¦
৭৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ করে সচিব লাপাত্তা

রাজশাহী ব্যুরো | প্রকাশ : ০৬ মে ২০১৫

রাজশাহীর পবা উপজেলার কাটাখালী পৌরসভার তিনটি ব্যাংক হিসাব থেকে জালিয়াতি করে ৭৮ লাখ টাকা তুলে আত্মসাৎ করা হয়েছে। পৌরসভার মেয়র ও জামায়াত নেতা মাজেদুর রহমান সাত মাস ধরে কারাগারে থাকা অবস্থায় এ টাকা উত্তোলন করা হয়।
এদিকে বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ২৭ এপ্রিল থেকে পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী ও অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার ফিরোজ আহাম্মেদ লাপাত্তা রয়েছেন। তার সঙ্গে পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যোগাযোগ বিছিন্ন রয়েছে। ২৯ সেপ্টেম্বর কাটাখালী পৌরসভার মেয়র ও জামায়াত নেতা মাজেদুর রহমানকে নাশকতার মামলায় পুলিশ গ্রেফতার করে। প্যানেল মেয়র হিসেবে ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুল মোক্তাদির দায়িত্ব পালন করেন। তার কোনো আর্থিক লেনদেনের ক্ষমতা ছিল না। মেয়র গ্রেফতারের আগে থেকেই পৌরসভায় আর্থিক সংকট চলছিল। ৩৬ মাস ধরে কর্মচারীরা বেতন পাননি। ২৮ মাস থেকে কাউন্সিলরদেরও ভাতা দেয়া হয়নি।
এদিকে ২২ এপ্রিল স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে প্যানেল মেয়র আবদুল মোক্তাদিরকে ভারপ্রাপ্ত মেয়রের দায়িত্ব দিয়ে চিঠি পাঠানো হয়। ২৬ তারিখে আবদুল মোক্তাদির চিঠি হাতে পান। এর পর তিনি ব্যাংকে খোঁজ নিতে গিয়ে পৌরসভার তহবিল শূন্যতার বিষয়টি জানতে পারেন। কাটাখালী পৌরসভার নামে থাকা পূবালী ব্যাংকের কাটাখালী শাখার দুটি হিসাব নম্বর থেকে ও সোনালী ব্যাংকের পবা শাখার একটি হিসাব নম্বরের ব্যাংক বিবরণী তুলে এ বিপুল পরিমাণ টাকা উত্তোলনের বিষয়টি তিনি নিশ্চিত হন। পৌরসভার আর্থিক লেনদেনের ক্ষমতা কাউকে না দেয়া থাকলেও মেয়র মাজেদুর রহমানের অনুপস্থিতিতে পৌরসভার ব্যাংক হিসাব থেকে জালিয়াতি করে এ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ব্যাংক বিবরণীতে দেখা যায়, কয়েকটি চেক পৌরসভার হিসাবরক্ষক মোহাম্মদ ফারুক, স্থানীয় হাবিব ট্রেডার্স, ইসলাম এন্টারপ্রাইজ, শরীফুল ও শফিকুলের নামে দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও অনলাইনেও কিছু টাকা উঠানো হয়েছে।
ভারপ্রাপ্ত মেয়র আবদুল মোক্তাদির বলেন, সহকারী প্রকৌশলী ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সচিব খন্দকার ফিরোজ আহাম্মেদ ১ মে তার মুঠোফোনে একটি খুদে বার্তা পাঠান। তাতে তিনি বলেছেন, তিনি নিজ বাড়ি বরিশালে চলে এসেছেন। এরপর থেকে তিনি আর ফোন ধরছেন না।
খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close