¦
রবিঠাকুরের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করেছেন বঙ্গবন্ধু : প্রধানমন্ত্রী

মাহবুব হাসান/মো. মুমীদুজ্জামান জাহান, শাহ্জাদপুর/সিরাজগঞ্জ/উল্লাপাড়া/ কুষ্টিয়া প্রতিনিধি ও খুলনা ব্যুরো | প্রকাশ : ০৯ মে ২০১৫

শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন শেষে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলা সাহিত্যের প্রাণপুরুষ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চেতনাকে ধারণ করার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সংঘর্ষের বদলে শান্তি, বিভাজনের বদলে ঐক্য এবং ধ্বংসের বিরুদ্ধে চিরদিন সৃষ্টির গান গেয়েছেন রবীন্দ্রনাথ। সে কারণেই আমরা দেখি ১৯১৯ সালে জালিয়ানওয়ালাবাগের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে তিনি ইংরেজ প্রদত্ত ‘নাইট’ উপাধি প্রত্যাখ্যান করেন। আমাদের ভেতর এই চেতনা আসে না কেন? যখন ধ্বংসাত্মক আন্দোলন করা হয়, পেট্রল বোমা মেরে ও সন্ত্রাস করে মানুষ পোড়ানো হয়, অন্তঃসত্ত্বা নারীর দেহ আগুনে ঝলসে দেয়া হয়- তখন কেন কারও কারও বিবেক জাগ্রত হয় না, আমার বোধগম্য নয়। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা স্বাধীনতা দিয়ে গেছেন। বাঙালি জাতি পরিচয়কে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন। আর রবীন্দ্রনাথ বাংলা ভাষাকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে গেছেন। মানবমুক্তির পক্ষে রবিঠাকুরের আকাক্সক্ষা পূরণ করেছেন বঙ্গবন্ধু।
শুধু রাজনীতিতে সিদ্ধহস্ত নন, রবীন্দ্র চর্চাতেও নিজের মুন্সিয়ানার পরিচয় দিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রবীন্দনাথের ১৫৪তম জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে তার উক্তি এবং পঙক্তি দিয়েই প্রধানমন্ত্রী নিজের রাজনৈতিক দর্শন ও মতামত তুলে ধরলেন। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সরকারপ্রধান রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় এবং স্থানীয় অনেকগুলো উন্নয়ন কর্মসূচির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে তিনি কুষ্টিয়ার শিলাইদহে রবীন্দ্রনাথের নামে আরেকটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনেরও ঘোষণা দেন।
স্থানীয় শাহজাদপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের তিন দিন ব্যাপী জয়ন্তী পালনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেখ হাসিনা বক্তব্যের বিভিন্ন পর্যায়েই রবীন্দ্রনাথের কবিতা, বিভিন্ন লেখা, উক্তি, পঙক্তি এবং জীবনী ও ভূমিকা তুলে ধরেন। ‘কখনো কখনো কোনো অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক গোঁড়ামি জেগে ওঠে, রস সৃষ্টিশালায় ডিক্টেটরি করতে আসে, বাইরে থেকে দম্ভহাতে তাদের শাসন চালায়, মনে করে চিরকালের মতো অপ্রতিহত তাদের প্রভাব। তাদের তকমা চোখ ভোলায় যাদের, তারা রসরাজ্যের বাইরের লোক, তারা রবাহুত, এক-একটা বিশেষ রব শুনে অভিভূত হয়, ভিড় করে।’ বিশ্বভারতী গ্রন্থ প্রকাশ সমিতির উদ্যোগে প্রকাশিত রবীন্দ্র রচনাবলীর ভূমিকার এ উক্তিটি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অবৈধভাবে তকমা এঁটে ক্ষমতায় আসতে এখনও আমরা দেখি। তারাই আন্দোলনের নামে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করে। তারপরও কিছু লোক কীভাবে তাদের সঙ্গে থাকে? কীভাবে তাদের ভোট দেয়? তাদের দল করে কীভাবে!
