jugantor
শুরু হল গেইল ঝড়

  স্পোর্টস রিপোর্টার  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

ছয় উইকেটের জয়ে ছয় পয়েন্ট নিয়ে শেষ চারে খেলার আশা জিইয়ে রাখল সিলেট সুপার স্টারস। হেরেও ঢাকা
ডায়নামাইটসের পয়েন্ট আট। আজ এ দু’দলের শেষ ম্যাচ। সিলেট খেলবে কুমিল্লার বিপক্ষে। ঢাকার প্রতিপক্ষ বরিশাল। সিলেট জিতলে আর ঢাকা হারলে দু’দলের পয়েন্ট হবে সমান আট। তখন শ্রেয়তর রানরেটের বিবেচনায় শেষ চারের শেষ দল নির্ধারিত হবে। আর যদি ঢাকা জেতে, তাহলে সিলেট জিতলেও কোনো লাভ হবে না। রংপুর, কুমিল্লা ও বরিশাল আগেই শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে। বুধবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুমভাঙা গেইলের হার না মানা ৯২ রানে বরিশাল আট উইকেটে হারায় তামিমবিহীন চিটাগাং ভাইকিংসকে।
বুধবার মিরপুরে বিপিএলের ২৭তম ম্যাচে সিলেটের বড় জয়ে অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি অবদান রেখেছেন শেষ ওভারে পরপর দুটি ছয় মেরে। দুই বলে তার ১২ রানে সিলেট এক বল বাকি থাকতে ঢাকা ডায়নামাইটসের ১৫৭ টপকে যায়। ১৫৮ তাড়া করতে নামা সিলেটকে এগিয়ে দিয়েছিলেন জুনায়েদ সিদ্দিকী ও রবি বোপারা। দ্বিতীয় উইকেটে এ দু’জন ৮৬ রান তোলেন। আর আফ্রিদি ও সোহেল তানভির শেষ দুই ওভারে নেন ১৫ রান।
শেষ ওভারে সিলেটের প্রয়োজন ছিল ১০ রান। ফরহাদ রেজার প্রথম বলে এক রান নেন আফ্রিদি। দ্বিতীয় বলে আউট সোহেল তানভির। তৃতীয় বলে মুশফিকুর রহিম নেন এক রান। শেষ তিন বলে প্রয়োজন ছিল ৮। ফরহাদের লো-ফুলটস বলে লেগ-অনে ছয়, পরের বলেও একইভাবে আবারও ছয়। জুনায়েদ ও বোপারার পর আফ্রিদির ছোঁয়ায় জয় পেয়ে গেল সিলেট। ১৫৮ তাড়া করতে নেমে সিলেটের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে পঞ্চম ওভারের শেষ বলে, ৩৬ রানে। জুনায়েদ ৫১ এবং ম্যাচসেরা বোপারা ৫৫ রান করেন।
এর আগে প্রথম ১০ ওভারে ৫৫ এবং পরের ১০ ওভারে ১০২ রান তোলে ঢাকা। উইকেট হাতে রেখে ব্যাট করার নীতিতে সফল সাঙ্গাকারার দল। শুরুটা করেন ফরহাদ রেজা। উদ্বোধনী জুটিতে ইয়াসির শাহকে সঙ্গে নিয়ে তোলেন ২৮ রান। ইয়াসির ১৮ বলে আট রান করে আউট হলেও রানের চাকা সচল রাখেন ফরহাদ। ব্যর্থ হন মোহাম্মদ হাফিজ। আগের ম্যাচে এক রানে আমিরের শিকার হওয়ার পর কাল আট রানে আবদুর রাজ্জাকের বলে আউট হয়েছেন হাফিজ। ফরহাদ রেজা ২৮ বলে ৩১ রান করে রবি বোপারার শিকার হন। চতুর্থ উইকেটে সাঙ্গাকারা ও নাসির হোসেন ৬৯ রানের জুটি গড়েন। এদিনও ঢাকার সর্বোচ্চ রান অধিনায়ক সাঙ্গাকারার। ৩৫ বলে ৪৭ করে মোহাম্মদ শহীদের বলে বোল্ড হন তিনি। নাসির হোসেন ৩১। শেষদিকে মোসাদ্দেক হোসেনের পাঁচ বলে অপরাজিত ১৩ রানে পাঁচ উইকেটে ১৫৭ রান করে ঢাকা। রাজ্জাক প্রথম দুই ওভারে ৯ রান দিয়ে দুই উইকেট নিলেও পরে আর তাকে বোলিংয়ে আনেননি আফ্রিদি।
 

সাবমিট

শুরু হল গেইল ঝড়

 স্পোর্টস রিপোর্টার 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 

ছয় উইকেটের জয়ে ছয় পয়েন্ট নিয়ে শেষ চারে খেলার আশা জিইয়ে রাখল সিলেট সুপার স্টারস। হেরেও ঢাকা
ডায়নামাইটসের পয়েন্ট আট। আজ এ দু’দলের শেষ ম্যাচ। সিলেট খেলবে কুমিল্লার বিপক্ষে। ঢাকার প্রতিপক্ষ বরিশাল। সিলেট জিতলে আর ঢাকা হারলে দু’দলের পয়েন্ট হবে সমান আট। তখন শ্রেয়তর রানরেটের বিবেচনায় শেষ চারের শেষ দল নির্ধারিত হবে। আর যদি ঢাকা জেতে, তাহলে সিলেট জিতলেও কোনো লাভ হবে না। রংপুর, কুমিল্লা ও বরিশাল আগেই শেষ চারে জায়গা করে নিয়েছে। বুধবার দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে ঘুমভাঙা গেইলের হার না মানা ৯২ রানে বরিশাল আট উইকেটে হারায় তামিমবিহীন চিটাগাং ভাইকিংসকে।
বুধবার মিরপুরে বিপিএলের ২৭তম ম্যাচে সিলেটের বড় জয়ে অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি অবদান রেখেছেন শেষ ওভারে পরপর দুটি ছয় মেরে। দুই বলে তার ১২ রানে সিলেট এক বল বাকি থাকতে ঢাকা ডায়নামাইটসের ১৫৭ টপকে যায়। ১৫৮ তাড়া করতে নামা সিলেটকে এগিয়ে দিয়েছিলেন জুনায়েদ সিদ্দিকী ও রবি বোপারা। দ্বিতীয় উইকেটে এ দু’জন ৮৬ রান তোলেন। আর আফ্রিদি ও সোহেল তানভির শেষ দুই ওভারে নেন ১৫ রান।
শেষ ওভারে সিলেটের প্রয়োজন ছিল ১০ রান। ফরহাদ রেজার প্রথম বলে এক রান নেন আফ্রিদি। দ্বিতীয় বলে আউট সোহেল তানভির। তৃতীয় বলে মুশফিকুর রহিম নেন এক রান। শেষ তিন বলে প্রয়োজন ছিল ৮। ফরহাদের লো-ফুলটস বলে লেগ-অনে ছয়, পরের বলেও একইভাবে আবারও ছয়। জুনায়েদ ও বোপারার পর আফ্রিদির ছোঁয়ায় জয় পেয়ে গেল সিলেট। ১৫৮ তাড়া করতে নেমে সিলেটের উদ্বোধনী জুটি ভাঙে পঞ্চম ওভারের শেষ বলে, ৩৬ রানে। জুনায়েদ ৫১ এবং ম্যাচসেরা বোপারা ৫৫ রান করেন।
এর আগে প্রথম ১০ ওভারে ৫৫ এবং পরের ১০ ওভারে ১০২ রান তোলে ঢাকা। উইকেট হাতে রেখে ব্যাট করার নীতিতে সফল সাঙ্গাকারার দল। শুরুটা করেন ফরহাদ রেজা। উদ্বোধনী জুটিতে ইয়াসির শাহকে সঙ্গে নিয়ে তোলেন ২৮ রান। ইয়াসির ১৮ বলে আট রান করে আউট হলেও রানের চাকা সচল রাখেন ফরহাদ। ব্যর্থ হন মোহাম্মদ হাফিজ। আগের ম্যাচে এক রানে আমিরের শিকার হওয়ার পর কাল আট রানে আবদুর রাজ্জাকের বলে আউট হয়েছেন হাফিজ। ফরহাদ রেজা ২৮ বলে ৩১ রান করে রবি বোপারার শিকার হন। চতুর্থ উইকেটে সাঙ্গাকারা ও নাসির হোসেন ৬৯ রানের জুটি গড়েন। এদিনও ঢাকার সর্বোচ্চ রান অধিনায়ক সাঙ্গাকারার। ৩৫ বলে ৪৭ করে মোহাম্মদ শহীদের বলে বোল্ড হন তিনি। নাসির হোসেন ৩১। শেষদিকে মোসাদ্দেক হোসেনের পাঁচ বলে অপরাজিত ১৩ রানে পাঁচ উইকেটে ১৫৭ রান করে ঢাকা। রাজ্জাক প্রথম দুই ওভারে ৯ রান দিয়ে দুই উইকেট নিলেও পরে আর তাকে বোলিংয়ে আনেননি আফ্রিদি।
 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র