jugantor
জেনে নিন
আতাকামা মরুভূমি

  প্রকৃতি ও জীবন ডেস্ক  

১৯ জুলাই ২০১৪, ০০:০০:০০  | 

পৃথিবীর সবচেয়ে শুষ্কতম স্থানের একটি হল আতাকামা মরুভূমি যা উত্তর চিলির একটি বিশাল জায়গা জুড়ে অবস্থান করছে। বিজ্ঞানীরা এই মরুভূমির প্রকৃত সংজ্ঞা দেয়ার জন্য একে বলে থাকেন Absolute Desert, আবহাওয়াবিদদের মতে, এখানে প্রায় ১৫৭০ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ ৪০০ বছর কোনো বৃষ্টি হয়নি। তাদের মতে এখানে প্রতি ১০০ বছরে গড়ে ৩ থেকে ৪ বার বৃষ্টি হয়। অবশ্য গত তিন চারশ’ বছরে এই নিয়মের ব্যতিক্রম দেখা যায়। আতাকামা মরুভূমির একদিকে রয়েছে প্রশান্ত মহাসাগরের অথৈ জলরাশি অন্যদিকে আন্দিজ পর্বতমালা।

আতাকামা মরুভূমি উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং এটির আয়তন প্রায় ৩,৬৩,০০০ বর্গকিলোমিটার। বিশাল এই জায়গায় হাজার প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণিবৈচিত্র্য থাকার কথা থাকলেও যুগের পর যুগ বৃষ্টি না হওয়ার কারণে এখানকার পরিবেশ সম্পূর্ণ আলাদা। মাইলের পর মাইল হেঁটে গেলেও দেখা যাবে না কোনো উদ্ভিদ বা প্রাণী। অবাক করা বিষয় হল, এতটা অনাবৃষ্টি আর পৃথিবীর শুষ্কতম স্থান হওয়ার পরও এ অঞ্চলের তাপমাত্রা গ্রীষ্মকালে গড়ে ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে। নানাবিধ প্রতিকূলতা থাকার পরও এই মরুভূমির আশপাশের এলাকায় বাস করে প্রায় দশ লাখ মানুষ। আতাকামার নিচে রয়েছে খনিজ সম্পদের এক বিশাল ভাণ্ডার।



সাবমিট
জেনে নিন

আতাকামা মরুভূমি

 প্রকৃতি ও জীবন ডেস্ক 
১৯ জুলাই ২০১৪, ১২:০০ এএম  | 
পৃথিবীর সবচেয়ে শুষ্কতম স্থানের একটি হল আতাকামা মরুভূমি যা উত্তর চিলির একটি বিশাল জায়গা জুড়ে অবস্থান করছে। বিজ্ঞানীরা এই মরুভূমির প্রকৃত সংজ্ঞা দেয়ার জন্য একে বলে থাকেন Absolute Desert, আবহাওয়াবিদদের মতে, এখানে প্রায় ১৫৭০ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত অর্থাৎ ৪০০ বছর কোনো বৃষ্টি হয়নি। তাদের মতে এখানে প্রতি ১০০ বছরে গড়ে ৩ থেকে ৪ বার বৃষ্টি হয়। অবশ্য গত তিন চারশ’ বছরে এই নিয়মের ব্যতিক্রম দেখা যায়। আতাকামা মরুভূমির একদিকে রয়েছে প্রশান্ত মহাসাগরের অথৈ জলরাশি অন্যদিকে আন্দিজ পর্বতমালা।

আতাকামা মরুভূমি উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং এটির আয়তন প্রায় ৩,৬৩,০০০ বর্গকিলোমিটার। বিশাল এই জায়গায় হাজার প্রজাতির উদ্ভিদ ও প্রাণিবৈচিত্র্য থাকার কথা থাকলেও যুগের পর যুগ বৃষ্টি না হওয়ার কারণে এখানকার পরিবেশ সম্পূর্ণ আলাদা। মাইলের পর মাইল হেঁটে গেলেও দেখা যাবে না কোনো উদ্ভিদ বা প্রাণী। অবাক করা বিষয় হল, এতটা অনাবৃষ্টি আর পৃথিবীর শুষ্কতম স্থান হওয়ার পরও এ অঞ্চলের তাপমাত্রা গ্রীষ্মকালে গড়ে ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে। নানাবিধ প্রতিকূলতা থাকার পরও এই মরুভূমির আশপাশের এলাকায় বাস করে প্রায় দশ লাখ মানুষ। আতাকামার নিচে রয়েছে খনিজ সম্পদের এক বিশাল ভাণ্ডার।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র