সর্বশেষ প্রধানমন্ত্রী সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের বাঘাবাড়ীতে এসেছিলেন ১৯৯৬ সালে প্রথম দফায় প্রধানমন্ত্রী হয়ে। এর আগে ’৯১ সালে নির্বাচনী সফরে যাওয়ার পথে এক পথসভায় বক্তব্য রেখেছিলেন। দীর্ঘদিন পর প্রধানমন্ত্রীর আগমনে এ এলাকায় বিরাজ করে আনন্দের হিল্লোল। সাজসাজ রব ছিল থানার সর্বত্র। শাহজাদপুর মডেল পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠ কানায় কানায় ভরে যায় উৎসুক জনতার ভিড়ে। মানুষের সমাগমে সুধীসমাবেশ রীতিমতো মহাসমাবেশে পরিণত হয়। রবীন্দ্রনাথের স্মৃতিবিজড়িত এ এলাকার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ভিত্তি স্থাপন করা হয় ‘রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের।’ একই সঙ্গে তিনি সিরাজগঞ্জ ২২৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সম্প্রসারিত কার্যক্রমের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এছাড়া শুক্রবার উদ্বোধন করা অন্যান্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের মধ্যে রয়েছে- সিরাজগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, ইন্সটিটিউট অব মেরিন টেকনোলজি, জেলা রেজিস্ট্রার কার্যালয় ও শেখ রাসেল পৌর শিশুপার্কে এবং ১৫০ গ্যাস টারবাইন বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এর আগে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে সিরাজগঞ্জের গঙ্গা প্রসাদ হ্যালিপেডে প্রধানমন্ত্রী অবতরণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী শাহজাদপুরে কবিগুরুর অনেক স্মৃতিবিজড়িত ঘটনা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘সোনার তরীর’ অনেক লেখা কবি এ এলাকায় বসে লিখেছেন। তার স্মৃতিকে ধরে রাখতেই এ এলাকায় রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছি। দ্রুত এর কাজ শুরু হবে। শেখ হাসিনা বলেন, কবিগুরু জমিদার ছিলেন। তবে তিনি ছিলেন প্রজাবৎসল জমিদার। ক্ষুদ্র ঋণ প্রদানসহ বিভিন্নভাবে তিনি এ এলাকার কৃষকদের সহায়তা করেছেন। কবি তার নোবেল প্রাইজের প্রাপ্ত টাকাও এ এলাকার কৃষিজীবী মানুষদের মাঝে কৃষি ঋণ হিসেবে বিতরণ করে সবার আগে তিনিই ক্ষুদ্র ঋণের প্রচলন করেছেন। কৃষির প্রতি কবির অনুরাগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, কবিগুরু তার পুত্র রথীন্দ্রনাথকে কৃষির ওপর পড়াশোনা করতে আমেরিকায় পাঠান। তার বন্ধু পুত্র সন্তুষচন্দ্রকে পাঠান পশুপালন বিদ্যায় পড়তে। জামাতা নগেন্দ্রনাথ গাঙ্গুলিকেও কৃষি বিষয়ে পড়ার জন্য আমেরিকা পাঠিয়েছিলেন তিনি। আর রবিঠাকুরই প্রথম ভারতীয় উপমহাদেশে উন্নত কৃষি উৎপাদনের জন্য ট্রাক্টর নিয়ে আসেন। শেখ হাসিনা বলেন, কবিগুরু এ এলাকার মানুষের জন্য সাড়ে চার হাজার গোচারণভূমি দিয়ে গিয়েছিলেন। এখন সেখানে দুগ্ধ খামার করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জমিদার হয়েও এদেশের সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছিলেন। তার এই ভালোবাসা আরও পাকাপোক্ত হল রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে। বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপন হলে শুধু এ অঞ্চলের সাধারণ শিক্ষার্থীরাই উপকৃত হবে না, বাংলার মানুষের হৃদয়ে রবীন্দ্রনাথ চিরজীবিত হয়ে থাকবেন। বিশ্ববিদ্যালয়টি স্থাপন হলে শুধু শিক্ষার্থীরাই নয়, অর্থনৈতিক, সামাজিক এবং সাহিত্যচর্চায় দেশবাসী উপকৃত হবে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, রবীন্দ্রনাথ ছিলেন বাংলার মানুষের মনোজগতের কবি। তিনি জমিদার হয়েও প্রজাদের দুঃখ-দুর্দশায় এগিয়ে এসেছেন। তিনিই প্রথম এদেশে কৃষকদের জন্য ক্ষুদ্র ঋণ প্রচলন করেন। একই সঙ্গে তার নোবেল পুরস্কার পাওয়ার পুরো টাকাই সমবায় ব্যাংকের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ঋণ হিসেবে বিতরণ করেছেন। শুধু কৃষকদের নয়, দিঘি ও পুকুর খনন করে মৎস্য চাষের ব্যবস্থা করেছেন। নিজের জমিদারির সাড়ে চার হাজার বিঘা সম্পত্তি গোচারণভূমি হিসেবে মানুষকে দান করেছিলেন। যার ওপর ভিত্তি করে এ অঞ্চলে দুগ্ধ খামার গড়ে ওঠে। এখনও শাহজাদপুরে হাজার হাজার মানুষ এই শিল্পের ওপর নির্ভরশীল হয়ে স্বাবলম্বীতা অর্জন করেছেন। তিনি বলেন, মধ্যবিত্ত বাঙালির ওপর রবীন্দ্রনাথের এই প্রভাবের কারণে এক সময় পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী ভীত হয়ে পড়ে। তারা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে সরকারি গণমাধ্যমগুলোতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিষিদ্ধ করে। এমনকি ১৯৬১ সালে রবীন্দ্রনাথের শতবর্ষ জন্মবার্ষিকী পালনেও নেমে আসে নিষেধাজ্ঞা। কিন্তু এ দেশের শিল্পী, সাহিত্যিক সচেতন মানুষ আইয়ুব সরকারের এই সিদ্ধান্ত মেনে না নিয়ে তা পালন করেছে সাড়ম্বরে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার বহু আগেই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের লেখা ‘আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালোবাসি’ গীতিকবিতাটিকে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথের অসাম্প্রদায়িক চেতনা আন্তর্জাতিকতাবাদ মানব কল্যাণ এবং বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার ভাবনাগুলো বঙ্গবন্ধুর চিন্তা-চেতনায় স্থায়ী আসন করে নিয়েছিল।