jugantor
অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ
বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে খালেদা জিয়া

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশে মানুষ একদলীয় স্বেচ্ছাচারী শাসন, গোষ্ঠী, বর্ণ ও জাতিগত সংঘাতে অবলীলায় খুন ও গুপ্ত হত্যার শিকার হচ্ছে এবং অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছে অসংখ্য মানুষ। বুধবার জাতিসংঘ ঘোষিত ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। বাণীতে স্বাক্ষর করেন সদ্যকারামুক্ত দলের যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রিজভী কারাগারে থাকাকালে দলের মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপনের স্বাক্ষরেই খালেদা জিয়ার বিবৃতি গণমাধ্যমে পাঠানো হতো।

খালেদা জিয়া বলেন, জাতিসংঘের সর্বজনীন ঘোষণায় বলা হয়েছে, বিশ্বের সব জাতির সব মানুষের মানবাধিকার সংরক্ষণের নিশ্চয়তা থাকতে হবে। কিন্তু দেশে দেশে নিষ্ঠুর স্বৈরাচারী শাসকরা জাতিসংঘ কর্তৃক মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণার নির্দেশনাগুলোকে তাচ্ছিল্য করে নিজ দেশের জনগণের ওপর চালিয়ে যাচ্ছে বর্বরোচিত আক্রমণ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন ভয়াবহ দুঃসময় বয়ে চলছে। ৫ জানুয়ারি-২০১৪ একতরফা নির্বাচনের পূর্বাপর বাংলাদেশকে বধ্যভূমিতে পরিণত করা হয়েছে। বর্তমান অবৈধ ক্ষমতাসীন জোট সীমাহীন রক্তপাত ও বেপরোয়া নিপীড়ন নির্যাতনের মধ্য দিয়ে জনগণের সব গণতান্ত্রিক অধিকারকে হরণ করে নিয়েছে। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার মানবাধিকারের পরিপূরক। বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের মানবাধিকার শূন্যের নিচে অবস্থান করছে। এদেশে শুধু বিরোধী দলের নেতাকর্মীরাই নয়, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, ছাত্র, শিক্ষক, শ্রমিক, নারী, শিশুসহ কারোরই কোনো নিরাপত্তা নেই। এদের অধিকাংশই গুম, গুপ্ত হত্যা এবং বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হচ্ছেন। সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করলেই বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা ছাড়াও দল নিরেপক্ষ রাজনৈতিক বিশ্লেষক, টকশো আলোচকদের বিরুদ্ধেও মিথ্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে এবং কাউকে কাউকে কারান্তরীণও করে রাখা হয়েছে।

খালেদা জিয়া বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে মনে হয় ৩৬৫ দিনই এদেশের কোথাও না কোথাও মানুষের মানবাধিকার হরণ করা হচ্ছে। সুতরাং এই নৈরাজ্যকর দুঃশাসনের ছোবল থেকে মুক্তি পেতে হলে আমাদের এই মুহূর্তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য এগিয়ে আসতে হবে। দেশের মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তার জন্য জনগণের মিলিত কণ্ঠের আওয়াজ তুলে বর্তমান অপশাসনের অবসান ঘটাতে হবে। জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার দিবসে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

অপর এক বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশে বর্তমানে যেভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে তা দেশের জন্য শুভ লক্ষণ নয় বলে মন্তব্য করেন।



সাবমিট

অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ

বিশ্ব মানবাধিকার দিবসে খালেদা জিয়া
 যুগান্তর রিপোর্ট 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া বলেছেন, বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশে মানুষ একদলীয় স্বেচ্ছাচারী শাসন, গোষ্ঠী, বর্ণ ও জাতিগত সংঘাতে অবলীলায় খুন ও গুপ্ত হত্যার শিকার হচ্ছে এবং অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে হাজার হাজার মানুষ। বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার হচ্ছে অসংখ্য মানুষ। বুধবার জাতিসংঘ ঘোষিত ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন। বাণীতে স্বাক্ষর করেন সদ্যকারামুক্ত দলের যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রিজভী কারাগারে থাকাকালে দলের মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপনের স্বাক্ষরেই খালেদা জিয়ার বিবৃতি গণমাধ্যমে পাঠানো হতো।

খালেদা জিয়া বলেন, জাতিসংঘের সর্বজনীন ঘোষণায় বলা হয়েছে, বিশ্বের সব জাতির সব মানুষের মানবাধিকার সংরক্ষণের নিশ্চয়তা থাকতে হবে। কিন্তু দেশে দেশে নিষ্ঠুর স্বৈরাচারী শাসকরা জাতিসংঘ কর্তৃক মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণার নির্দেশনাগুলোকে তাচ্ছিল্য করে নিজ দেশের জনগণের ওপর চালিয়ে যাচ্ছে বর্বরোচিত আক্রমণ।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখন ভয়াবহ দুঃসময় বয়ে চলছে। ৫ জানুয়ারি-২০১৪ একতরফা নির্বাচনের পূর্বাপর বাংলাদেশকে বধ্যভূমিতে পরিণত করা হয়েছে। বর্তমান অবৈধ ক্ষমতাসীন জোট সীমাহীন রক্তপাত ও বেপরোয়া নিপীড়ন নির্যাতনের মধ্য দিয়ে জনগণের সব গণতান্ত্রিক অধিকারকে হরণ করে নিয়েছে। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার মানবাধিকারের পরিপূরক। বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের মানবাধিকার শূন্যের নিচে অবস্থান করছে। এদেশে শুধু বিরোধী দলের নেতাকর্মীরাই নয়, সাংবাদিক, মানবাধিকার কর্মী, ছাত্র, শিক্ষক, শ্রমিক, নারী, শিশুসহ কারোরই কোনো নিরাপত্তা নেই। এদের অধিকাংশই গুম, গুপ্ত হত্যা এবং বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার হচ্ছেন। সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করলেই বিরোধী দলের নেতাকর্মীরা ছাড়াও দল নিরেপক্ষ রাজনৈতিক বিশ্লেষক, টকশো আলোচকদের বিরুদ্ধেও মিথ্যা মামলা দায়ের করা হচ্ছে এবং কাউকে কাউকে কারান্তরীণও করে রাখা হয়েছে।

খালেদা জিয়া বলেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে মনে হয় ৩৬৫ দিনই এদেশের কোথাও না কোথাও মানুষের মানবাধিকার হরণ করা হচ্ছে। সুতরাং এই নৈরাজ্যকর দুঃশাসনের ছোবল থেকে মুক্তি পেতে হলে আমাদের এই মুহূর্তে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রকৃত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য এগিয়ে আসতে হবে। দেশের মানুষের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তার জন্য জনগণের মিলিত কণ্ঠের আওয়াজ তুলে বর্তমান অপশাসনের অবসান ঘটাতে হবে। জাতিসংঘ ঘোষিত মানবাধিকার দিবসে এই হোক আমাদের অঙ্গীকার।

অপর এক বাণীতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশে বর্তমানে যেভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে তা দেশের জন্য শুভ লক্ষণ নয় বলে মন্তব্য করেন।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র