¦
জেনে নিন

| প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

গাছও কথা বলে
প্রকৃতি ও জীবন ডেস্ক
গাছেরও জীবন আছে- এমন কথা বলেছিলেন বিজ্ঞানী জগদীশচন্দ্র বসু। কিন্তু অতিসম্প্রতি বিজ্ঞানীরা আরও ব্যাপক গবেষণা চালিয়ে আবিষ্কার করেছেন- গাছ কথা বলতে পারে, একে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। বিপদের আশংকা দেখলে আশপাশের গাছ বন্ধুদের আগেভাগে সতর্ক করে দেয়। আমাদের আবহাওয়া বিভাগ যেমন বন্যা, জলোচ্ছ্বাস বা ঘূর্ণিঝড়ের সংকেত দিয়ে মানুষকে সাবধান করে, তেমনি গাছও একে অপরকে বিপদ সংকেত পাঠায়!
জাপানের কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী পরীক্ষা করে দেখেছেন- জাপানের লিমা শিমগাছ কীভাবে লাল-মাকড়সা আর ছোট পোকার আক্রমণ থেকে বাঁচার ব্যবস্থা করে এবং অন্য গাছদের সতর্ক করে দেয়। উচ্চ শব্দ করে নয়; শিমগাছ বিপদ-সংকেত পাঠায় নীরবে এক বিস্ময়করভাবে। সে তার সব প্রতিবেশীর কাছে এক ধরনের রাসায়নিক সংকেত পাঠায়। শত্র“র আক্রমণের সংকেত পেয়ে অন্য গাছগুলো সাবধান হয়ে যায় এবং আÍরক্ষার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করে। উল্লেখ্য, পৃথিবীর সব গাছেরই কোনো না কোনো গুণ রয়েছে, যা তাদের আলাদা বৈশিষ্ট্য দিয়েছে। ভিন্ন ভিন্ন রাসায়নিক বৈশিষ্ট্যের কারণেই কোনো গাছ খুব সুস্বাদু হয় আবার কোনো গাছ হয় বিষাক্ত। এসব উপাদানই গাছ খেকো কীট-পতঙ্গদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট এ রাসায়নিক উপাদান কখনও শত্রুকে কাছে আসতে নিরুৎসাহিত করে আবার কখনও তাদের মেরেও ফেলতে পারে।
হাতির গোপন ভাষা
প্রকৃতি ও জীবন ডেস্ক
স্থলভাগের সবচেয়ে বড় প্রাণী হাতি। হাতির ভাব বিনিময়ের ভাষা নিয়ে বিজ্ঞানীরা গবেষণা করছেন। এ গোপন ও সাংকেতিক ভাষা বুঝতে তারা বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করছেন। তারা গবেষণার স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সান দিয়েগো চিড়িয়াখানাকে। হাতির উচ্চস্বরের সঙ্গে মানুষ পরিচিত। কিন্তু এ গর্জনের সঙ্গে অনেক সময় ক্রোধও থাকে। তাদের অনেক শব্দের কম্পাংক এতই কম যে সেসবের দুই-তৃতীয়াংশই মানুষ শুনতে পায় না। গবেষকরা একে বলেছেন গোপন ভাষা। এসব অশ্রাব্য শব্দ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে গবেষকরা ওই চিড়িয়াখানার আটটি স্ত্রী হাতির গায়ে খুব কম কম্পাংকের শব্দ ধরতে সক্ষম মাইক্রো ফোন এবং জিপিএস ট্র্যাকিং সিস্টেম যুক্ত করেন। বিভিন্ন সময়ে হাতির অস্ফুট শব্দগুলোর শ্রাব্য ও অশ্রাব্য শব্দ নিয়ে গবেষক দলের প্রধান ড. ম্যাট এন্ডারসন জানান, সন্তান জন্ম দেয়ার আগে কীভাবে স্ত্রী হাতিগুলো দলের অন্য হাতিদের জানায়, তাদের প্রসবের সময় আসন্ন। দুই বছর গর্ভধারণের পর শেষ ১২ দিনে তাদের ডাকের মধ্যে এ ধরনের পরিবর্তন দেখা যায়। এ সময় স্ত্রী হাতিগুলো পুরো হাতির দলকে হায়েনা বা মাংসাশী প্রাণীর আক্রমণ সম্পর্কে সতর্ক করে দেয়।
বানরের ভাষা
প্রকৃতি ও জীবন ডেস্ক
বানরদের ভাষা অনেক বেশি জটিল- সাম্প্রতিক বিজ্ঞানীদের এক গবেষণা থেকে এ তথ্য প্রকাশিত হয়। অঞ্চল ভেদে বানরদের বিভিন্ন ভাষারও প্রচলন রয়েছে। ডেইলি মেইলের এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানা যায়।
ক্যাম্পবেল জাতের বানরদের নিয়ে গবেষণাটি করা হয় সিয়েরা লিওন ও আইভরিকোস্টে। এতে দেখা যায়, বানররা পরস্পরকে বিপদের সংকেত পাঠাতে ভাষার ব্যবহার করে। এছাড়া রয়েছে তাদের নিজস্ব বাক্য ব্যবহারের রীতি। গবেষকরা দেখেছেন, বিভিন্ন অঞ্চলের বানররা তাদের নানা বিষয় পরস্পরকে বোঝানোর জন্য ভিন্ন ভাষার ব্যবহার করে। এ প্রজাতির বানরের হোক শব্দের অর্থ আকাশ থেকে কোনো বিপজ্জনক হুমকি আসা। সাধারণত ঈগল দেখলে এ শব্দ করে তারা। বানর ক্স্যাক শব্দটি সাধারণত চিতাবাঘের মতো শত্র“ এলে পরস্পরকে সতর্ক করার জন্য ব্যবহার করে। এছাড়া এ শব্দটি সাধারণ একটি সতর্কবাণী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যে কোনো ধরনের সমস্যা হলেই তারা এমন শব্দ করে।
প্রকৃতি ও জীবন পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close