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষকে প্রকৃত ইতিহাস জানতে হবে। পঁচাত্তরের পর ইতিহাস বিকৃত করা হয়েছে। বিকৃত ইতিহাস মানুষকে বিকৃত পর্যায়ে নিয়ে যায়। তাই আমরা সারা দেশে রবীন্দ্র স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলো সংরক্ষণে বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। পাশাপাশি রবীন্দ্রচর্চা এবং রবীন্দ্রসঙ্গীতের প্রচার ও প্রসারেও সংস্কৃতিকর্মীদের সহায়তা প্রদান করে যাচ্ছি। কুষ্টিয়ার শিলাইদহেও সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় একটি বেসরকারি রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে শান্তিনিকেতনে আমাদের অনেক ছেলেমেয়ে পড়াশোনা করতে যায়। সেখানে একটি ‘বাংলাদেশ ভবন’ নির্মাণের কাজ এগিয়ে চলছে। ইতিমধ্যেই সেটির নকশা অনুমোদনও করা হয়েছে।
সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের সভাপতিত্বে ‘সভ্যতার সংকটে রবীন্দ্রনাথ’ শীর্ষক মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ প্রফেসর অ্যামেরিটাস ড. আনিসুজ্জামান। বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সিরাজগঞ্জের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নাসিম, শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম, স্থানীয় এমপি হাসিবুর রহমান স্বপন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সংস্কৃতিবিষয়ক সচিব বেগম আকতারী মমতাজ এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন জেলা প্রশাসক বিল্লাল হোসেন। এ সময় আওয়ামী লীগের রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, রাজশাহী বিভাগীয় সংসদ সদস্য এবং আওয়ামী লীগ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে এক রবীন্দ্র সঙ্গীতের মাধ্যমে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী কিছু সময় এ অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।
গোটা জনপদে আনন্দের বন্যা : প্রধানমন্ত্রীর শাহজাদপুর আগমন উপলক্ষে শাহজাদপুর ও এর পার্শ্ববর্তী উল্লাপাড়া, বেড়া, সাঁথিয়াসহ এই জনপদে ছিল সাজসাজ রব। বর্ণাঢ্য সাজে সাজানো হয়েছিল শাহজাদপুর শহর। বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিমপার থেকে শুরু করে সড়কের দুই পাশে প্রধানমন্ত্রী, রবীন্দ্রনাথ, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা, কয়েকজন মন্ত্রী, জেলার সংসদ সদস্যদের ছবি সংবলিত রঙবেরঙের ব্যানার, ফেস্টুন আর বড় বড় তোরণে সাজানো হয়েছিল। বাঘাবাড়ী থেকে শাহজাদপুর পর্যন্ত সড়কের দুই পাশে ব্যানার- ফেস্টুনে ভরপুর ছিল।
খুলনায় রবীন্দ্র জন্মবার্ষিকীর নানা অনুষ্ঠান : খুলনার ফুলতলার দক্ষিণডিহি রবীন্দ্র কমপ্লেক্সে খুলনা জেলা প্রশাসনের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। শুক্রবার বিকালে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। উদ্বোধনী দিনে ‘আমাদের জীবনে রবীন্দ্রনাথ’ বিষয়ে আলোচনা ও সন্ধ্যার সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ব্যাপক লোক সমাগম ঘটে। এছাড়া খুলনার রূপসা উপজেলার পিঠাভোগ গ্রামেও রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালায় ৩ দিনব্যাপী কর্মসূচি শুরু হয়েছে। শুক্রবার উদ্বোধনী দিনে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকালে পিঠাভোগ রবীন্দ্র স্মৃতি সংগ্রহশালায় বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়।
শিলাইদহে বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হবে- তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু : কুষ্টিয়ার অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, শিলাইদহ কুঠিবাড়ি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত স্থান। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রবীন্দ্রনাথকে কেন্দ্র করে শিলাইদহে একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ঘোষণার আলোকে জননেত্রী শেখ হাসিনাও কুষ্টিয়ায় সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
শুক্রবার বেলা ১১টায় কুষ্টিয়ার শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী রবীন্দ্র জন্মজয়ন্তীর উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেয়ার আগে সাংবাদিকদের কাছে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
 

শেষ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close