¦
সম্পাদক পরিষদের বিবৃতির বিষয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের বক্তব্য

| প্রকাশ : ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৫

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে সম্পাদক পরিষদের নামে দেয়া মঙ্গলবারের বিবৃতি বাস্তবতাবিবর্জিত, সত্যের অপলাপ, পক্ষপাতমূলক, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেছে তথ্য মন্ত্রণালয়। বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো সম্পাদক পরিষদের বিবৃতি সম্পর্কে মন্ত্রণালয়ের বক্তব্যে এ মন্তব্য করা হয়।
প্রেরিত বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। সরকার বিশ্বাস করে গণমাধ্যম ও গণতন্ত্র একে অপরের পরিপূরক। তাই সরকার গণমাধ্যমকে সক্রিয়, উন্মুক্ত ও গতিশীল রাখতে সদা সচেষ্ট। বাংলাদেশের গণমাধ্যম স্মরণকালের মধ্যে সবচেয়ে বেশি স্বাধীনভাবে কাজ করছে। এ সরকারের আমলেই গণমাধ্যম সবচেয়ে বেশি সম্প্রসারিত ও বিকশিত হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, ২০০৮ সাল থেকে শুরু করে গত ছয় বছর দুই মাসে সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার মতো কোনো আইন প্রণয়ন করেনি। সম্প্রচার মাধ্যম বিকাশের লক্ষ্যে উন্মুক্ত মতামতের ভিত্তিতে প্রণীত জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালার আলোকে প্রক্রিয়াধীন সম্প্রচার কমিশন, তাও সব গণমাধ্যমের প্রতিনিধির সমন্বয়ে গঠিত কমিটির আওতাধীন। বিদ্যমান প্রিন্টিং প্রসেস অ্যান্ড পাবলিকেশন অ্যাক্ট, প্রেস কাউন্সিল অ্যাক্ট, টেলিভিশন লাইসেন্স প্রদানের শর্তাবলী বা বিজ্ঞাপন নীতি কোনোটিই গণমাধ্যমকে সংকোচন বা নিয়ন্ত্রণমূলক নয়। বরং সরকার ফৌজদারি অপরাধের ক্ষেত্রেও সাংবাদিক গ্রেফতার আইন সংশোধন করে শিথিল করেছে। সুতরাং এটি স্পষ্ট যে, সংবাদপত্র বা সম্প্রচার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার মতো কোনো আইন এ মুহূর্তে দেশে নেই।
শুধু তাই নয়, গণমাধ্যমকে সহযোগিতা করার জন্য এবং অবাধ তথ্য ও সংবাদ প্রবাহ নিশ্চিত করার জন্য সরকার প্রণয়ন করেছে তথ্য অধিকার আইন, গঠন করেছে তথ্য কমিশন ও মানবাধিকার কমিশন। তথ্য মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সাংবাদিকদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও অব্যাহত রেখেছে। সাংবাদিকদের সুষম বেতন-ভাতা নিশ্চিত করতে গঠন করেছে অষ্টম ওয়েজ বোর্ড। অসুস্থ, অসচ্ছল, আহত সাংবাদিক ও তাদের পরিবারের জন্য এবং সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্ট গঠনের মতো যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছে।
উল্লেখ্য, কোনো গণমাধ্যমের কোনো প্রকাশনা বা সম্প্রচার বিষয়ে সংসদ যদি আলোচনা বা সমালোচনা করে তা গণমাধ্যমের ওপর হস্তক্ষেপ নয়। রাষ্ট্রের সব বিষয়ে আলোচনার অধিকার সংরক্ষণ করে সংসদ।
এরূপ পরিস্থিতিতে দেশ যখন গণমাধ্যমের অবাধ স্বাধীনতা ও সম্প্রসারমান যুগে প্রবেশ করেছে, তখন সম্পাদক পরিষদের নামে প্রদত্ত বিবৃতি দেশের সঠিক চিত্র প্রতিফলনে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। এটি অনাকাক্সিক্ষত ও অত্যন্ত দুঃখজনক।
খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close