jugantor
পৌর নির্বাচন ঘিরে নীলনকশায় ব্যস্ত বিএনপি : হানিফ

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

বিএনপি কোন উদ্দেশ্য নিয়ে পৌরসভা নির্বাচনে এসেছে তা পরিষ্কার নয় বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। তিনি বলেন, বিএনপি নেতাদের কথাবার্তা শুনে জাতির সন্দেহ হয়, আপনারা এ নির্বাচনকে বিতর্কিত করতেই হয়তো গভীর ষড়যন্ত্রের নীলনকশা বাস্তবায়ন করছেন।’ আপনাদের অনেক নেতাই নির্বাচন থেকে সরে যাব কি যাব না এমন ইঙ্গিত দিয়ে বক্তব্য রাখছেন। যাতে মনে হয় পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে আপনাদের ষড়যন্ত্র আছে।’

বুধবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দেয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, উপপ্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, নির্বাহী সদস্য সুজিত নন্দী রায়, আমিনুল ইসলাম আমিন প্রমুখ।

হানিফ বলেন, ‘বিএনপি নেত্রী বলেছেন গণতন্ত্রের স্বার্থেই নাকি তারা নির্বাচনে এসেছেন। এর চেয়ে হাস্যকর বক্তব্য আর কিছু হতে পারে না। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যে জাতীয় নির্বাচন তাতে আপনারা অংশ নিলেন না। আর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়ে আপনি গণতন্ত্র রক্ষা করবেন?’ সেনাবাহিনী নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যে সেনাবাহিনী আমাদের গর্ব। যে সেনাবাহিনীকে নিয়ে খালেদা জিয়া নিজেই একসময় গর্ব করেছিলেন। তাদের নিয়ে তিনি কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেয়া শুরু করেছেন। নিজে ক্ষমতায় থাকার জন্য উনি ভেবেছিলেন সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করতে পারবেন। সেটা করতে না পেরে তিনি আজ এ বক্তব্য দিলেন।’ খালেদা জিয়া সেনাবাহিনী সম্পর্কে এ ধরনের বক্তব্য দেয়া থেকে বিরত থাকলেই জাতি ভালো মনে করবে বলে তিনি মতপ্রকাশ করেন।



‘ডাইনির কবলে দেশ’ প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে দেয়া খালেদা জিয়ার এমন বক্তব্যের সমালোচনায় আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘ডাইনি কে তা আজ প্রমাণিত। একটা সময় আমরা রূপকথায় ডাইনিদের গল্প শুনতাম। আর আজ ছোট ছেলে-মেয়েরা আপনাকে ডাইনি হিসেবে দেখে।’

খালেদা জিয়ার আওয়ামী লীগ জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করেছে অভিযোগের জবাবে হানিফ বলেন, ‘খালেদা জিয়া যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন বাংলা ভাইয়ের উত্থান, ৬৩ জেলায় একযোগে সিরিজ বোমা হামলা, সিলেটের শাহজালাল (রা) মাজারে বোমা হামলা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার কথা মানুষ ভুলে যায়নি। তার সরকারের ছত্রছায়ায় ও পৃষ্ঠপোষকতায় এগুলো সৃষ্টি হয়েছে। আর এখন তিনি (খালেদা জিয়া) বলছেন, আওয়ামী লীগ নাকি জঙ্গি সৃষ্টি করেছে। এটা ভূতের মুখে রামনাম ছাড়া আর কিছু না। এর চেয়ে হাস্যকর মিথ্যাচার হতে পারে বলে আমি মনে করি না।’

খালেদা জিয়া র‌্যাবের মহাপরিচালককে ও আরেক শীর্ষ কর্মকর্তাকে নিয়ে যে কটূক্তি করেছেন তা উল্লেখ করে হানিফ বলেন, ‘র‌্যাবের মহাপরিচালকের সরাসরি নাম ধরে একজন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা কেন এ ধরনের আক্রমণাত্মক কথা বলেছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়।’ হানিফ বলেন, ‘২০০৪ সালে একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে আপনি র‌্যাব গঠন করেছিলেন। তখন আপনার সরকারের একটাই লক্ষ্য ছিল, সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা করা, নির্মূল করা।’



