¦
চির নূতনের দিল ডাক পঁচিশে বৈশাখ

রফিকুল ইসলাম রতন | প্রকাশ : ০৮ মে ২০১৫

চির নূতনেরে দিল ডাক পঁচিশে বৈশাখ। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৪তম জন্মজয়ন্তী আজ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আধুনিক বাঙালির মননে ও সৃজনে জ্যোতির্ময় এক প্রতীক। বাঙালির প্রাণের মানুষ তিনি। কবিগুরু প্রায় একক প্রচেষ্টায় বাংলা সাহিত্যকে আধুনিকতায় উজ্জ্বল করে তুলেছিলেন। বিশ্বসাহিত্য আসরে তিনি মাতৃভাষাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করে বাংলা ও বাঙালিকে অনন্য এক মর্যাদার আসনে বসিয়েছেন। এ কারণেই প্রবল অনুরাগ ও আকুণ্ঠ শ্রদ্ধার আসনে প্রতিটি বাঙালির প্রাণে তার অধিষ্ঠান। সুখে ও সংগ্রামে, বেদনা ও উচ্ছ্বাসে, প্রেম ও প্রকৃতিতে তার ছিল অবাধ বিচরণ। কোথায় নেই তিনি। কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, গীতিকার, সুরকার, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজসংস্কারক হিসেবে দেশ ও জাতিকে উজাড় করে দিয়েছেন তিনি। গানে, কবিতায়, নাটক-উপন্যাস ও গল্পে তিনি বাংলা এবং বাঙালিকে বাঙময় করে বর্ণিল রংয়ে রাঙিয়ে গেছেন। গগন আলো করা রবির মতোই তিনি দেদীপ্যময়। কবিগুরু বরীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন বাঙালির জীবনে এক আনন্দঘন উৎসবের উপলক্ষ। এবার সে উৎসবে যুক্ত হয়েছে বিশেষ মাত্রা। দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এবার রবীন্দ্র স্পর্শে ধন্য সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হবে ‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়।’ যেখানে আধুনিকমনস্ক শিক্ষার্থীরা রবীন্দ্র গবেষণার পাশাপাশি পাবে উচ্চশিক্ষার অনন্য সুযোগ। তাছাড়া রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের সব জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন এমনকি গ্রাম পর্যায়েও নানা ব্যঞ্জনার মধ্য দিয়ে উদযাপিত হচ্ছে। পালিত হচ্ছে বিস্তারিত কর্মসূচি। কবির পূর্বপুরুষদের স্মৃতিবিজড়িত খুলনার দক্ষিণডিহি এবং নওগাঁর পতিসর, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর ও কুষ্টিয়ার শিলাইদহসহ তার স্পর্শে ধন্য প্রতিটি স্থানেই উদযাপিত হচ্ছে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, বিরোধীদলীয় নেতা ও বিএনপির চেয়ারপারসন পৃথক বাণীতে কবিগুরুর অবদানের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য দিক তুলে ধরেন।
রবীন্দ্রনাথের পূর্বপুরুষদের আদি বাড়ি ছিল খুলনার রূপসা থানার পিঠাভোগ গ্রামে। আর রবীন্দ্রনাথের শ্বশুরবাড়ি হচ্ছে খুলনার ফুলতলা থানার দক্ষিণডিহি গ্রামে। তাই পিতৃপুরুষ, মাতুলালয় ও শ্বশুরালয়ের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা আর অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের কারণেই রবীন্দ্রনাথ আমৃত্যু বাংলা ও বাঙালির জীবনঘনিষ্ঠ সুহৃদ থেকে গেছেন। রূপসার পিঠাভোগ গ্রামের কুশারী পরিবারের জগন্নাথ কুশারীই হচ্ছেন রবীন্দ্রনাথের আদি পূর্বপুরুষ। তিনি বৈবাহিক সূত্রেই দক্ষিণডিহির পীরালি শ্রেণীভুক্ত পরিবারের আশ্রয়ে থেকে কৃষিকাজ ও ব্যবসায় মনোনিবেশ করেন। এই জগন্নাথ কুশারীর অধস্তন পঞ্চম পুরুষ পঞ্চানন কুশারী জ্ঞাতী কলহে কলকাতার গোবিন্দপুরে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন এবং প্রভাব-প্রতিপত্তি বিস্তারের ফলে ‘ঠাকুর’ উপাধিপ্রাপ্ত হন। এই পঞ্চানন কুশারীর অধস্তন চতুর্থ পুরুষই হচ্ছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর। দ্বারকানাথ ঠাকুরের স্ত্রী দিগম্বরী দেবীর দক্ষিণডিহির পীরালি বংশের মেয়ে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বাবা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরও এই দক্ষিণডিহির রায় চৌধুরী পরিবারের কন্যা সারদা দেবীকে বিয়ে করেন, যিনিই রবীন্দ্র ঠাকুরের গর্ভধারিণী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও দক্ষিণডিহি গ্রামের বেণীমাধব রায় চৌধুরীর কন্যা ভবতারিনী দেবীকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর ভবতারিনী দেবীর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় মৃণালিনী। প্রত্নতত্ত্ব অধিদফতর খুলনার রূপসা উপজেলার পিঠাভোগ গ্রামে সেই আদি বাড়ির সন্ধান পেয়েছে। এখানে মৃণালিনী দেবীর নামে একটি কমপ্লেক্সও গড়ে তোলার প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ (১৮৬১ সালের ৭ মে) কলকাতার অভিজাত পরিবার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে। কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবার তখন মানমর্যাদায়, বুদ্ধি ও সংস্কৃতি চর্চায় খ্যাতির মধ্যগগনে। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর-সারদা দেবীর চতুর্দশ অর্থাৎ সর্বকনিষ্ঠ সন্তান রবীন্দ্রনাথ বেড়ে ওঠেন মুক্ত সাংস্কৃতিক পরিবেশে। দ্বারকানাথ ঠাকুরের চেষ্টাতেই এ বংশের জমিদারি এবং ধনসম্পদ বৃদ্ধি পায়। ইংরেজি ও সংস্কৃতিতে লালিত এবং আত্মপ্রতিষ্ঠিত দ্বারকানাথ ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি জনহিতকর কাজেও ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেন। উনিশ শতকের বাঙালির নবজাগরণ ও ধর্ম সমাজ-সংস্কার আন্দোলনে জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের ভূমিকা বিশেষভাবে স্মরণযোগ্য। আভিজাত্যের সঙ্গে উদারতা মিলে ছিল তার পারিবারিক ঐতিহ্য। রবীন্দ্রনাথের বড় ভাই দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন দার্শনিক ও কবি, মেঝো ভাই সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন প্রথম ভারতীয় আইসিএস এবং অন্য ভাইয়েরা ছিলেন সঙ্গীতজ্ঞ, নাট্যকার, অভিনেতা এবং বোনদের মধ্যে স্বর্ণকুমারী দেবীও ছিলেন প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক। পিতার সঙ্গে হিমালয় ভ্রমণ, পিতা