¦
তদন্ত কমিটির গৃহীত ব্যবস্থা জানাতে হাইকোর্টের নির্দেশ

যুগান্তর রিপোর্ট | প্রকাশ : ১৩ মে ২০১৫

বর্ষবরণ উৎসবে যৌন হয়রানিতে জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে ছাত্র ইউনিয়নের ডিএমপি কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে লাঠিপেটার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটির গৃহীত ব্যবস্থা জানাতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। ১৪ জুন এটি জানাতে পুলিশ মহাপরিদর্শকের প্রতি আদেশ দেয়া হয়েছে। জনস্বার্থে করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে মঙ্গলবার বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মোহাম্মদ সাইফুর রহমানের বেঞ্চ এই নির্দেশ দেন।
১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় যৌন হয়রানির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় জড়িতদের শাস্তি দাবি করে আসছে বিভিন্ন সংগঠন। এরই অংশ হিসেবে ১০ মে ছাত্র ইউনিয়নের ব্যানারে ডিএমপি (ঢাকা মহানগর পুলিশ) কার্যালয় ঘেরাও করতে যায়। এ সময় পুলিশ তাদেরকে লাঞ্ছিত করে। সেদিন তোলা বিভিন্ন ছবি এবং ধারণ করা ভিডিওতে পুলিশ সদস্যদের লাঠিপেটা ও জল কামান ব্যবহারের পাশাপাশি বিক্ষোভকারীদের বুট দিয়ে আঘাত করতে দেখা যায়। পুলিশের পুরুষ সদস্যদের হাতে সংগঠনটির নারী সদস্যদের চুলের মুঠি ধরে ধাক্কাতেও দেখা যায়।
এ ঘটনার তদন্তে দুটি তদন্ত কমিটি করেছে পুলিশ। ডিএমপি গঠিত কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের পক্ষ থেকেও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই দুটি তদন্ত কমিটি কী ব্যবস্থা নেয় সেটা আইজিপিকে জানাতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন উপরোক্ত বেঞ্চের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।একই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের লাঞ্ছিত করার ওই ঘটনা কেন অবৈধ হবে না এবং জড়িতের বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে একটি রুল জারি করা হয়েছে। রিটের বিবাদী স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার, শাহবাগ ও রমনা থানার ওসিসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এর আগে সোমবার রিট আবেদনটি করেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ। আবেদনের শুনানিও তিনিই করেন। ইউনুস আলী সাংবাদিকদের বলেন, জনস্বার্থে আমি এ রিট আবেদনটি করেছি। পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন দেখে আমার মনে হয়েছে রোববারের ঘটনায় পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর যেভাবে লাঠিচার্জ করেছে তা সংবিধানের ও মৌলিক মানবাধিকারের লংঘন। সংবিধানে নাগরিকের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য বলা হয়েছে। কিন্তু কালকের (রোববারের) ঘটনায় মানবাধিকার লংঘন করেছে সরকার ও তার পুলিশ বাহিনী। ওই ঘটনায় সোমবার মো. আনিস নামে পুলিশের এক নায়েককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সেদিন ছাত্র ইউনিয়নের এক নারী কর্মীর চুল ধরে তার টানার ছবি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়। এদিকে হামলাকারী পুলিশ সদস্যদের শাস্তির দাবিতে মঙ্গলবার দেশব্যাপী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে ছাত্র ধর্মঘটের ডাক দেয় ছাত্র ইউনিয়ন।
খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close