jugantor
ঋণে অনিয়ম, দুর্নীতি
বেসিক ব্যাংকের চার কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

বেসিক ব্যাংকের তিন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও একজন মহাব্যবস্থাপককে (জিএম) চাকরিচ্যুত করেছে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। চাকরিচ্যুতরা হলেন- উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুস সোবাহান, রুহুল আলম, মো. সেলিম এবং মহাব্যবস্থাপক মাহবুবুল আলম। ব্যাংকের অর্থ ‘অপ্রয়োজনীয় খাতে’ ব্যয়, ঋণ অনিয়মে জড়িত থাকা এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কর্তৃপক্ষ এই ব্যবস্থা নিয়েছে। মঙ্গলবার ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় তাদের চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত হয়। বুধবার ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার মো. ইকবালের সই করা এক চিঠিতে বিষয়টি জানানো হয়। ওই আদেশে চাকরিচ্যুতির কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। একটি মামলা পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত দু’জন আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে ব্যাংকের ২৬ লাখ টাকা ক্ষতির দায়ে তাদেরকে অপসারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সালের মধ্যে বেসিক ব্যাংকের গুলশান, দিলকুশা ও শান্তিনগর তিন শাখা থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ কেলেংকারির ঘটনা ঘটে। তখনকার পরিচালনা পর্ষদ নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বিধিবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ঋণ অনুমোদন করায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটি এই সংকটে পড়ে। প্রায় চার বছর অনুসন্ধানের পর চলতি বছর সেপ্টেম্বর ১৫৬ জনকে আসামি করে মোট ৫৬টি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই আসামিদের মধ্যে ২৬ জন ব্যাংক কর্মকর্তা, বাকিরা ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত।

ব্যাংকটির সূত্র জানায়, ২৩ নভেম্বর এসব কর্মকর্তাকে একটি কারণ দর্শানোর চিঠি দেয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। পর্ষদ সভায় তাদের প্রত্যেকের বক্তব্য নিয়ে আলোচনার পর অপসারণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রসঙ্গত, বেসিকের ঋণ কেলেংকারির সঙ্গে সম্পৃক্ততার দায়ে তাদের মধ্যে সাবেক সেনা কর্মকর্তা রুহুল আলম ছাড়া অন্য সবার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা রয়েছে।


 

সাবমিট
ঋণে অনিয়ম, দুর্নীতি

বেসিক ব্যাংকের চার কর্মকর্তা চাকরিচ্যুত

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 

বেসিক ব্যাংকের তিন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও একজন মহাব্যবস্থাপককে (জিএম) চাকরিচ্যুত করেছে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। চাকরিচ্যুতরা হলেন- উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুস সোবাহান, রুহুল আলম, মো. সেলিম এবং মহাব্যবস্থাপক মাহবুবুল আলম। ব্যাংকের অর্থ ‘অপ্রয়োজনীয় খাতে’ ব্যয়, ঋণ অনিয়মে জড়িত থাকা এবং দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কর্তৃপক্ষ এই ব্যবস্থা নিয়েছে। মঙ্গলবার ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় তাদের চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত হয়। বুধবার ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার মো. ইকবালের সই করা এক চিঠিতে বিষয়টি জানানো হয়। ওই আদেশে চাকরিচ্যুতির কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। একটি মামলা পরিচালনার জন্য অতিরিক্ত দু’জন আইনজীবী নিয়োগ দিয়ে ব্যাংকের ২৬ লাখ টাকা ক্ষতির দায়ে তাদেরকে অপসারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সালের মধ্যে বেসিক ব্যাংকের গুলশান, দিলকুশা ও শান্তিনগর তিন শাখা থেকে সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা ঋণ কেলেংকারির ঘটনা ঘটে। তখনকার পরিচালনা পর্ষদ নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে বিধিবহির্ভূতভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ঋণ অনুমোদন করায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকটি এই সংকটে পড়ে। প্রায় চার বছর অনুসন্ধানের পর চলতি বছর সেপ্টেম্বর ১৫৬ জনকে আসামি করে মোট ৫৬টি মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এই আসামিদের মধ্যে ২৬ জন ব্যাংক কর্মকর্তা, বাকিরা ঋণগ্রহীতা প্রতিষ্ঠান ও ব্যাংক নিরীক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত।

ব্যাংকটির সূত্র জানায়, ২৩ নভেম্বর এসব কর্মকর্তাকে একটি কারণ দর্শানোর চিঠি দেয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। পর্ষদ সভায় তাদের প্রত্যেকের বক্তব্য নিয়ে আলোচনার পর অপসারণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। প্রসঙ্গত, বেসিকের ঋণ কেলেংকারির সঙ্গে সম্পৃক্ততার দায়ে তাদের মধ্যে সাবেক সেনা কর্মকর্তা রুহুল আলম ছাড়া অন্য সবার বিরুদ্ধে দুদকের মামলা রয়েছে।


 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র