jugantor
শিশু নীরবের লাশ গ্রামের বাড়িতে দাফন

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

রাজধানীর কদমতলী থানার পালপাড়া বরইতলায় ম্যানহোলে পড়ে নিহত শিশু ইসমাইল হোসেন নীরবের ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকরা জানিয়েছেন পড়ে যাওয়ার ১০ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যেই নীরবের মৃত্যু হয়েছে। নীরবের পাকস্থলী ও ব্রেনে পানি ছিল। এদিকে শিশু নীরবের বাবা রেজাউল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, তার গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের কালকিনিতে। পোপালপুর এলাকার পশ্চিম বনগ্রামে নিয়ে পারিবারিক কবরস্থানে নীরবের লাশ দাফন করা হয়েছে। একমাত্র ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যুতে তিনি কোনো মামলা করবেন না বলে জানান। এ বিষয়ে তার কোনো অভিযোগ নেই। কার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন। তারা চেয়েছিলেন ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন করতে। কিন্তু পুলিশ ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ দিতে রাজি হয়নি।

কদমতলী থানার ওসি ওয়াজেদ আলী বুধবার সন্ধ্যায় যুগান্তরকে জানান, এখনো থানায় মামলা হয়নি। শিশুটির মা-বাবা গ্রামের বাড়িতে লাশ নিয়ে গেছে। তারা ফিরে আসলে তাদের কাছে মামলার বিষয়ে জানতে চাওয়া হবে। তারা মামলা না করলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।

মঙ্গলবার বিকালে খেলতে গিয়ে কদমতলী থানার পালপাড়া বরইতলা এলাকায় স্যুয়ারেজের ড্রেনে পড়ে যায় সাড়ে ৫ বছরের শিশু নীবর। তার খেলার সঙ্গী হৃদয় শিশু নীরবের মা নাজমা বেগমকে বলেছে রাতুল নামে অপর এক খেলার সঙ্গী নীরবকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে। বিকাল পৌনে ৪টায় নীরব পড়ে যাওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে স্যুয়ারেজের স্লুইচগেট থেকে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নীরবের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। রাত সোয়া ৯টায় নীরবকে মৃত ঘোষণা করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সোহেল রহমান।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু নীরবের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। এরপর তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় হাসপাতালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। নীরবের মা নাজমা বেগম ও বাবা রেজাউল, চাচা সেলিম, ফুফু তানিয়া আক্তারসহ আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের চাপা কান্নায় এলাকার বাতাস ভারি হয়ে উঠে। এ সময় উপস্থিত উৎসুক লোকজন ছোট্ট নীরবের লাশ দেখে চোখের পানি ফেলেন।

শিশু নীরবের ময়নাতদন্তকারী চার সদস্যের চিকিৎসক প্রতিনিধি দলের প্রধান ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. কাজী মোহাম্মদ আবু শামা। তিনি যুগান্তরকে বলেন, ম্যানহোলে পড়ে যাওয়ার ১০ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে শিশুটি মারা যায়। তার ব্রেন ও ফুসফুসে নোংরা বিষাক্ত পানি প্রবেশ করেছিল। চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের অন্য তিন চিকিৎসক ছিলেন, ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. একেএম শফিউজ্জমান, প্রভাষক ডা. প্রদীপ বিশ্বাস ও প্রভাষক ডা. কবির সোহেল। এর আগে শিশুটির সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন কদমতলী থানার এসআই মফিজুর রহমান। সুরতহাল রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে শিশুটির সারা শরীরে জখমের চিহ্ন ছিল।

নিহত শিশুটির চাচা সোহরাব হোসেন জানান, কয়েকদিন আগে কদমতলীর শ্যামপুর পালপাড়া বরইতলায় স্থানীয় এক ব্যক্তি নাগরদোলা বসায়। বিকালে প্রতিবেশী হৃদয়, রাতুলসহ কয়েকজন শিশুর সঙ্গে সেখানেই খেলছিল নীরব। তার পাশেই স্যুয়ারেজের ঢাকনা ছিল না। সেখানে দাঁড়ানো অবস্থায় পেছন থেকে রাতুল ধাক্কা দিলে নীরব উপুড় হয়ে স্যুয়ারেজে পড়ে যায়। খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে স্যুয়ারেজে নামলেও নীরবকে খুঁজে পাননি। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

জসিম নামের স্থানীয় এক উদ্ধারকর্মী জানান, বিকাল পৌনে ৪টার দিকে পড়ে যাওয়ার কয়েক মিনিট পর তারা শিশু নীরবকে জীবিত উদ্ধার করার জন্য স্যুয়ারেজের ভেতরে প্রবেশ করেন। স্যুয়ারেজটি দক্ষিণ দিকে পোস্তগোলা ব্রিজের পাশ দিয়ে গিয়ে বুড়িগঙ্গায় মিশেছে। স্যুয়ারেজের ভেতর দিয়ে ব্রিজ পর্যন্ত গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। শিশুটি যে ম্যানহোলে পড়েছে সেটি মূলত কলকারখানা ও বাসাবাড়ির তরল বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য। স্যুয়ারেজের ড্রেনে প্রচণ্ড স্রোত ছিল। পড়ে যাওয়ার পরপরই স্রোতের টানে ভেসে যায় এবং পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়।

