¦
চাঁপাইয়ে সোনালী ব্যাংকে কোটি টাকা আত্মসাৎ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি | প্রকাশ : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

সোনালী ব্যাংক চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগে জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় এক কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা ফাঁস হয়ে যাওয়ায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। কয়েক দফা তদন্তে ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের অভিযোগের প্রমাণ মেলায় ইতিমধ্যেই ২৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা ব্যাংকে ফিরিয়ে দিয়েছে জড়িত চক্রটি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রধান শাখার বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগের তৎকালীন দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা বর্তমানে নাচোল শাখার ম্যানেজার সাঈদ সুলতান ওয়াহিদুন্নবীকে প্রত্যাহার করে আঞ্চলিক কার্যালয়ে আনা হয়েছে।
জানা গেছে, ২০০৮ সালের ৪ ডিসেম্বর সোনালী ব্যাংক চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রধান শাখায় বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগে ৪৬ লাখ ৩৮ হাজার ৩৮৫ টাকার বিপরীতে আমদানিকারকদের তিনটি বিল রয়েছে। এর মধ্যে (রেফারেন্স নং-০৮৩ পি.আই.বি.সি -০৬৭৮০৮) বিলের ১৯ লাখ ১০ হাজার ৫৩৭ টাকা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টে দুইবার পরিশোধ দেখিয়ে আত্মসাৎ করা হয়েছে। এছাড়া এই টাকার হিসাব ব্যাংকের এফ.ই.টি রেজিস্ট্রারে কোনো এন্ট্রি নেই। আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সোনালী এক্সপোর্টের যোগসাজশে সোনালী ব্যাংক চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখায় বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগের তৎকালীন দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা সাঈদ সুলতান ওয়াহিদুন্নবী এই টাকা আত্মসাৎ করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। গত বছরের নভেম্বর মাসে ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ তদন্তে আত্মসাতের ঘটনাটি জানতে পারে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। শুরুতেই বিষয়টি তদন্ত করে সোনালী ব্যাংক চাঁপাইনবাবগঞ্জ আঞ্চলিক অফিস। এরপর ব্যাংকের রাজশাহীর মহাব্যস্থাপকের অফিসও তদন্ত করে বিষয়টি। দুটি তদন্ত রিপোর্টেই ঘটনার সত্যতা মিলে। রাজশাহী মহাব্যবস্থাপকের অফিস গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্টে সোনালী ব্যাংক চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখার বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগে আরও বড় ধরনের দুর্নীতি ও অনিয়ম থাকতে পারে- এমন আশংকায় প্রধান কার্যলায় থেকে তদন্তের জন্য সুপারিশ করা হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে প্রধান কার্যালয়ের ব্রাঞ্চেস ইন্সপেকশন অ্যান্ড মনিটরিং বিভাগের ঊর্ধ্বতন নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আনিসুজ্জামানের নেতৃত্বে দুই সদস্যের একটি টিম চাঁপাইনবাবগঞ্জে তদন্ত এসে শাখায় বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগে প্রায় ১ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ পান। অভিযুক্ত কর্মকর্তা সাঈদ সুলতান ওয়াহিদুন্নবীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তিনি ভুল করে ডাবল পেমেন্ট দেখানোই এই ঘটনা ঘটেছে।
খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close