¦
নতুন স্বপ্ন আর জমি হারানোর আতংকে ছিটমহলের মানুষ

বিশ্ববিদ্যালয় রিপোর্টার | প্রকাশ : ১৩ মে ২০১৫

ওবায়েদ অংশুমান/মিজানুর রহমান দুলাল, লালমনিরহাট ছিটমহল থেকে
হামরাগুলা (আমরা সবাই) চরম চিন্তায় আছি। রাইতোত (রাতে) ঘুম আইসে না। হামার (আমাদের) জমির কোনো কাগজপত্তর নেই। কিন্তু যে কনাইত (যেখানে) বাড়ি করি আছি, ওকনাই (ওইটুকু) হামার সম্বল। শুনছি ভারত সরকার কি যেন পাস কইসসে (করেছে)। এলা (এখন) ছিটগুলা বিনিময় হইবে নাকি। তাই হামাগুলোর জমি নাকি বাংলাদেশ সরকার পাইবে। হামা এলা কি করমো (করব) সেই চিন্তাই রাইতত (রাতে) ঘুম আইসে না। এভাবেই নিজেদের ভবিষ্যতের কথা বলছিলেন লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার ভোটবাড়ী ভারতীয় ছিটমহলের ৮০ ঊর্ধ্ব বয়ষ্ক বাসিন্দা মো. জমির উদ্দিন। কেবল জমির উদ্দিনই নন, লালমনিরহাট জেলায় অবস্থিত ৫৯টি ছিটমহলের হাজার হাজার বাসিন্দার ঘুম হারাম হয়ে গেছে। সরেজমিন ঘুরে ছিটমহলের বাসিন্দাদের সঙ্গে আলাপ করে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।
জানা গেছে, লালমনিরহাট জেলার পাঁচটি উপজেলায় ৫৯টি ছিটমহল অবস্থিত। এর মধ্যে হাতিবান্ধা উপজেলার উত্তরগোতামারী এবং পাটগ্রাম উপজেলার বাঁশকাটা, ভোটবাড়ী, উপনচকী, লাটামারী ছিটমহলে অধিকাংশ লোকজনের বসবাস। এসব ছিটমহলে পনের হাজার লোক বসবাস করেন। আর পাটগ্রাম উপজেলায় ২১টি সিটমহলে বসবাস করছেন ৬ হাজার মানুষ। এর মধ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই হাজার ও মুসলিম ৪ হাজার লোক বসবাস করেন। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ভারতের রাজ্যসভায় সর্বসম্মতভাবে সীমান্ত বিল পাস হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ছিটমহলগুলো বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশী ৫১টি ছিটমহলের মালিকানা পাবে ভারত আর বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতের ১১১টি ছিটমহলের দখল পাবে বাংলাদেশ।
ছিটমহল বিনিময় প্রসঙ্গে জানতে চাইলে লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নূর কুতুবুল আলম সোমবার যুগান্তরকে বলেন, সীমান্ত বিল পাস হওয়ার কারণে ছিটমহলগুলো বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় ছিটমহলগুলোর মালিকানা পাবে বাংলাদেশ আর ভারতে অবিস্থত বাংলাদেশী ছিটমহলগুলোর মালিকানা পাবে ভারত সরকার। তবে ছিটমহলগুলো বসবাসরত মানুষের জমির মালিকানা কিংবা হস্তান্তরের কোনো বিষয়ে আমি এ মুহূর্তে কিছুই বলতে পারব না। তবে ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির লালমনিরহাট জেলার সাধারণ সম্পাদক আজিজুল ইসলাম মঙ্গলবার যুগান্তরকে বলেন, আমরা ভারতীয় ছিটমহলের বাসিন্দা। আমাদের জমির কোনো দলিলপত্র নেই, তবে দখল আছে। সরকার যদি আমাদের জমি নিয়ে নেয়, তাহলে আমরা কিভাবে প্রমাণ করব যে এসব আমাদের? এ জমির মালিকানা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছে সব ছিটমহলের লোক। সরকারকে এর সমাধান দিতে হবে। তিনি আরও বলেন,ভারত সরকার ছিটমহলবাসীর পুনর্বাসনের জন্য কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে অথচ বাংলাদেশ সরকার এখন পর্যন্ত কিছুই করেনি। জানি না আমাদের কপালে কি আছে?
