¦
মহিউদ্দিন চৌধুরীর মামলার বিচার শুরুর আগেই পাঁচ বছর পার

চট্টগ্রাম ব্যুরো | প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) নির্বাচন ২০১০ বাতিলের দাবিতে মেয়র প্রার্থী ও নগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী মামলা দায়ের করেছিলেন নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে। অভিযোগ ছিল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এম মনজুর আলম বিদ্যুৎ বিল খেলাপি ছিলেন। জোরপূর্বক ভোট কেন্দ্র দখল, টাকা দিয়ে ভোট কেনা, ভোটারদের নানাভাবে প্রভাবিত করাসহ নির্বাচনী আচরণবিধি চরমভাবে লংঘন করেছেন। এসব অভিযোগ সে সময়ে রিটার্নিং অফিসার বরাবরে দাখিল করা হয়। নির্বাচনী ফলাফলের গেজেট প্রকাশ থেকে বিরত থাকার আবেদন জানানো হয়। কিন্তু কোনো কিছুকেই আমলে নেয়া হয়নি। এ কারণেই মহিউদ্দিন চৌধুরী নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে সিটি কর্পোরেশনের সামগ্রিক নির্বাচন বাতিল ঘোষণা করে আবেদনের পক্ষে ডিক্রি কামনা করেন আদালতের কাছে। এতে বিবাদী করা হয়েছিল বিজয়ী প্রার্থী বিএনপি সমর্থিত এম মনজুর আলমসহ প্রতিদ্বন্দ্বী অন্যসব মেয়র প্রার্থী ও প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে।
২০১০ সালের ১৭ জুন বহুল আলোচিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বিজয়ী মেয়র ও কাউন্সিলররা শপথ গ্রহণের পর পরবর্তী বছরের ২৬ ফেব্র“য়ারি প্রথম সাধারণ সভায় মিলিত হন। সে হিসাবে আজ ২৬ ফেব্র“য়ারি থেকে শুরু হচ্ছে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ২০১৫-এর কাউন্ট ডাউন।
চট্টগ্রাম নির্বাচনী ট্রাইব্যুনালে এ মামলাটি বিচারাধীন রয়েছে। ট্রাইব্যুনাল সূত্র জানায়, গত ২৪ ফেব্র“য়ারি মহিউদ্দিন চৌধুরীর দায়ের করা নির্বাচন বাতিল সংক্রান্ত এ মামলার তারিখ ধার্য ছিল। সর্বশেষ উচ্চ আদালত যে স্থগিতাদেশের মেয়াদ বর্ধিত করেছে ওই আদেশের কপি আদালতে উপস্থাপন করার নির্দেশনা ছিল। কিন্তু হরতালে আদালতের বিচার কার্যক্রম বন্ধ থাকায় মামলার তারিখ যথারীতি পিছিয়ে দেয়া হয়।
খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close