিদ অধ্যাপক ড. আইনুন নিশাত, মানবাধিকার কর্মী অধ্যাপক ড. মেজবাহ কামাল, বিশিষ্ট কলামিস্ট আবুল মকসুদ, শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক ড. নাজমূল আহসান কলিমুল্লাহ, অধ্যাপক ড. এমএম আকাশ, অর্থনীতিবিদ খোন্দকার ইব্রাহীম খালেদ, যমুনা টিভির পরিচালক বার্তা জ.ই. মামুন, চ্যানেল ৭১-এর বার্তা প্রধান ইশতিয়াক রেজা, সময় টিভির পরিচালক বার্তা আহমেদ জুবায়ের, এটিএন নিউজের প্রভাষ আমীন, নাট্যব্যক্তিত্ব পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, অভিনেত্রী শমী কায়সার, গবেষক সাব্বির বিন শামস প্রমুখ।
প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের পর সাংবাদিক মনজুরুল আহসান বুলবুল, রেজওয়ানুল হক, ড. আনোয়ার হোসেন, শমী কায়সার, ডা. নুজহাত চৌধুরীসহ ৯ জন তাদের মতামত তুলে ধরেন। তারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে আদর্শিক যুদ্ধ অভিহিত করে তা দ্রুত শেষ করার অনুরোধ জানান। প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন। এছাড়া নুজহাত চৌধুরী সঠিক ইতিহাস প্রণয়নে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বর্ষবরণে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ : এর আগে মঙ্গলবার সকালে নতুন বছরের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ দলীয় নেতাকর্মী ও বিভিন্ন পর্যায়ের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে গণভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলা নববর্ষকে শুভ হিসাবে বরণ করে নিয়ে দেশের মানুষের একটি বছর যেন সুন্দরভাবে কাটে সে কামনা করেন। দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন বছর শান্তি বয়ে নিয়ে আসবে। আগামীতে মানুষকে যেন আগুনে পুড়ে মরতে না হয়, মানুষ যেন সুখে-শান্তিতে থাকে সেটাই প্রত্যাশা করি।
পুরো বছরটা যেন সুন্দরভাবে কাটে এই কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবাই শান্তিতে থাকুক, সুখে থাকুক, সবার আশা-আকাক্সক্ষা পূরণ হোক এই কামনা করি। আর্থ-সামাজিকভাবে বাংলাদেশ এগিয়ে যাক, দেশবাসীর উন্নতি হোক। তিনি বলেন, অনেক ঝড়-ঝাপটা গেছে। বিশেষ করে ৫ জানুয়ারির পর থেকে ৯০ দিনের বেশি সময় ধরে দেশের মানুষ ভালো সময় কাটায়নি। মানুষ পোড়ানো, রেলে-বাসে আগুন দিয়ে মানুষ হত্যা করা হয়েছে। জীবন্ত মানুষকে পুড়িয়ে মারা হয়েছে। এটা কোন ধরনের রাজনীতি সেটা আমার বোধগম্য নয়।
এ অনুষ্ঠানে দলের সিনিয়র নেতা আমির হোসেন আমু, তোফায়েল আহমেদ, এইচটি ইমাম, সাহারা খাতুন, মাহবুবউল আলম হানিফ, ডা. দীপু মনি, জাহাঙ্গীর কবীর নানক, ড. হাছান মাহমুদ, কর্নেল (অব.) ফারুক খান, আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ নেতা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ষবরণ : এদিকে মঙ্গলবার সকালে বর্ণাঢ্য র‌্যালির মাধ্যমে নতুন বছরকে বরণ করে নেয় ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ। এ উপলক্ষে আয়োজিত র‌্যালিটি রাজধানীর বাহাদুর শাহ পার্ক থেকে শুরু হয়ে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।
এতে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের শ্রমবিষয়ক সম্পাদক হাবিবুর রহমান সিরাজ, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীরবিক্রম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, আওলাদ হোসেন, প্রচার সম্পাদক আবদুল হক সবুজ, দফতর সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিলনসহ ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা।
 

শেষ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close