জমি নিয়ে আতংকে সবাই : লালমনিরহাটের হাজার হাজার ছিটমহলবাসীর জমি হারানোর আতংকে রয়েছেন। বেশির ভাগ বুঝতে পারছেন না তাদের কপালে কি আছে। এ জন্য অনেকেই স্থানীয় শিক্ষিত লোকদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করছেন। কিন্তু কেউ তাদের কোনো আশ্বাস দিতে পারছে না। এমনকি তারা উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে, তারাও দিতে পারছে না এর সদোত্তর। সোম ও মঙ্গলবার ছিটমহলগুলো পরিদর্শন করে জানা গেছে, বাংলাদেশে অবিস্থত ভারতীয় ছিটমহলগুলোতে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিকদের জমির কোনো দলিলপত্র নেই। জমির নেই কোনো খতিয়ান, নেই কোনো দাগ নম্বর। কেবল সাদা কাগজের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে জমি হস্তান্তর, বিশেষ করে কেনা-বেচা ও জমি বন্ধক রাখে। অন্যদিকে ছিটমহলের অধিকাংশ বাসিন্দাই জানেন না, কিভাবে তারা জমির দখল পেয়েছেন। জমির মালিক বলে নিজেদের দাবি করলেও, তারা স্বীকার করেন যে, জমির কাগজপত্র না থাকার কারণে জমির ওপর তাদের কোনো আইনগত অধিকার নেই।
এ প্রসঙ্গে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ৮ নম্বর ভোটবাড়ী ভারতীয় ছিটমহলের বাসিন্দা জয়নুল হক যুগান্তরকে বলেন, হামাগুলোর কোনো কাগজপত্র নেই। বাপ-দাদার আমল থেকে এইহাতে দখলে আছি। এহন বাংলাদেশ সরকার যদি আমাদের লাথি মেরে খেদিয়ে দেয় তাহলে আমাদের মরণ ছাড়া আর কোনো পথ খোলা নেই।
সরকারের কাছে আমাদের দাবি, আমরা দীর্ঘদিন ধরে এখানে বসবাস করে আসছি, আমরা এই দেশেই থাকতে চাই। এই দেশের নাগরিকত্ব পেতে চাই। আর আমরা ছিটের মানুষ থাকতে চাই না। এছাড়া পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত বাঁশকাটা, লতামারী এবং হাতিবান্ধা উপজেলার গোতামারী এক ও দুই নম্বর ছিটমহলের বাসিন্দারাও জানিয়েছেন, জমি নিয়ে সরকার কি করে তা তারা বুঝে উঠতে পারছেন না। যদি জমি সরকার নিয়ে নেয়, তাহলে তারা কি করবেন এমন দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে তাদের। গোতামারী ছিটমহলের বয়োজ্যেষ্ঠ বাসিন্দা ছকবার আলী বলেন, সরকার যদি হামার জমি নিয়ে লেয়, তাহলে আমরা কি আর করিব। আমাদের কাছে তো জমির কোনো কাগজপত্তর নাই। জমির খাজনা দেই নাই কোনো দিন। এখন কি হইবো তা জানি না। তবে সরকারকে বলব, কয়েক যুগ ধরে এই ছিটে বসবাস করছি। এই ছিটই আমাদের সম্বল। যে জমিতে আমি আছি সেখানেই মরতে চাই।
অধিকাংশই বাংলাদেশে থাকতে চান : লালমনিরহাটে অবস্থিত ৫৯টি ছিটমহলের বাসিন্দাদের অধিকাংশই বাংলাদেশের নাগরিক হতে চান। যদিও তারা কাগজে-কলমে ভারতীয় ছিটের বাসিন্দা। তবে হিন্দু সম্প্রদায়ের অধিকাংশই ভারতের নাগরিকত্ব চান। এ জন্য তারা ভারত সরকারের প্রতি দাবিও জানিয়েছেন। ছিটমহলবাসীর সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতীয় ছিটের অধিকাংশ লোকের আত্মীয়স্বজন রয়েছে ভারতের কুচবিহার জেলায়। তবে মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকজন দীর্ঘদিন বাংলাদেশের ভেতরে বসবাস করায় তারা বাংলাদেশেই থেকে যেতে চান। তবে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন তাদের নিজ নিজ আত্মীয়ের কাছে ফিরে যাওয়ার কথা ব্যক্ত করেছেন। এ বিষয়ে গোতামারী ছিটমহলের বাসিন্দা মুনসের আলী ও ছকিনা বিবি যুগান্তর প্রতিনিধিকে বলেন, হামা বাংলাদেশত থাকপাইর চাই। যুগ যুগ ধইরে এইহানে কুনো সুযোগ সুবিধা ছাড়াই পইড়ে আছি। এহন হামা নাগরিক হমু। সরকার হামার ভালো-মন্দ দেইখবে। হামা আর বঞ্চিত হব না। এই দেশত থাকিয়া বাকি জীবন কাটাইতে চাই। অন্যদিকে বাঁশকাটা ছিটমহলের বাসিন্দা গোপাল চন্দ্র রায় ও তার স্ত্রী বিমলা রানী রায় বলেন,ভারতে হামার সাগাই সোদর আছে। তাই ভারত সরকার যখন হামাগ যাবার সুযোগ দিছে, হামা ওই খানে গিয়ে থাকপার চাই।
ছিটমহলবাসীর ভোটার কার্ড : ছয় দশকের বেশি সময় ভারতের মানুষগুলো বাংলাদেশের ভেতর বসবাস করে আসছেন। আবার বাংলাদেশের লোকদের থাকতে হচ্ছে ভারতের সীমানার ভেতরে। কিন্তু বাস্তবে তাদের কোনো দেশ নেই। এরা না ভারতীয়, না বাংলাদেশী। কিন্তু বিস্ময়কর হলেও সত্য যে, বাংলাদেশের মধ্যে ভারতীয় ছিটমহলের সব বাসিন্দারই বাংলাদেশের ভোটার আইডি কার্ড রয়েছে। তাদের দাবি, ওয়ান ইলেভেন সরকারের সময় তারা জাতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করেছেন।
বাংলাদেশীদের পরামর্শে তারা এ কাজ করেছেন। আর এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান ব্যাখ্যা করে ৮ নম্বর ভোটবাড়ী ছিটমহলের বাসিন্দা তবিউল ইসলাম দুলাল বলেন, আমরা জানি, আমাদের বাংলাদেশের নাগরিক হওয়ার কোনো অধিকার নাই। কারণ আমরা ছিটের মানুষ। তারপরও লালমনিরহাটে বসবাসরত ভারতীয় ছিটমহলের সব বাসিন্দার বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র আছে। আমরা এ পরিচয়পত্র ব্যবহার করেও থাকি। তিনি আরও বলেন, আমরা বাংলাদেশ সরকারের সব সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। আমরা দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছি এ দেশে। আমরা এ দেশেই চিরদিন থাকতে চাই। সরকারের কাছে এই আমাদের একমাত্র দাবি।
মুখে মুখে বিয়ে-মুখে মুখে তালাক : আইন অনুযায়ী বিয়ে করতে হলে অবশ্যই কাবিননামা রেজিস্ট্রি করতে হয়। এমনকি দেনমোহরের বিষয়টিও উল্লেখ থাকে কাবিননামায়। আবার তালাক দিতে গেলেও আইনি প্রক্রিয়ায় তা সম্পন্ন করতে হয়। কিন্তু লালমনিরহাটে অবস্থিত ছিটমহলগুলো পরিদর্শন করে জানা গেছে, ভারতীয় ছিটমহলে বসবাসরত মুসলিম পরিবারের ছেলেমেয়ের বিয়ে হয় মুখে মুখেই। আবার তালাকও হয় মুখে মুখে। বিগত ছয় দশকের বেশি সময় ধরে এই প্রথা চলে আসছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে ৬০ বছর বয়সী ছিটমহলের বাসিন্দা মো. বাবুল মিয়া জানান, ছিটমহলে বসবাসরত কোনো ছেলেমেয়ের বিয়ে রেজিস্ট্রি করে হয় না। হামাগুলোর মুখে মুখে বিয়ে আর মুখে মুখে তালাক হয়। তবে হামা সমাজের লোকজন মিলেই এগুলো নির্ধারণ করে থাকে।
