¦

এইমাত্র পাওয়া

  • রাজধানী বাদে সারাদেশে আগামীকাল বিএনপির প্রতিবাদ মিছিল
এরশাদের ছোট ভাই মোজাম্মেল হোসেন লালুর দাফন সম্পন্ন

রংপুর ব্যুরো | প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৪

সাবেক রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সংসদ সদস্য হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ছোট ভাই সাবেক সংসদ সদস্য মোজাম্মেল হোসেন লালুর জানাজা মঙ্গলবার বিকালে অনুষ্ঠিত হয়েছে। রংপুর মহানগরীর কেরামতিয়া জামে মসজিদ মাঠে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় নেতা ও এরশাদপত্নী রওশন এরশাদ, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সমবায় প্রতিমন্ত্রী মসিউর রহমান রাঙ্গা, পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী জিএম কাদের, দলের প্রেসিডিয়াম ও সংসদ সদস্য রুহুল আমীন হাওলাদারসহ দলের জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন তার একমাত্র ছেলে সাবেক সংসদ সদস্য হোসেন মকবুল শাহরিয়ার, আওয়ামী লীগের জেলা ও মহানগর নেতৃবৃন্দসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং প্রশাসনের কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ। এরশাদের ভাই জিএম কাদেরসহ সকালে বিমানে সৈয়দপুর হয়ে রংপুরের স্কাইভিউ বাসভবনে আসেন। সেখানে তিনি পৌঁছলে স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় এরশাদ নিজেও অশ্র“সিক্ত হয়ে পড়েন।
মোজাম্মেল হোসেন লালু (৮১) সোমবার রাত ১১টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিলাহি ... রাজিউন)। স্বজনরা জানান, কিছুদিন ধরে লালু হৃদরোগে ভুগছিলেন। সোমবার রাতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত ডাক্তাররা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে নগরীতে শোকের ছায়া নেমে আসে। দলের নেতাকর্মীরাসহ স্বজনরা তার পৈতৃক বাড়ি নিউ সেনপাড়া স্কাইভিউ বাসভবনে ছুটে যান। মৃত্যুকালে তিনি এক ছেলে ও ২ মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মোজাম্মেল হোসেন লালু কুড়িগ্রাম-৩ আসন (উলিপুর) থেকে ১৯৯৬ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন ব্যাংকার ছিলেন। জনতা ব্যাংকে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার পদে চাকরি করে অবসরে যান। এরপর ১৯৯০ সালে তার বড় ভাই এরশাদ রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করার পর গ্রেফতার হলে লালু তার ভাইয়ের মুক্তির জন্য এরশাদ মুক্তি পরিষদ গঠন করে রংপুর অঞ্চলে ব্যাপক গণসংযোগ করে এরশাদের মুক্তির আন্দোলনকে বেগবান করতে বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি পার্টির জেলা ও কেন্দ্রীয় পর্যায়ে বিভিন্ন সময় নানা পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। মৃত্যুর আগে তিনি সপরিবারে তাদের পৈতৃক নিবাস রংপুর নগরীর নিউ সেনপাড়া মহল্লায় অবস্থিত স্কাইভিউ বাসভবনে বসবাস করতেন। মঙ্গলবার বাদ আসর জানাজা শেষে তার লাশ মুন্সিপাড়া কবরস্থানে বাবা ও মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়। বাবা অ্যাডভোকেট মকবুল হোসেন ও মা মজিদা খাতুনের ৯ সন্তানের মধ্যে তিনি ছিলেন চতুর্থ সন্তান। সিলেট জাতীয় পার্টির নেতারা শোকবার্তায় শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান।
খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close