jugantor
কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় রাবি শিক্ষক নিহত

  রাবি প্রতিনিধি  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি সাহিত্য বিভাগের প্রফেসর ড. আবু ইউনুস খানা মো. জাহাঙ্গীর বুধবার একটি কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নাটোর রেলক্রসিং চকবৈদ্যনাথ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনায় প্রফেসর ড. এম জাহাঙ্গীরের ছেলে ওয়াকিল আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ওয়াকিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ জানান, ড. এম জাহাঙ্গীর ও তার ছেলে ওয়াকিল আহমেদ মোটরসাইকেলযোগে গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। পথে নাটোরের রেল ক্রসিংয়ের চকবৈদ্যনাথ এলাকায় পৌঁছলে একটি কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদেরকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ড. জাহাঙ্গীরের শরীরের ডান পাশের পুরো অংশ থেঁতলে যায়। তার ডান হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এছাড়া মাথায় ও ঘাড়ে গুরুতর জখম এবং রক্তক্ষরণ হয়। এ সময় তার ছেলে ওয়াকিলের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতাল নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে দু’জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা ড. জাহাঙ্গীরকে মৃত ঘোষণা করেন। দুপুর ১২টার দিকে মরহুমের লাশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে তার কাজলার কেডি ক্লাব এলাকার বাসভবনে নেয়া হয়। বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ চত্বরে জানাজা শেষে লাশ সিরাজগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

নাটোর সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, এ ঘটনায় সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ডভ্যানটি আটক করা হয়েছে। তবে কাভার্ডভ্যানের চালক ও হেলপারকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

প্রফেসর ড. এম জাহাঙ্গীরের মর্মান্তিক মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মুহম্মদ মিজানউদ্দিন গভীর শোক প্রকাশ ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ও আরবি বিভাগ শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে।



সাবমিট

কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় রাবি শিক্ষক নিহত

 রাবি প্রতিনিধি 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি সাহিত্য বিভাগের প্রফেসর ড. আবু ইউনুস খানা মো. জাহাঙ্গীর বুধবার একটি কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন। সকাল সাড়ে ৭টার দিকে নাটোর রেলক্রসিং চকবৈদ্যনাথ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।

দুর্ঘটনায় প্রফেসর ড. এম জাহাঙ্গীরের ছেলে ওয়াকিল আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। ওয়াকিল বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ জানান, ড. এম জাহাঙ্গীর ও তার ছেলে ওয়াকিল আহমেদ মোটরসাইকেলযোগে গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলেন। পথে নাটোরের রেল ক্রসিংয়ের চকবৈদ্যনাথ এলাকায় পৌঁছলে একটি কাভার্ডভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাদেরকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এতে ড. জাহাঙ্গীরের শরীরের ডান পাশের পুরো অংশ থেঁতলে যায়। তার ডান হাতের কব্জি বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এছাড়া মাথায় ও ঘাড়ে গুরুতর জখম এবং রক্তক্ষরণ হয়। এ সময় তার ছেলে ওয়াকিলের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় জখম হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতাল নিয়ে যায়। অবস্থার অবনতি হলে দু’জনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসকরা ড. জাহাঙ্গীরকে মৃত ঘোষণা করেন। দুপুর ১২টার দিকে মরহুমের লাশ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে তার কাজলার কেডি ক্লাব এলাকার বাসভবনে নেয়া হয়। বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ চত্বরে জানাজা শেষে লাশ সিরাজগঞ্জের গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

নাটোর সদর থানার ওসি মিজানুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, এ ঘটনায় সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ডভ্যানটি আটক করা হয়েছে। তবে কাভার্ডভ্যানের চালক ও হেলপারকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

প্রফেসর ড. এম জাহাঙ্গীরের মর্মান্তিক মৃত্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মুহম্মদ মিজানউদ্দিন গভীর শোক প্রকাশ ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ও আরবি বিভাগ শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছে।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র