প্রতিষ্ঠিত আশ্রম শান্তিনিকেতন এবং গৃহশিক্ষকের কাছে ইংরেজি সাহিত্য, সংস্কৃত, গণিত, পদার্থবিদ্যা, ইতিহাস, ভূগোল ও প্রাকৃতবিদ্যাসহ বিভিন্ন বিষয়ে শিক্ষা লাভ করেন। প্রচলিত শিক্ষাধারার প্রতি রবীন্দ্রনাথের অনাগ্রহ দেখে তার মেজদা সত্যেন্দ্রনাথ তাকে ব্যারিস্টারি পড়াতে বিলাত নিয়ে যান। সেখানে তাকে ১৮৭৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ব্রাইটন পাবলিক স্কুল ও লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে পড়ে কোর্স শেষ না করেই দেশে ফিরে আসেন। এ সময় তিনি সমাজ ও জীবনকে গভীরভাবে নিরীক্ষণ এবং উপলব্ধি করেন। একই সঙ্গে প্রতিভা বিকাশ তথা সাহিত্যকর্মের বিচিত্র পথও খুঁজে পান। রবীন্দ্র প্রতিভার সত্যিকার স্ফুরণ ঘটে এখান থেকেই। এ সময় তিনি রচনা করেন বাল্মিকী প্রতিভা গীতিনাট্য। একে একে রচনা করতে থাকেন কবিতা ও গান। প্রকৃতির প্রতিশোধ, কড়ি ও কোমল, মায়ার খেলা ও মানসী কাব্য তার এ সময়কার রচনা। এর একাধিকবার বিলাত ভ্রমণ এবং জমিদারি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েই তিনি মাটি ও মানুষের সংস্পর্শে আসেন। জমিদারি তদারকি উপলক্ষে তিনি শাহজাদপুর, পতিসর, কালিগ্রাম ও শিলাইদহসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বেড়ান। এ সময় বাংলায় পদ্মা, মেঘনা, যমুনা, ইছামতিতে নৌকা ভ্রমণের মধ্য দিয়ে বাংলার নিসর্গ ও নদীবর্তী সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা তার ভেতরে জাগিয়ে তোলে প্রকৃতি ও মানুষের প্রতি অপার ভালোবাসা। বিচিত্র দেশ ভ্রমণ, সমকালীন ঘটনাবলীর তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ এবং জ্ঞান-বিজ্ঞান, দর্শন ও রাজনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রের অগ্রগণ্য ব্যক্তিদের সান্নিধ্যে আসার মধ্য দিয়ে তিনি সর্বমানবিকতার পথে নিয়ে গিয়েছিল তাকে। পৌত্তলিক ধর্মের আধুনিকায়ন করে ব্রাহ্ম ধর্মের সার্বজনীনতাও তাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছিল। আর এজন্যই রাজা রামমোহন রায়ের সংস্পর্শে এসে প্রতিষ্ঠা করেন ব্রাহ্মসমাজ।
১২৮১ সালে ভারতের তত্ত্বাবোধিনী পত্রিকায় প্রকাশিত ‘অভিলাষ’ তার প্রথম মুদ্রিত কবিতা। এরপর ঘটল নির্ঝরের স্বপ্নভঙ্গ। ‘জাগিয়া উঠিল প্রাণ’। সেই প্রাণের স্পর্শে পরশ পাথরের মতো সোনালি হয়ে জাগিয়া উঠিল বাংলা সাহিত্য। এ সময় তিনি যেখানেই হাত দিয়েছেন, সেখানেই ফলেছে খাঁটি সোনা। মাত্র ১২ বছর বয়সেই তিনি গান রচনা করেন এবং নিজেই সুর দিয়ে গেয়ে শোনান। ফেরার পথে জাহাজে ‘ভগ্ন হৃদয়’ কাব্য লেখেন। এর অব্যবহিত পরই তার ‘সন্ধ্যাসঙ্গীত’, ‘প্রভাতসঙ্গীত’ ও ‘প্রকৃতির প্রতিশোধ’ প্রভৃতি কাব্য বের হয়। ২৩ বছর বয়সে ১৮৮৩ সালের ৯ ডিসেম্বর তিনি মৃণালিনী দেবী চৌধুরানীর সঙ্গে তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