হামা আদিম সমাজের : লালমনিরহাটজুড়ে এখন ভুট্টা-ধান কাটার মৌসুম। একই চিত্র দেখা যায় ছিটমহলজুড়েও। কারণ অধিকাংশ ছিটমহলবাসী বাংলাদেশীর জমি বর্গা চাষ করে। নিজেদের জমি নেই বললেই চলে। তারপরও পরের জমি চাষ করে তারা ধান-ভুট্টা ফলিয়েছে। অধিকাংশ ছিটমহলবাসীর উঠানে তাই ভুট্টা ও ধান রয়েছে। ছিটমহলবাসী নিজেদের ছোট্ট সীমানার মধ্যেই বসবাস। শতভাগ ছিটমহলবাসী অশিক্ষিত। সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ ছিটমহলের ছোট্ট ছেলেমেয়েরা স্কুলে না গিয়ে বাড়ির মধ্যে অবস্থান করছে। নিজের সীমানার মধ্যে বসবাসের কষ্ট, যাতায়াতের সমস্যা। নেই কোনো আইনি অধিকার। এসব বিষয়ে অন্তত শতাধিক ছিটমহলবাসী বললেন, তারা এক প্রকার আদিম সমাজে বসবাস করছেন যুগ যুগ ধরে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভোটবাড়ী ছিটমহলের বাসিন্দা ওসমান, নুর ইসলাম ও মকবুল হোসেন বলেন ,হামাগুলো দোযখের মধ্যে আছি। সবাই গালি দেয় ছিটের মানুষ হিসেবে। শিক্ষার অধিকার নেই, নেই কোনো আইনি অধিকার। ছেলেমেয়ে বিয়ে দিতে অনেক কষ্ট। এক অর্থে হামাগুলো আদিম সমাজের মানুষের মতই বসবাস করছি যুগের পর যুগ। কিন্তু এখন আমরা বাংলাদেশের নাগরিক হতে চাই।
পঞ্চগড়ের ৩৬টি ছিটমহলের সবাই নতুন জীবনের স্বপ্ন দেখছে : এসএ মাহমুদ সেলিম,পঞ্চগড় থেকে থেকে জানান, পঞ্চগড়ের ৩৬টি ছিটমহলের নতুন প্রজন্মের ছেলে মেয়েরা এখন স্বপ্ন দেখছে নবদিগন্তের। সীমান্ত বিল পাস হওয়ার পর তাদের জীবনের সব গ্লানি, সব অন্ধকার কেটে যেতে শুরু করেছে। শুরু হয়েছে নবজীবনের সূচনা। কর্মচাঞ্চল্য ও উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে সর্বত্র। অপরদিকে ছিটমহলের উন্নয়নে প্রশাসনিকভাবেও শুরু হয়েছে নানা তৎপরতা। বেড়ে গেছে শীর্ষ প্রশাসনিক কর্মকর্তদের দৌড়ঝাঁপ। আইনশৃংখলা রক্ষার্থে পুলিশি তৎপরতরাও বেশ। মঙ্গলবার পঞ্চগড়ের বিভিন্ন ছিটমহল সরেজমিন ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
পঞ্চগড় জেলার অভ্যন্তরে ভারতীয় ছিটমহল নাটোকটোকা বেউলা ডাংগা, শালবাড়ি, কাজলদিঘী ও গারতিসহ ৩৬টি ছিটমহলের প্রায় ৩০ হাজার নাগরিকের মাঝে বিরাজ করছে ঠিক একই অবস্থা। পরিচয় ও ঠিকানাহীন এবং স্বাস্থ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, পানীয়জল, স্যনিটেশনসহ নাগরিক সুযোগ-সুবিধাবিহীন দীর্ঘ ৬৩ বছরের অন্ধকার জীবনের কালো ছায়াকে পেছনে ফেলে এখন নতুন স্বপ্ন নিয়ে নতুন জীবনের দিকে ছুটছেন তারা । তারা আর এখন পরিচয় ও ঠিকানাবিহীন জীবনে থাকতে চায় না। মর্যাদার সঙ্গে বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে পড়াশোনা শেষে যোগ্য নাগরিক হয়ে দেশের কল্যাণে কাজ করতে চায়। ভূমিকা রাখতে চায় উন্নয়নেও। এমনি অভিব্যক্তি ব্যক্ত করলেন ছিটমহলের প্রায় সব বাসিন্দাই।
খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close