¦
রোগীর চাপে হিমশিম বার্ন ইউনিট

শিপন হাবীব | প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের চিকিৎকরা। বিভিন্ন জায়গা থেকে ডাক্তার-নার্স এনে দগ্ধ রোগীদের সেবা নিশ্চিত করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। দেড়শ শয্যার এ বার্ন ইউনিটে রোগী ভর্তি রয়েছে প্রায় সাড়ে ছয়শ। এত রোগীর চিকিৎসায় কমপক্ষে ২২৫ জন চিকিৎসক প্রয়োজন। রয়েছেন মাত্র ১৬ জন। প্রায় ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও বাস্তবায়িত হয়নি বার্ন ইউনিটকে ইন্সটিটিউটে রূপান্তরিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা।
বার্ন ইউনিট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে বার্ন ইউনিটটিকে ইন্সটিটিউটে রূপান্তরের মাধ্যমে নতুন ডাক্তার, নার্স ও প্যারামেডিক নিয়োগ দিতে না পারলে ভবিষ্যতে দগ্ধ রোগীদের চিকিৎসা সুবিধা তলানিতে গিয়ে ঠেকবে। দেশে বর্তমানে ৫৩ জন প্রশিক্ষিত বার্ন চিকিৎসক থাকলেও প্রশিক্ষিত কোনো নার্স, প্যারামেডিক নেই। এ অবস্থায় রাজধানীর বাইরে থাকা দেশের ১১টি হাসপাতালে নামমাত্র বার্ন ইউনিট থাকলেও সেগুলোতে পর্যাপ্ত সরঞ্জাম, ডাক্তার, নার্স ও জনবল নেই। রাজধানীর ভেতরে অবস্থিত মিটফোর্ড, কুর্মিটোলা, সোহরাওয়ার্দী ও মুগদা হাসপাতালের বার্ন ইউনিটেও এ সংকট রয়েছে। ঢামেক হাসপাতাল বার্ন ইউনিটের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক প্রফেসর ডা. সামন্ত লাল সেন যুগান্তরকে জানান, বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ৭ লাখ লোক নানা কারণে অগ্নিদগ্ধ হয়। অগ্নিদগ্ধ এসব রোগীর চিকিৎসায় কমপক্ষে দুই হাজার প্রশিক্ষিত চিকিৎসক প্রয়োজন। বর্তমানে রয়েছেন মাত্র ৫৩ জন। যাদের মধ্যে ২৩ জন ঢাকায়, বাকিরা ঢাকার বাইরে দায়িত্ব পালন করছেন। ডা. সামন্ত লাল আরও বলেন, ১৯৮৬ সালে বার্ন ইউনিট তৈরির পরিকল্পনা করেন তিনি। ২০০৩ সালের দিকে এ ইউনিটটি তৈরি হয়। উদ্বোধন হয় ২০০৬ সালে। যৎসামান্য শয্যা নিয়ে এটি চালু হলেও এখন দেড়শ শয্যা নিয়ে ইউনিটটি চলছে। তবে বার্ন ইউনিটটি ৩শ শয্যায় উন্নীত করার নীতিগত সিদ্ধান্ত থাকলেও তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। বার্ন ইউনিটের প্রকল্প পরিচালক প্রফেসর মো. আবুল কালাম যুগান্তরকে জানান, বর্তমানে বার্ন ইউনিটে যেসব ডাক্তার, নার্স ও স্টাফ রয়েছেন তারা দিন-রাত দায়িত্ব পালন করছেন।
খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close