নীরবের নিথর দেহ উদ্ধারের পর ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহমেদ খান বলেন, তারা দ্রুততার সঙ্গে শিশুটিকে উদ্ধার করেছেন। প্রকৃত পক্ষে স্যুয়ারেজের পানিতে পড়ার কিছু সময়ের মধ্যেই শিশুটি মারা গিয়েছিল।

লাশ দাফন : যুগান্তরের কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি জানান, বুধবার বিকালে নিজগ্রামে নীরবের লাশ দাফন করা হয়। এ সময় পরিবারের কান্নায় এলাকায় হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। নীরবের মৃত্যুর খবরে বুধবার ভোর থেকেই হাজার হাজার উৎসুক মানুষ নীরবের বাড়িতে ভিড় জমায়। বিকালে তার লাশ বাড়িতে পৌঁছালে সবার মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। নীরবের চাচা ইউপি সদস্য আবদুস সাত্তার জানান, নীরবের মৃত্যুর ঘটনা আসলেই হতাশাজনক। এই অকালমৃত্যু আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। আমাদের দাবি এভাবে যাতে আর একটি শিশুরও মৃত্যু না হয়।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর রাজধানীর শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনিতে গভীর পাইপের ভেতর পড়ে যায় জিহাদ নামের এক শিশু। তাকে উদ্ধারের জন্য প্রায় ২৩ ঘণ্টা শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান পরিচালনা করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। অভিযান পরিত্যক্ত ঘোষণার কয়েক মিনিটের মধ্যেই স্থানীয়রা ওয়াসার গভীর ওই নলকূপের পাইপ থেকে শিশু জিহাদকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এ নিয়ে সারা দেশে চাঞ্চল্য তৈরি হয়। এর ঠিক এক বছর পরই মারা গেল নীরব।



সাবমিট

শিশু নীরবের লাশ গ্রামের বাড়িতে দাফন

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
রাজধানীর কদমতলী থানার পালপাড়া বরইতলায় ম্যানহোলে পড়ে নিহত শিশু ইসমাইল হোসেন নীরবের ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসকরা জানিয়েছেন পড়ে যাওয়ার ১০ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যেই নীরবের মৃত্যু হয়েছে। নীরবের পাকস্থলী ও ব্রেনে পানি ছিল। এদিকে শিশু নীরবের বাবা রেজাউল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, তার গ্রামের বাড়ি মাদারীপুরের কালকিনিতে। পোপালপুর এলাকার পশ্চিম বনগ্রামে নিয়ে পারিবারিক কবরস্থানে নীরবের লাশ দাফন করা হয়েছে। একমাত্র ছেলের মর্মান্তিক মৃত্যুতে তিনি কোনো মামলা করবেন না বলে জানান। এ বিষয়ে তার কোনো অভিযোগ নেই। কার বিরুদ্ধে অভিযোগ করবেন। তারা চেয়েছিলেন ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফন করতে। কিন্তু পুলিশ ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ দিতে রাজি হয়নি।

কদমতলী থানার ওসি ওয়াজেদ আলী বুধবার সন্ধ্যায় যুগান্তরকে জানান, এখনো থানায় মামলা হয়নি। শিশুটির মা-বাবা গ্রামের বাড়িতে লাশ নিয়ে গেছে। তারা ফিরে আসলে তাদের কাছে মামলার বিষয়ে জানতে চাওয়া হবে। তারা মামলা না করলে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেয়া হবে।

মঙ্গলবার বিকালে খেলতে গিয়ে কদমতলী থানার পালপাড়া বরইতলা এলাকায় স্যুয়ারেজের ড্রেনে পড়ে যায় সাড়ে ৫ বছরের শিশু নীবর। তার খেলার সঙ্গী হৃদয় শিশু নীরবের মা নাজমা বেগমকে বলেছে রাতুল নামে অপর এক খেলার সঙ্গী নীরবকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে। বিকাল পৌনে ৪টায় নীরব পড়ে যাওয়ার পর ঘটনাস্থল থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার দূরে স্যুয়ারেজের স্লুইচগেট থেকে রাত সাড়ে ৮টার দিকে নীরবের নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়। রাত সোয়া ৯টায় নীরবকে মৃত ঘোষণা করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. সোহেল রহমান।

বুধবার বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শিশু নীরবের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। এরপর তার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ সময় হাসপাতালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। নীরবের মা নাজমা বেগম ও বাবা রেজাউল, চাচা সেলিম, ফুফু তানিয়া আক্তারসহ আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের চাপা কান্নায় এলাকার বাতাস ভারি হয়ে উঠে। এ সময় উপস্থিত উৎসুক লোকজন ছোট্ট নীরবের লাশ দেখে চোখের পানি ফেলেন।

