¦
বেনাপোল বন্দরে ভয়াবহ পণ্যজট : আমদানি বন্ধ

বেনাপোল প্রতিনিধি | প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের টানা অবরোধে বেনাপোল স্থলবন্দর থেকে আমদানিকৃত পণ্য খালাস না হওয়ায় বিপুল পণ্যজট দেখা দিয়েছে। বন্দরের পণ্যাগারে ঠাঁই না হওয়ায় খোলা আকাশের নিচে নামিয়ে রাখা হচ্ছে কোটি কোটি টাকার আমদানিকৃত পণ্য। এছাড়াও খালাসে জায়গা না পেয়ে বন্দর এলাকার বিভিন্ন সড়কে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে শত শত ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাক। এদিকে দিনের পর দিন আমদানি পণ্য নিয়ে ভারতীয় ট্রাক আটকে থাকায় ক্ষতির আশংকায় উদ্বিগ্ন আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন জানান, বন্দরে প্রতিদিন গড়ে ৩৫০টি ভারতীয় ট্রাক আমদানি পণ্য নিয়ে আসে। অন্যদিকে প্রায় ৫০০ বাংলাদেশি ট্রাক আমদানি পণ্যের চালান নিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানের উদ্দেশ্য বন্দর ছাড়ে। কিন্তু লাগাতার অবরোধে আমদানি পণ্য নিয়ে বন্দর ছেড়ে যাওয়া ট্রাকের সংখ্যা অর্ধেকে নেমে এসেছে। এতে বন্দরে আমদানি পণ্যের জটলা স্মরণকালের রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। একটি ট্রাক বন্দরে একদিন অপেক্ষা করলে আমদানিকারককে দুই হাজার টাকা করে অতিরিক্ত ট্রাক ভাড়া গুণতে হয়। গুদামে পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় পণ্য খালাস করতে সাত থেকে দশ দিন সময় লেগে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে ভারত থেকে পণ্য আমদানি আপাতত বন্দ রাখা হয়েছে।
বেনাপোল বন্দরের সহকারী-পরিচালক (ট্রাফিক) মনিরুল ইসলাম জানান, বেনাপোল স্থলবন্দরে পণ্য ধারণ ক্ষমতা ৪২ হাজার মেট্রিক টন। অবরোধ হরতালে পণ্য খালাস না হওয়ায় তা বেড়ে ৮০ হাজার মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে। এ কারণে বন্দরের ৩৬টি গুদাম, পাঁচটি ইয়ার্ড, একটি ট্রান্সশিপমেন্ট এবং দুটি টার্মিনালের কোথাও কোনো জায়গা নেই। বন্দরের দুটি টার্মিনালে মোট এক হাজার ট্রাকের ধারণ ক্ষমতা থাকলেও পণ্য খালাস না হওয়ায় প্রায় দুই হাজার ভারতীয় ট্রাকের জটলা তৈরি হয়েছে।
খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close