¦
বিস্ফোরক মামলায় বাবরসহ বন্দিদের শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি | প্রকাশ : ১৩ মে ২০১৫

সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া হত্যা মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, সিলেটের সিটি মেয়র (সাময়িক বরখাস্তকৃত) আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জের পৌর মেয়র (সাময়িক বরখাস্তকৃত) জিকে গউছসহ কারাগারে বন্দিদের বিস্ফোরক মামলায় শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সিলেটের সিনিয়র এএসপি মেহেরুন্নেছা পারুল। মঙ্গলবার সকালে হবিগঞ্জের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিশাত সুলতানার আদালতে তিনি এ আবেদন জানান। বিচারক শুনানি শেষে ২৬ মে আসামিদের উপস্থিতিতে এ আবেদনের পরবর্তী শুনানির তারিখ নির্ধারণ করেছেন। মামলায় বাদীপক্ষে শ্যোন অ্যারেস্টের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন অ্যাডভোকেট নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু। আসামিপক্ষে জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি সালেহ আহমেদ ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর উদ্দিন আহমেদ শাহীন এতে আপত্তি জানান।
বিস্ফোরক মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা মেহেরুন্নেছা পারুল যুগান্তরকে জানান, মঙ্গলবার সকালে তিনি হত্যা মামলায় কারাগারে আটকদের বিস্ফোরক মামলায় শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন জানিয়েছেন।
বাদীপক্ষের আইনজীবী নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্থ টিটু জানান, মঙ্গলবার মামলার নির্ধারিত তারিখ ছিল না। তদন্ত কর্মকর্তা তদন্তের স্বার্থে কিবরিয়া হত্যা মামলায় কারাগারে বন্দিদের শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন জানিয়েছেন। ২৬ মে আসামিদের উপস্থিতিতে শুনানি করে বিচারক এ ব্যাপারে আদেশ দেবেন। উল্লেখ্য, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদর উপজেলার বৈদ্যের বাজারে স্থানীয় আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভা শেষে ফেরার পথে দুর্বৃত্তদের গ্রেনেড হামলায় নিহত হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া ও তার ভাতিজা শাহ মঞ্জুর হুদাসহ ৫ জন। আহত হন বর্তমান জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. আবু জাহির এমপিসহ ৪৩ জন। এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. আবদুল মজিদ খান এমপি বাদী হয়ে সদর থানায় হত্যা এবং বিস্ফোরক আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেন। গত বছরের ১৩ নভেম্বর কিবরিয়া হত্যা মামলায় খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী ও হবিগঞ্জের মেয়র জিকে গউছসহ নতুন ১১ জনকে অন্তর্ভুক্ত করে ৩৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে তৃতীয় দফা সম্পূরক চার্জশিট প্রদান করেন তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির সিলেটের সিনিয়র এএসপি মেহেরুন্নেছা পারুল। আসামিদের নাম, ঠিকানা ভুল থাকায় তা সংশোধন করে পরে আরও দুদফা সম্পূরক চার্জশিট প্রদান করা হয়। কিন্তু বিস্ফোরক আইনে দায়েরকৃত মামলাটি দীর্ঘদিন উচ্চ আদালতে স্থগিত থাকার পর গত বছরের ডিসেম্বরে ওই আদালতের নির্দেশে এটি অধিকতর তদন্ত শুরু হয়। এ মামলাটিও তদন্তের দায়িত্ব পান মেহেরুন্নেছা পারুল। বর্তমানে মামলাটি তদন্তাধীন আছে।
খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close