¦

এইমাত্র পাওয়া

  • হালনাগাদ ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ; নতুন ভোটার ৪৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৭ জন
মেহেরপুর পৌরসভায় পানির জন্য হাহাকার

মেহেরপুর প্রতিনিধি | প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০১৬

মেহেরপুর পৌরসভা পানি শাখা পৌরসভায় চাহিদামতো পানি সরবরাহ করতে পারছে না। পানি সংকটে হাসপাতাল ও বাসাবাড়ির বউ-ঝিয়েরা রান্নাবান্নার পানি পেতে নিকটবর্তী টিউবওয়েল থেকে পানি সংগ্রহ করছেন। মেহেরপুর পৌরসভার আহলে হাদিস জামে মসজিদের মুসল্লি রাকিবুল ইসলাম জানান- কিছুদিন আগেও পানি পাওয়া যেত। গত কয়েক মাস মুসল্লিরা ওজুর পানিও পাচ্ছেন না। বাড়ির লাইনে এক ঘণ্টায় দুই-তিন বালতি পানি পাওয়া যাচ্ছে। যা দিয়ে রান্নার কাজ করা হচ্ছে। গোসল সারতে হচ্ছে দূরের পুকুরে গিয়ে। নামাজের সময় এক সঙ্গে মুসল্লিরা কয়েকটি ট্যাপ ছাড়লে আর পানি পাচ্ছেন না।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চাহিদার অর্ধেকও পানি সরবরাহ করতে পারছে না পৌরসভা। ফলে গত দুই বছরে তিন শতাধিক গ্রাহক আবেদন করে পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে নিয়েছেন। আগামী গ্রীষ্মকালে পানি সরবরাহ কঠিন হয়ে পড়বে বলেও আশংকা করছে পৌর পানি শাখা। পৌর এলাকার মল্লিকপাড়ার পানির গ্রাহক মাহাবুবুর রহমানসহ অনেকেই অভিযোগ করেছেন, তাদের চাহিদার সিকিভাগ পানিও পাচ্ছেন না। অথচ পানি শাখা প্রতি মাসে তাদের কাছ থেকে পানির বিল নিচ্ছে ২৫০ টাকা করে।
মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালের রোগীরা অভিযোগ করেন তারা পানি না পেয়ে লাল রং দেয়া আর্সেনিকযুক্ত টিউবওয়েলের পানি পান করছেন।
পৌর পানি শাখার ভারপ্রাপ্ত সুপার মাসুদ রানা জানান, পৌর এলাকায় পানির গ্রাহক ৪ হাজার। এসব গ্রাহকের জন্য পানির চাহিদা ৮ হাজার ঘনমিটার। কিন্তু বর্তমানে পানি উৎপাদন হচ্ছে মাত্র তিন থেকে সাড়ে তিন হাজার ঘনমিটার। ৬টি পাম্পের মধ্যে তিনটিই বিকল হয়ে পড়ায় পানি উত্তোলন করে চাহিদা পূরণ করা যাচ্ছে না। পৌর পানি শাখার একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিশ্চিত করেছে- রিমুভ্যাল প্লান্টের মাধ্যমে ‘এনামডোজিং’ করে পানিকে আর্সেনিকমুক্ত করে গ্রাহকদের সরবরাহ করার কথা। কিন্তু যেটুকু পানি উত্তোলন হচ্ছে তা আর্সেনিকমুক্ত না করে সরাসরি সরবরাহ করা হচ্ছে।
পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী হারুন অর রশিদ দাবি করেছেন, অনেকেই পানির লাইনের সঙ্গে বৈদ্যুতিক মোটর লাগিয়ে পানি টেনে নেয়ার কারণে পানির গতি কমে যাচ্ছে। তবে প্রয়োজনীয় চাহিদার পানি উত্তোলনে ব্যর্থতার দায়ভার স্বীকার করেছেন।
পৌর মেয়র মোতাচ্ছিম বিল্লাহ মতু চাহিদামতো পানি সরবরাহের ব্যর্থতার কথা স্বীকার করে যুগান্তরকে বলেছেন, গো-হাটের কাছে নতুন পাম্প বসানো হবে। নতুন পাম্প বসানো হলে পানি সমস্যার সমাধান করা যাবে।
পৌরসভা নির্বাচন-২০১৫ পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close