¦
থাইল্যান্ডে গণকবর এলাকা পরিদর্শনে বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত

যুগান্তর ডেস্ক | প্রকাশ : ০৯ মে ২০১৫

থাইল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাইদা মুনা তাসনিম বৃহস্পতিবার রাতে গণকবর আবিষ্কার হওয়া শংখলা প্রদেশে পৌঁছেছেন। তিনি সেখানে বেঁচে থাকা বাংলাদেশীদের সঙ্গে কথা বলবেন। ১ মে থেকে থাইল্যান্ডের ওই প্রদেশটিতে পাচারের শিকার মানুষদের গণকবরের সন্ধান পাওয়া শুরু হয়।
থাইল্যান্ডে ৫ দিনের সরকারি ছুটি চলাকালীন বাংলাদেশ দূতাবাস শংখলা প্রদেশে বাংলাদেশীদের সঙ্গে থাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে যোগাযোগ করার চেষ্টা করে। পরে গণকবরের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া সাদাও অঞ্চলে দুই বাংলাদেশীর সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি মেলে। তাদের একজন প্রাপ্তবয়স্ক ও অপরজন অপ্রাপ্ত বয়স্ক।
তারা দুজন পুলিশ হেফাজতে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মুনা তাসনিমের সঙ্গে থাইল্যান্ডের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দুই কর্মকর্তা দিয়েছেন। শুক্রবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
ওই সাদাও এলাকায় এই প্রথম কোনো বাংলাদেশী রাষ্ট্রদূত পরিদর্শনে গেলেন। যেখানে পাচার নেটওয়ার্কের শিকার হয়ে বাংলাদেশীরা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে জীবন হারাচ্ছেন।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শংখলা প্রদেশের গভর্নর ও পুলিশ প্রধানের সঙ্গে দেখা করেছেন। তিনি তাদের সঙ্গে পাচারসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। এছাড়া মানব পাচার সিন্ডিকেট রোধে মতবিনিময় করেছেন। এ অমানবিক অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে আঞ্চলিক সহযোগিতাও চেয়েছেন।
শংখলা প্রদেশের সাদাও এলাকায় গণকবরে বাংলাদেশীদের উদ্ধারের ঘটনার পর ২ মে থেকে বাংলাদেশ দূতাবাস থাই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ওই অঞ্চলে প্রবেশের চেষ্টা করছিল।
শেষ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close