সাবমিট

পৌর নির্বাচন ঘিরে নীলনকশায় ব্যস্ত বিএনপি : হানিফ

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
বিএনপি কোন উদ্দেশ্য নিয়ে পৌরসভা নির্বাচনে এসেছে তা পরিষ্কার নয় বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ। তিনি বলেন, বিএনপি নেতাদের কথাবার্তা শুনে জাতির সন্দেহ হয়, আপনারা এ নির্বাচনকে বিতর্কিত করতেই হয়তো গভীর ষড়যন্ত্রের নীলনকশা বাস্তবায়ন করছেন।’ আপনাদের অনেক নেতাই নির্বাচন থেকে সরে যাব কি যাব না এমন ইঙ্গিত দিয়ে বক্তব্য রাখছেন। যাতে মনে হয় পৌরসভা নির্বাচন নিয়ে আপনাদের ষড়যন্ত্র আছে।’

বুধবার আওয়ামী লীগ সভাপতির ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার দেয়া বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানাতে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যাবিষয়ক সম্পাদক বদিউজ্জামান ভূঁইয়া ডাবলু, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, দফতর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ, উপপ্রচার সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, নির্বাহী সদস্য সুজিত নন্দী রায়, আমিনুল ইসলাম আমিন প্রমুখ।

হানিফ বলেন, ‘বিএনপি নেত্রী বলেছেন গণতন্ত্রের স্বার্থেই নাকি তারা নির্বাচনে এসেছেন। এর চেয়ে হাস্যকর বক্তব্য আর কিছু হতে পারে না। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যে জাতীয় নির্বাচন তাতে আপনারা অংশ নিলেন না। আর স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিয়ে আপনি গণতন্ত্র রক্ষা করবেন?’ সেনাবাহিনী নিয়ে খালেদা জিয়ার বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যে সেনাবাহিনী আমাদের গর্ব। যে সেনাবাহিনীকে নিয়ে খালেদা জিয়া নিজেই একসময় গর্ব করেছিলেন। তাদের নিয়ে তিনি কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেয়া শুরু করেছেন। নিজে ক্ষমতায় থাকার জন্য উনি ভেবেছিলেন সেনাবাহিনীকে ব্যবহার করতে পারবেন। সেটা করতে না পেরে তিনি আজ এ বক্তব্য দিলেন।’ খালেদা জিয়া সেনাবাহিনী সম্পর্কে এ ধরনের বক্তব্য দেয়া থেকে বিরত থাকলেই জাতি ভালো মনে করবে বলে তিনি মতপ্রকাশ করেন।



‘ডাইনির কবলে দেশ’ প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে দেয়া খালেদা জিয়ার এমন বক্তব্যের সমালোচনায় আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ‘ডাইনি কে তা আজ প্রমাণিত। একটা সময় আমরা রূপকথায় ডাইনিদের গল্প শুনতাম। আর আজ ছোট ছেলে-মেয়েরা আপনাকে ডাইনি হিসেবে দেখে।’

খালেদা জিয়ার আওয়ামী লীগ জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করেছে অভিযোগের জবাবে হানিফ বলেন, ‘খালেদা জিয়া যখন ক্ষমতায় ছিলেন তখন বাংলা ভাইয়ের উত্থান, ৬৩ জেলায় একযোগে সিরিজ বোমা হামলা, সিলেটের শাহজালাল (রা) মাজারে বোমা হামলা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার কথা মানুষ ভুলে যায়নি। তার সরকারের ছত্রছায়ায় ও পৃষ্ঠপোষকতায় এগুলো সৃষ্টি হয়েছে। আর এখন তিনি (খালেদা জিয়া) বলছেন, আওয়ামী লীগ নাকি জঙ্গি সৃষ্টি করেছে। এটা ভূতের মুখে রামনাম ছাড়া আর কিছু না। এর চেয়ে হাস্যকর মিথ্যাচার হতে পারে বলে আমি মনে করি না।’

খালেদা জিয়া র‌্যাবের মহাপরিচালককে ও আরেক শীর্ষ কর্মকর্তাকে নিয়ে যে কটূক্তি করেছেন তা উল্লেখ করে হানিফ বলেন, ‘র‌্যাবের মহাপরিচালকের সরাসরি নাম ধরে একজন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতা কেন এ ধরনের আক্রমণাত্মক কথা বলেছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়।’ হানিফ বলেন, ‘২০০৪ সালে একটি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে আপনি র‌্যাব গঠন করেছিলেন। তখন আপনার সরকারের একটাই লক্ষ্য ছিল, সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা করা, নির্মূল করা।’



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র