¦
সাগরে ৬৫ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ

যুগান্তর রিপোর্ট | প্রকাশ : ০৬ মে ২০১৫

সামুদ্রিক মাছের প্রজনন ও সর্বোচ্চ সংরক্ষণে বঙ্গোপসাগরে ৬৫ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত বাংলাদেশ সীমানায় সব ধরনের বাণিজ্যিক ট্রলারের মাধ্যমে মাছ ও চিংড়ি আহরণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। শিগগিরই এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ ছায়েদুল হক। মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এতে ১০ থেকে ২০ ভাগ মাছের সংরক্ষণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করে মৎস্যমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের সমুদ্র উপকূলবর্তী দেশগুলোতে সামুদ্রিক মাছের প্রজনন মৌসুমে ২ থেকে ৩ মাস পর্যন্ত মাছ ধরা বন্ধ থাকে। আমরা মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন, মেরিন হোয়াইট ট্রলার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন, মেরিন ফিশারিজ এক্সক্যাডেট অ্যাসোসিয়েশন, গবেষক, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের মেরিন ফিশারিজের অধ্যাপক, মেরিন ফিশারিজ একাডেমিসহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
তিনি বলেন, গত ৫ বছরে ট্রলারের মাধ্যমে আহরিত মাছের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, প্রতিবছর জুন থেকে আগস্ট মাসে সাদা মাছের আহরণ তুলনামূলকভাবে কম, প্রতিবছর তা ক্রমান্বয়ে কমছে। গত ৩ নভেম্বর পরিচালকের (সামুদ্রিক) দফতরে অনুষ্ঠিত সভায় মৎস্য বিশেষজ্ঞরা কিছু প্রজাতির মাছের প্রজননকাল বিবেচনায় প্রতিবছর জুন ও জুলাই মাসে সাদা মাছের আহরণ আইন করে বন্ধ রাখার জন্য প্রস্তাব করেন।
ছায়েদুল হক আরও বলেন, বঙ্গোপসাগরে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করতে ১৯ ফেব্র“য়ারি মৎস্য অধিদফতরে সংশ্লিষ্ট আইন, বিধি পর্যালোচনা করে সুপারিশ দিতে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মৎস্য বিশেষজ্ঞরা সাদা মাছের ক্ষেত্রে প্রতিবছর ২৩ মে থেকে ২১ জুলাই পর্যন্ত মোট ৬০ দিন প্রধান প্রজনন মৌসুম নির্ধারণ করে বাণিজ্যিক ট্রলারের মাধ্যমে মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ করতে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়। পরবর্তী সময় তা ২৩ জুলাই পর্যন্ত মাছ ধরা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়।
খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close