¦
বৈচিত্র্যময় টিকটিকি

প্রকৃতি ও জীবন ডেস্ক | প্রকাশ : ১৮ এপ্রিল ২০১৫

জীবজগতে টিকটিকি আমাদের অতি পরিচিত সরীসৃপ। বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন প্রজাতির টিকটিকি থাকলেও আমেরিকা মহাদেশে দেখা যায় অদ্ভুত এক প্রজাতির টিকটিকি, যার নাম Green Basilisk. বৈজ্ঞানিক নাম : Basiliscus plumifrons. এদের বাস হন্ডুরাস থেকে নিকারাগুয়া ও কোস্টারিকা হয়ে পানামার বনাঞ্চলে। এরা পানির ওপর দিয়ে অনায়েসে হাঁটতে পারে। এ সময় এদের দেহের ভারসাম্য রক্ষার কাজটি করে তাদের বড় ও শক্তিশালী লেজ। শুধু তাই নয়, এরা খুব সুন্দর সাঁতারও কাটতে পারে, এমনকি প্রয়োজনে পানির নিচে একটানা ৩০ মিনিট পর্যন্ত ডুব দিয়ে থাকতে পারে। এরা দেখতে সবুজ রঙের; অনেকটা গাছের পাতার মতো। সবুজ দেহে রয়েছে নীলচে দাগের বর্ণিল পরশ। লেজে রয়েছে হলদে সবুজ ও কালচে বলয়। অনিন্দ্যসুন্দর এ প্রাণীটি লম্বায় প্রায় ৩ ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে, যার বেশিরভাগ অংশই লেজ। লেজের দৈর্ঘ্য গড়ে প্রায় ২ ফুট। পুরুষদের দেহে ৩টি চমৎকার ঝুঁটি দেখা যায়। একটি ঝুঁটি মাথার ওপর, একটি পিঠের ওপর আর বাকিটি থাকে লেজের ওপর। তবে স্ত্রীদের দেহে ১টি ঝুঁটি দেখা যায়, যা এদের মাথার ওপর অবস্থিত। ঝুঁটির এমন বিন্যাস তাদের করেছে বৈচিত্র্যময়। এরা সর্বভূক প্রাণী। কীটপতঙ্গ, ইঁদুরজাতীয় ছোট স্তন্যপায়ী প্রাণী প্রভৃতি খেয়ে জীবনধারণ করে। এছাড়া ফলমূলও খায়। এরা টেরিটোরিয়াল; একটি পুরুষ টিকটিকির অধীনে বেশ কয়েকটি স্ত্রী টিকটিকি থাকে। প্রজনন মৌসুমে স্ত্রী টিকটিকি শুকনো বালিয়াড়িতে কিংবা মাটিতে ৫ থেকে ১৫টি ডিম পাড়ে। প্রায় ৮ থেকে ১০ সপ্তাহের মধ্যেই ডিম ফুটে বাচ্চা বের হয়।
 

প্রকৃতি ও জীবন পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close