jugantor
সিরাজগঞ্জে বড় দুই দলের মেয়র মনোনয়নে তৃণমূলে হতাশা

  জেহাদুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ থেকে  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ সদর পৌরসভায় মোট ৮জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিলেও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় প্রার্থী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ জনে। তারা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী সৈয়দ আবদুর রউফ মুক্তা, বিএনপির অ্যাডভোকেট মোকাদ্দেস আলী, জাতীয় পার্টির মির্জা ফারুক আহমেদ, জাসদের নাজমুল ইসলাম মুকুল, বাসদের নবকুমার কর্মকার, এলডিপির সাইফুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী টিআরএম নূর-ই আলম হেলাল। তবে বৃহৎ দুটি দলের প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। এসব দলের নেতা কর্মী ও সমর্থকরা মনে করেন, এবার দুটি দলই অধিকতর জনপ্রিয় প্রার্থী থাকতেও কম জনপ্রিয় প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, কম জনপ্রিয় প্রার্থী হওয়ায় সাধারণ ভোটাররা ইতিমধ্যেই ঝুঁকতে শুরু করেছে বিকল্প প্রার্থীর দিকে। এদিক থেকে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন বিএনপির পদবঞ্চিত মেয়র পদ প্রার্থী সাবেক মেয়র টিআরএম নূর-ই আলম হেলাল। অথচ দল দুটি যদি সঠিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দিত তাহলে এবারের নির্বাচনটা জমে উঠত। লড়াই হতো বাঘে-সিংহে। তথ্য অনুসন্ধানে দেখা যায়, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ অ্যাডভোকেট কেএম হোসেন আলী হাসান একজন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা, দক্ষ সংগঠক ও সমাজসেবক। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলে একজন শক্তিশালী প্রার্থী হতেন। গত পৌর নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোকাদ্দেস আলীর কাছে তিনি পরাজিত হন। দীর্ঘ ৯ বছর পর সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল ৮ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি সব পর্যায়ের নেতাকর্মীর কাছে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছিলেন। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন করা হলে তিনি অনায়াসে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়ে আসতেন। কিন্তু রাজনৈতিক গ্র“পিংয়ের কারণে তাকে হারাতে হয় ওই পদটিও। সিলেকশনে নেতা নির্বাচন করা হয়। এর কিছু দিনের মাথায় প্রায় বছরখানেক আগে তার একমাত্র ছেলে মাসুদ মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে অকালে প্রাণ হারায়। এসব কারণে তিনি প্রচণ্ড মানসিক চাপে পড়েন। যার ফলে এবারের পৌর নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণীপেশার মানুষের মাঝে তার প্রতি ব্যাপক সহানুভূতির সৃষ্টি হয়।



সাবমিট

সিরাজগঞ্জে বড় দুই দলের মেয়র মনোনয়নে তৃণমূলে হতাশা

 জেহাদুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জ থেকে 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে সিরাজগঞ্জ সদর পৌরসভায় মোট ৮জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিলেও একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হওয়ায় প্রার্থী সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ জনে। তারা হলেন- আওয়ামী লীগের প্রার্থী সৈয়দ আবদুর রউফ মুক্তা, বিএনপির অ্যাডভোকেট মোকাদ্দেস আলী, জাতীয় পার্টির মির্জা ফারুক আহমেদ, জাসদের নাজমুল ইসলাম মুকুল, বাসদের নবকুমার কর্মকার, এলডিপির সাইফুল ইসলাম ও স্বতন্ত্র প্রার্থী টিআরএম নূর-ই আলম হেলাল। তবে বৃহৎ দুটি দলের প্রার্থী মনোনয়ন নিয়ে দলের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে চলছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা। এসব দলের নেতা কর্মী ও সমর্থকরা মনে করেন, এবার দুটি দলই অধিকতর জনপ্রিয় প্রার্থী থাকতেও কম জনপ্রিয় প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে। বিশ্লেষকরা মনে করেন, কম জনপ্রিয় প্রার্থী হওয়ায় সাধারণ ভোটাররা ইতিমধ্যেই ঝুঁকতে শুরু করেছে বিকল্প প্রার্থীর দিকে। এদিক থেকে কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছেন বিএনপির পদবঞ্চিত মেয়র পদ প্রার্থী সাবেক মেয়র টিআরএম নূর-ই আলম হেলাল। অথচ দল দুটি যদি সঠিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দিত তাহলে এবারের নির্বাচনটা জমে উঠত। লড়াই হতো বাঘে-সিংহে। তথ্য অনুসন্ধানে দেখা যায়, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ অ্যাডভোকেট কেএম হোসেন আলী হাসান একজন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা, দক্ষ সংগঠক ও সমাজসেবক। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেলে একজন শক্তিশালী প্রার্থী হতেন। গত পৌর নির্বাচনে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোকাদ্দেস আলীর কাছে তিনি পরাজিত হন। দীর্ঘ ৯ বছর পর সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল ৮ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় তিনি সব পর্যায়ের নেতাকর্মীর কাছে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী হিসেবে ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছিলেন। পর্যবেক্ষকরা মনে করেন, ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন করা হলে তিনি অনায়াসে ব্যাপক ভোটের ব্যবধানে নির্বাচিত হয়ে আসতেন। কিন্তু রাজনৈতিক গ্র“পিংয়ের কারণে তাকে হারাতে হয় ওই পদটিও। সিলেকশনে নেতা নির্বাচন করা হয়। এর কিছু দিনের মাথায় প্রায় বছরখানেক আগে তার একমাত্র ছেলে মাসুদ মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে অকালে প্রাণ হারায়। এসব কারণে তিনি প্রচণ্ড মানসিক চাপে পড়েন। যার ফলে এবারের পৌর নির্বাচনে দলমত নির্বিশেষে সব শ্রেণীপেশার মানুষের মাঝে তার প্রতি ব্যাপক সহানুভূতির সৃষ্টি হয়।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র