jugantor
নির্বাচনে নারীরা উপেক্ষিত
২৩৫ পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী মাত্র ২০ জন * আ’লীগের ৭ বিএনপির ১ স্বতন্ত্র ১২

  যুগান্তর ডেস্ক  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

পৌরসভা নির্বাচনে উপেক্ষিত হয়েছেন নারীরা। দেশের ২৩৫ পৌরসভায় মাত্র ২০ জন নারী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে রাজনৈতিক দল থেকে মনোনীত নারী প্রার্থীর সংখ্যা ৮ জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের সাত আর বিএনপির একজন নারী প্রার্থী। বাকি ১২ জন নারী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। নির্বাচনে অংশ নেয়া অন্য দলগুলো কোনো নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়নি। অভিযোগ উঠেছে, যোগ্যতাসম্পন্ন নারী প্রার্থী থাকলেও দলীয় মনোনয়ন পাননি তারা। এক্ষেত্রে তারা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নারী সমর্থন দেয়ার চেয়ে পুরুষ প্রার্থীকে সমর্থন দেয়ার প্রবণতা বেশি বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। যুগান্তর ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

রাজশাহী : রাজশাহী বিভাগের ৫০ পৌরসভায় মোট ২৫০ জন মেয়র প্রার্থী। এর মধ্যে মাত্র ৪ জন নারী প্রার্থী রয়েছেন। এ চারজনই আওয়ামী লীগের। তারা হলেন-রাজশাহীর চারঘাটে নার্গিস বেগম, নাটোর সদর পৌরসভায় জলি চৌধুরী ওরপে উমা চৌধুরী ও গোপালপুরে রোকসানা মোর্তুজা লিলি এবং সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে আশা নুর বিশ্বাস।

বগুড়ার নয় পৌরসভায় কোনো নারী মেয়র প্রার্থী নেই। জয়পুরহাট সদর, আক্কেলপুর ও কালাই পৌরসভায় ২০ মেয়র প্রার্থীর মধ্যে কোনো নারী নেই। নওগাঁয় দুই পৌরসভায় কোনো নারী মেয়র পদে কোনো নারী প্রার্থী নেই। নাটোরের ৬ পৌরসভার দুটিতে নারী মেয়র প্রার্থী। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪ পৌরসভারও মেয়র পদে কোনো নারী প্রার্থী নেই। সিরাজগঞ্জের বেলকুচি বাদে বাকি ৫ পৌরসভায় কোনো নারী মেয়র প্রার্থী নেই। নারীর কম অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে রাজশাহী মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কল্পনা রায় বলেন, রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ কম। নারীকে এক্ষেত্রে উৎসাহিত করা হয় না। কেউ কেউ নিজের চেষ্টায় এগিয়েছেন তার সংখ্যাটাও নগণ্য। এ ব্যাপারে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির বিভাগীয় সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট দিল সেতারা চুনি বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক। রাজনীতির সবস্তরে নারীর অংশগ্রহণ সমান হওয়া উচিত।

কুমিল্লা : কুমিল্লার ৬টি পৌরসভায় নির্বাচনে লড়ছেন ৩০ মেয়র প্রার্থী। এদের মধ্যে একমাত্র নারী মেয়র প্রার্থী লাকসাম পৌরসভায় শাহনাজ আক্তার। তিনি বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন। তার স্বামী হুমায়ুন কবির পারভেজ পৌর বিএনপির সভাপতি ছিলেন। এক বছরের বেশি সময় ধরে তিনি নিখোঁজ।

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামের ১০ পৌরসভায় মেয়র পদে কোনো নারী প্রার্থী নেই। সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদেও কোনো নারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না। যদিও গত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে সংরক্ষিত ওয়ার্ডের বাইরে সাধারণ কাউন্সিলর পদে সরাসরি নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

জেলার ১০ পৌরসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৬ জন মেয়র প্রার্থী। এছাড়া সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ৩৮৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এত প্রার্থীর মধ্যে একজনও নারী প্রার্থী না থাকায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে সচেতন নাগরিক কমিটি- সনাক চট্টগ্রামের সভাপতি প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন মজুমদার যুগান্তরকে বলেন, নারী নেতৃত্ব বিকাশের ক্ষেত্রে সরাসরি জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করাটা খুবই নেতিবাচক বিষয়।

সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন চট্টগ্রামের সভাপতি প্রফেসর ড. মু. সিকান্দার খান যুগন্তরকে বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নারী সমর্থন দেয়ার চেয়ে পুরুষ প্রার্থীকে সমর্থন দেয়ার প্রবণতা বেশি। নির্বাচনগুলোতে নারীদের ব্যাকআপ দেয়া হয় না। যে কারণে স্থানীয় সরকারে নারীর অংশগ্রহণও তেমন হচ্ছে না।

নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জে দুটি পৌরসভায় নির্বাচন হচ্ছে-সোনারগাঁ ও তারাব। দুই পৌরসভায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ জন মেয়র প্রার্থী। এদের মধ্যে মাত্র একজন নারী প্রার্থী-হাসিনা গাজী। তারাব পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে লড়ছেন তিনি। হাসিনা গাজী স্থানীয় এমপি গাজী গোলাম দস্তগীরের স্ত্রী।

ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাঁওয়ে তিনটি পৌরসভায় নির্বাচন হচ্ছে। এগুলো হলো-ঠাকুরগাঁও সদর, পীরগঞ্জ ও রাণীশংকৈল। এসব পৌরসভায় মোট ১৭ জন মেয়র প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে শুধু ঠাকুরগাঁও সদরে নারী মেয়র প্রার্থী রয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তাহমিনা আক্তার। তাহমিনা জেলা যুব মহিলা লীগের সভানেত্রী।

পঞ্চগড় : এবার প্রথম দফায় কেবল পঞ্চগড় সদর পৌরসভায় নির্বাচন হচ্ছে। এ পৌরসভায় ৪ জন মেয়র প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। এদের মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী আওয়ামী লীগের জাকিয়া আক্তার। তিনি জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

যশোর : যশোরের ৬ পৌরসভায় কোনো রাজনৈতিক দল মেয়র পদে কোনো নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়নি। যশোর সদর পৌরসভায় আওয়ামী লীগ থেকে একমাত্র রোকেয়া পারভীন ডলি মনোনয়ন চাইলেও দল তাকে মনোনয়ন দেয়নি। আবার স্বতন্ত্রভাবেও কেউ মেয়র পদে দাঁড়ায়নি।

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সভাপতি নূরজাহান ইসলাম নীরা বলেন, দলের জন্য পুরুষের চেয়ে মহিলারা বেশি সময় দেয়। কিন্তু দলে মহিলাদের মূল্যায়ন করা হয় না। সব সময় তারা বঞ্চিত হয়। যশোর জেলা নারী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সেতারা খাতুন বলেন, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারম্যান পদে সরাসরি নির্বাচন করে মহিলারা যোগ্যতার পরিচয় দিচ্ছে। তবুও দলীয়ভাবে নারীদের মনোনয়ন দেয়া হয়নি।


 

সাবমিট

নির্বাচনে নারীরা উপেক্ষিত

২৩৫ পৌরসভায় মেয়র প্রার্থী মাত্র ২০ জন * আ’লীগের ৭ বিএনপির ১ স্বতন্ত্র ১২
 যুগান্তর ডেস্ক 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 

পৌরসভা নির্বাচনে উপেক্ষিত হয়েছেন নারীরা। দেশের ২৩৫ পৌরসভায় মাত্র ২০ জন নারী মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে রাজনৈতিক দল থেকে মনোনীত নারী প্রার্থীর সংখ্যা ৮ জন। এর মধ্যে আওয়ামী লীগের সাত আর বিএনপির একজন নারী প্রার্থী। বাকি ১২ জন নারী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করছেন। নির্বাচনে অংশ নেয়া অন্য দলগুলো কোনো নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়নি। অভিযোগ উঠেছে, যোগ্যতাসম্পন্ন নারী প্রার্থী থাকলেও দলীয় মনোনয়ন পাননি তারা। এক্ষেত্রে তারা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নারী সমর্থন দেয়ার চেয়ে পুরুষ প্রার্থীকে সমর্থন দেয়ার প্রবণতা বেশি বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। যুগান্তর ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

রাজশাহী : রাজশাহী বিভাগের ৫০ পৌরসভায় মোট ২৫০ জন মেয়র প্রার্থী। এর মধ্যে মাত্র ৪ জন নারী প্রার্থী রয়েছেন। এ চারজনই আওয়ামী লীগের। তারা হলেন-রাজশাহীর চারঘাটে নার্গিস বেগম, নাটোর সদর পৌরসভায় জলি চৌধুরী ওরপে উমা চৌধুরী ও গোপালপুরে রোকসানা মোর্তুজা লিলি এবং সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে আশা নুর বিশ্বাস।

বগুড়ার নয় পৌরসভায় কোনো নারী মেয়র প্রার্থী নেই। জয়পুরহাট সদর, আক্কেলপুর ও কালাই পৌরসভায় ২০ মেয়র প্রার্থীর মধ্যে কোনো নারী নেই। নওগাঁয় দুই পৌরসভায় কোনো নারী মেয়র পদে কোনো নারী প্রার্থী নেই। নাটোরের ৬ পৌরসভার দুটিতে নারী মেয়র প্রার্থী। চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪ পৌরসভারও মেয়র পদে কোনো নারী প্রার্থী নেই। সিরাজগঞ্জের বেলকুচি বাদে বাকি ৫ পৌরসভায় কোনো নারী মেয়র প্রার্থী নেই। নারীর কম অংশগ্রহণ প্রসঙ্গে রাজশাহী মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কল্পনা রায় বলেন, রাজনীতিতে নারীর অংশগ্রহণ কম। নারীকে এক্ষেত্রে উৎসাহিত করা হয় না। কেউ কেউ নিজের চেষ্টায় এগিয়েছেন তার সংখ্যাটাও নগণ্য। এ ব্যাপারে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