শিশু নীরবের ময়নাতদন্তকারী চার সদস্যের চিকিৎসক প্রতিনিধি দলের প্রধান ছিলেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. কাজী মোহাম্মদ আবু শামা। তিনি যুগান্তরকে বলেন, ম্যানহোলে পড়ে যাওয়ার ১০ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে শিশুটি মারা যায়। তার ব্রেন ও ফুসফুসে নোংরা বিষাক্ত পানি প্রবেশ করেছিল। চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের অন্য তিন চিকিৎসক ছিলেন, ফরেনসিক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. একেএম শফিউজ্জমান, প্রভাষক ডা. প্রদীপ বিশ্বাস ও প্রভাষক ডা. কবির সোহেল। এর আগে শিশুটির সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন কদমতলী থানার এসআই মফিজুর রহমান। সুরতহাল রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে শিশুটির সারা শরীরে জখমের চিহ্ন ছিল।

নিহত শিশুটির চাচা সোহরাব হোসেন জানান, কয়েকদিন আগে কদমতলীর শ্যামপুর পালপাড়া বরইতলায় স্থানীয় এক ব্যক্তি নাগরদোলা বসায়। বিকালে প্রতিবেশী হৃদয়, রাতুলসহ কয়েকজন শিশুর সঙ্গে সেখানেই খেলছিল নীরব। তার পাশেই স্যুয়ারেজের ঢাকনা ছিল না। সেখানে দাঁড়ানো অবস্থায় পেছন থেকে রাতুল ধাক্কা দিলে নীরব উপুড় হয়ে স্যুয়ারেজে পড়ে যায়। খবর পেয়ে তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে স্যুয়ারেজে নামলেও নীরবকে খুঁজে পাননি। পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন।

জসিম নামের স্থানীয় এক উদ্ধারকর্মী জানান, বিকাল পৌনে ৪টার দিকে পড়ে যাওয়ার কয়েক মিনিট পর তারা শিশু নীরবকে জীবিত উদ্ধার করার জন্য স্যুয়ারেজের ভেতরে প্রবেশ করেন। স্যুয়ারেজটি দক্ষিণ দিকে পোস্তগোলা ব্রিজের পাশ দিয়ে গিয়ে বুড়িগঙ্গায় মিশেছে। স্যুয়ারেজের ভেতর দিয়ে ব্রিজ পর্যন্ত গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। শিশুটি যে ম্যানহোলে পড়েছে সেটি মূলত কলকারখানা ও বাসাবাড়ির তরল বর্জ্য নিষ্কাশনের জন্য। স্যুয়ারেজের ড্রেনে প্রচণ্ড স্রোত ছিল। পড়ে যাওয়ার পরপরই স্রোতের টানে ভেসে যায় এবং পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়।

নীরবের নিথর দেহ উদ্ধারের পর ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহমেদ খান বলেন, তারা দ্রুততার সঙ্গে শিশুটিকে উদ্ধার করেছেন। প্রকৃত পক্ষে স্যুয়ারেজের পানিতে পড়ার কিছু সময়ের মধ্যেই শিশুটি মারা গিয়েছিল।

লাশ দাফন : যুগান্তরের কালকিনি (মাদারীপুর) প্রতিনিধি জানান, বুধবার বিকালে নিজগ্রামে নীরবের লাশ দাফন করা হয়। এ সময় পরিবারের কান্নায় এলাকায় হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। নীরবের মৃত্যুর খবরে বুধবার ভোর থেকেই হাজার হাজার উৎসুক মানুষ নীরবের বাড়িতে ভিড় জমায়। বিকালে তার লাশ বাড়িতে পৌঁছালে সবার মধ্যে শোকের ছায়া নেমে আসে। নীরবের চাচা ইউপি সদস্য আবদুস সাত্তার জানান, নীরবের মৃত্যুর ঘটনা আসলেই হতাশাজনক। এই অকালমৃত্যু আমরা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছি না। আমাদের দাবি এভাবে যাতে আর একটি শিশুরও মৃত্যু না হয়।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ ডিসেম্বর রাজধানীর শাহজাহানপুর রেলওয়ে কলোনিতে গভীর পাইপের ভেতর পড়ে যায় জিহাদ নামের এক শিশু। তাকে উদ্ধারের জন্য প্রায় ২৩ ঘণ্টা শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান পরিচালনা করে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। অভিযান পরিত্যক্ত ঘোষণার কয়েক মিনিটের মধ্যেই স্থানীয়রা ওয়াসার গভীর ওই নলকূপের পাইপ থেকে শিশু জিহাদকে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করে। এ নিয়ে সারা দেশে চাঞ্চল্য তৈরি হয়। এর ঠিক এক বছর পরই মারা গেল নীরব।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র