¦
খুলনা ও যশোরের রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলে উৎপাদন ব্যাহত

খুলনা ব্যুরো | প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

কাঁচা পাট সংকটের কারণে খুলনা ও যশোর অঞ্চলের ৯টি রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকলে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। বর্তমানে উৎপাদন অর্ধেকের নিচে নেমে গেছে। অবরোধ ও হরতালের কারণে পাট মিলে সরবরাহ বিঘিœত হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। এর মধ্যে ৫ দফা দাবিতে পাটকলগুলোতে আন্দোলন শুরু করেছে শ্রমিকরা। এতে পাটকলগুলোতে উৎপাদনে ব্যাহত হচ্ছে।
খুলনার ক্রিসেন্ট জুট মিলের প্রকল্প প্রধান গাজী শাহাদাৎ হোসেন বলেন, মন্ত্রণালয়ের কাছে একাধিকবার চাহিদাপত্র দিয়েও পাট ক্রয়ের অর্থ পাওয়া যায়নি। ফলে মিলের জন্য প্রযোজনীয় পাটের মজুদ হয়নি। এখন পাট সংকটের মধ্যে উৎপাদন অর্ধেকেরও নিচে নেমেছে। হরতাল ও অবরোধের মধ্যে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় কিছু পাট সংগ্রহ করে মিল চালু রাখা হচ্ছে।
২০১৪ সাল জুড়ে নানা সংকটে কাটে খুলনা ও যশোর অঞ্চলের পাটকলগুলো। চলতি বছরের শুরু থেকে কাঁচা পাট সংকটে মিলগুলোতে উৎপাদন কমে যায়। আগে ৯টি পাটকলে ৩শ থেকে পৌঁনে ৪শ টন পাটজাত পণ্য উৎপাদন হতো। এখন উৎপাদন ১৩০ থেকে ১৪০ টনে নেমেছে। ক্রিসেন্ট জুট মিলে প্রতিদিন ৮৯ টনের স্থলে ৩০-৩২ টন, প্লাটিনাম জুট মিলে ৭১ টনের স্থলে ২০-২১ টন, খালিশপুর জুট মিলে ৬৬ টনের স্থলে ২৮-২৯ টন, দৌলতপুর জুট মিলে ২০ টনের স্থলে ৮-৯ টন, স্টার জুট মিলে ৪৫ টনের স্থলে ১৪-১৫ টন, আলিম জুট মিলে ১৯ টনের স্থলে ৫-৬ টন, ইস্টার্ন জুট মিলে ২৪ টনের স্থলে ১২-১৩ টন, নওয়াপাড়া রাজঘাটের কার্পেটিংয়ে ৯ টনের স্থলে ৫-৬ টন এবং জেজেআইতে ৩২ টনের স্থলে ১২-১৩ টন পণ্য উৎপাদন হচ্ছে। কাঁচা পাট সংকটের পাশাপাশি মিলগুলোতে উৎপাদিত পণ্যও রফতানি করা যাচ্ছে না। ফলে ৯ মিলের মধ্যে বর্তমানে আলিমে ১১৯৮ টন, কার্পেটিংয়ে ২৫৭ টন, ক্রিসেন্টে ৩৫৮০ টন, দৌলতপুরে ১২৭৬ টন, ইস্টার্নে ১৩০০ টন, জেজেআইতে ২১৫০ টন, খালিশপুরে ৪১০০ টন, প্লাটিনামে ৩৭০০ টন এবং স্টারে ২২০০ টন পাটজাত পণ্য মজুদ রয়েছে।
বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশনের (বিজেএমসি) খুলনা আঞ্চলিক কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, বহির্বিশ্বে পাটজাত পণ্যের অর্ডার থাকলেও হরতাল-অবরোধের কারণে মংলা ও চট্টগ্রাম বন্দরে ট্রাক যাচ্ছে না। এজেন্সিগুলোতে যে কাঁচা পাট কেনা রয়েছে, সেগুলোও আনা যাচ্ছে না। রাজনৈতিক অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে সড়ক পথে পরিবহন হচ্ছে না। এ অবস্থায় নদীপথে কিছু পাট আনা হলেও ঝুঁকি কমছে না। এজেন্সিতে কেনা পাটসহ ব্যবসায়ীদের গুদামে থাকা পাট কম হলেও মিলে আনার মাধ্যমে মিলগুলো চালু রাখার চেষ্টা চলছে। তিনি অর্থ সংকট থাকলেও প্রকল্প প্রধানরা পণ্য বিক্রি করে অর্থ দিয়ে পাট ক্রয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন।
খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close