বাংলাদেশ মহিলা আইনজীবী সমিতির বিভাগীয় সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট দিল সেতারা চুনি বলেন, এটা খুবই দুঃখজনক। রাজনীতির সবস্তরে নারীর অংশগ্রহণ সমান হওয়া উচিত।

কুমিল্লা : কুমিল্লার ৬টি পৌরসভায় নির্বাচনে লড়ছেন ৩০ মেয়র প্রার্থী। এদের মধ্যে একমাত্র নারী মেয়র প্রার্থী লাকসাম পৌরসভায় শাহনাজ আক্তার। তিনি বিএনপি থেকে মনোনয়ন পেয়েছেন। তার স্বামী হুমায়ুন কবির পারভেজ পৌর বিএনপির সভাপতি ছিলেন। এক বছরের বেশি সময় ধরে তিনি নিখোঁজ।

চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামের ১০ পৌরসভায় মেয়র পদে কোনো নারী প্রার্থী নেই। সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদেও কোনো নারী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না। যদিও গত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে সংরক্ষিত ওয়ার্ডের বাইরে সাধারণ কাউন্সিলর পদে সরাসরি নারী প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন।

জেলার ১০ পৌরসভায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৬ জন মেয়র প্রার্থী। এছাড়া সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ৩৮৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এত প্রার্থীর মধ্যে একজনও নারী প্রার্থী না থাকায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ বিষয়ে সচেতন নাগরিক কমিটি- সনাক চট্টগ্রামের সভাপতি প্রকৌশলী দেলোয়ার হোসেন মজুমদার যুগান্তরকে বলেন, নারী নেতৃত্ব বিকাশের ক্ষেত্রে সরাসরি জনপ্রতিনিধি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করাটা খুবই নেতিবাচক বিষয়।

সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন চট্টগ্রামের সভাপতি প্রফেসর ড. মু. সিকান্দার খান যুগন্তরকে বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নারী সমর্থন দেয়ার চেয়ে পুরুষ প্রার্থীকে সমর্থন দেয়ার প্রবণতা বেশি। নির্বাচনগুলোতে নারীদের ব্যাকআপ দেয়া হয় না। যে কারণে স্থানীয় সরকারে নারীর অংশগ্রহণও তেমন হচ্ছে না।

নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জে দুটি পৌরসভায় নির্বাচন হচ্ছে-সোনারগাঁ ও তারাব। দুই পৌরসভায় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৬ জন মেয়র প্রার্থী। এদের মধ্যে মাত্র একজন নারী প্রার্থী-হাসিনা গাজী। তারাব পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে লড়ছেন তিনি। হাসিনা গাজী স্থানীয় এমপি গাজী গোলাম দস্তগীরের স্ত্রী।

ঠাকুরগাঁও : ঠাকুরগাঁওয়ে তিনটি পৌরসভায় নির্বাচন হচ্ছে। এগুলো হলো-ঠাকুরগাঁও সদর, পীরগঞ্জ ও রাণীশংকৈল। এসব পৌরসভায় মোট ১৭ জন মেয়র প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে শুধু ঠাকুরগাঁও সদরে নারী মেয়র প্রার্থী রয়েছেন। তিনি আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী তাহমিনা আক্তার। তাহমিনা জেলা যুব মহিলা লীগের সভানেত্রী।

পঞ্চগড় : এবার প্রথম দফায় কেবল পঞ্চগড় সদর পৌরসভায় নির্বাচন হচ্ছে। এ পৌরসভায় ৪ জন মেয়র প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। এদের মধ্যে একমাত্র নারী প্রার্থী আওয়ামী লীগের জাকিয়া আক্তার। তিনি জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।

যশোর : যশোরের ৬ পৌরসভায় কোনো রাজনৈতিক দল মেয়র পদে কোনো নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়নি। যশোর সদর পৌরসভায় আওয়ামী লীগ থেকে একমাত্র রোকেয়া পারভীন ডলি মনোনয়ন চাইলেও দল তাকে মনোনয়ন দেয়নি। আবার স্বতন্ত্রভাবেও কেউ মেয়র পদে দাঁড়ায়নি।

এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী মহিলা লীগের সভাপতি নূরজাহান ইসলাম নীরা বলেন, দলের জন্য পুরুষের চেয়ে মহিলারা বেশি সময় দেয়। কিন্তু দলে মহিলাদের মূল্যায়ন করা হয় না। সব সময় তারা বঞ্চিত হয়। যশোর জেলা নারী উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সেতারা খাতুন বলেন, ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারম্যান পদে সরাসরি নির্বাচন করে মহিলারা যোগ্যতার পরিচয় দিচ্ছে। তবুও দলীয়ভাবে নারীদের মনোনয়ন দেয়া হয়নি।


 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র