আজ পৃথিবীব্যাপী বাংলা ও বাঙালির পরিচয়ের অপর নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। শুধু বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নয়, জাতি হিসেবে গড়ে ওঠার জন্য প্রয়োজনীয় বাঙালির সব কর্মযজ্ঞে আত্মনিবেদিত ছিলেন এই কবি। বিচিত্র তার সৃষ্টির সম্ভার- সবই ছিল জাতি গঠনে, জাতির প্রয়োজনে। সাহিত্যের সব শাখায় ছিল তার অবাধ বিচরণ- তার হাতেই তিল তিল করে গড়ে উঠেছে বাংলা ভাষা। বাঙালি জাতির রেনেসাঁর নেতৃত্বের পুরোভাগেও ছিলেন তিনিই। শুধু লেখায়, আঁকায়, বক্তৃতা-বিবৃতিতে নয়- সমাজের সব প্রয়োজনে, মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায়, অন্যায়ের প্রতিবাদে সক্রিয় ছিলেন সব সময়। তার জীবন, তার দর্শন, তার কর্ম বাঙালি জাতির জন্য আজও ধ্রুবতারার মতো পথনির্দেশক। আজকের এই স্বাধীন বাংলাদেশ তার স্বপ্নের সোনার বাংলারই রূপায়ণ। আমাদের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য, স্বপ্নময় শান্তিপূর্ণ নতুন পৃথিবী গড়ার জন্য রবীন্দ্রনাথের চেতনা কেবল বাঙালি জাতিকে নয়, অনুপ্রাণিত করবে পৃথিবীর অন্য দেশের, অন্য গোলার্ধের মানুষদেরও। আজ তার জন্মদিন। পৃথিবীব্যাপী কুহেলিকা উন্মোচন করে সত্যের রবিকে তথা সত্যের সূর্যকে প্রতিষ্ঠার দিন। মানুষের অধিকারের পক্ষে যে কবি, সেই মহান মানবতাবাদীকে স্মরণের মধ্য দিয়ে এ উপমহাদেশ এবং পৃথিবীব্যাপী ঘোষিত হবে মানবতার জয়।
তার সম্পাদনায় ভারতী, সাধনা, বঙ্গদর্শন প্রভৃতি পত্রিকা বের হয়। ‘ছবি ও গান’, ‘কড়ি ও কোমল’, ‘মানসী’, ‘রাজা ও রানী’, ‘সোনার তরী’, ‘বলাকা’, ‘গীতবিতান’, ‘নৈবেদ্য’, ‘গীতাঞ্জলি’ তার কাব্য। ‘শেষের কবিতা’, ‘গোরা’, ‘চার অধ্যায়’, ‘চতুরঙ্গ’ তার রচিত উপন্যাস। ‘ছিন্নপত্র’ তার অবিস্মরণীয় পত্রসাহিত্য। ৫২ বছর বয়সে ১৯১৩ সালে তিনি তার গীতাঞ্জলি কাব্যের জন্য বিশ্বের সর্বাধিক সম্মানজনক নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। ১৯০১ সালের ডিসেম্বরে মাত্র পাঁচজন ছাত্র নিয়ে তিনি বোলপুরে প্রতিষ্ঠা করেন তার স্বপ্নের শিক্ষাঙ্গন ‘শান্তি নিকেতন’ বিদানিকেতন। নওগাঁর পতিসরে তিনিই প্রথম গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠা করেন। তার জমিদারির গরিব প্রজাদের নামমাত্র সুদে ঋণ প্রদানের মাধ্যমে। কুষ্টিয়ার শিলাইদহ ও পাবনার শাহজাদপুরে তার জমিদারিতে প্রজাদের কল্যাণের স্বার্থে আরও অনেক জনহিতকর কাজ করেন। ১৩৪৮ বঙ্গাব্দের ২২ শ্রাবণ কবি, দার্শনিক এবং মানবতাবাদী এই কর্মবীরের মহাপ্রয়াণ ঘটে।
যুগে যুগে পৃথিবীতে সাহিত্য, সংস্কৃতি, সভ্যতা, দর্শন ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে যে রূপান্তর ঘটেছে, রবীন্দ্রনাথ তার সবকিছুকেই আত্মস্থ করেছেন গভীর অনুশীলন, ক্রমাগত নিরীক্ষা এবং বিশ্বপরিক্রমার মাধ্যমে। এর মধ্য দিয়ে তিনি পেয়েছেন যেমন, আমাদের দিয়েছেন তেমনি উজাড় করে। তাই তো রবীন্দ্রনাথ শুধুই বাঙালির- শুধুই বাংলার।
 

শেষ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close