jugantor
মানসিক প্রতিবন্ধীর কাছে বস্তা বোঝাই টাকা!

  স্টাফ রিপোর্টার, সাভার  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

টাকা দিয়ে কী করা যায় তা জানেন না তিনি। জমানো টাকা কিভাবে খরচ করা যায়, তাও হয়তো তার জানা নেই। তবুও এক টাকা, দুই টাকা, পাঁচ টাকা, দশ টাকা করে এক বস্তা অর্থ জমিয়েছেন মোহাম্মদ নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী। বয়স প্রায় ৫০ বছর। বুধবার ওই টাকার বস্তা নিয়ে সাভারের শ্যামলী ত্রিনয়নী সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় দুর্বৃত্তদের কবলে পড়েন তিনি। কিন্তু সাভার মডেল থানার টহলরত পুলিশ দুর্বৃত্তদের কবল থেকে তাকে উদ্ধার করে। প্রথমে তাকে ওই সিএনজি স্টেশনেই রাখা হয়।

শ্যামলী ত্রিনয়নী সিএনজি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মহাদেব সরকার জানান, গভীর রাতে পাম্পের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় কিছু দুর্বৃত্তের কবলে পড়েন মানসিক প্রতিবন্ধী লোকটি। সে সময় টহলরত সাভার মডেল থানার উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) শাহিন আলম তাকে উদ্ধার করে সিএনজি ফিলিং স্টেশন দেখভালের জন্য রেখে যান। মহাদেব সরকার জানান, পুলিশ রেখে গেলে মোহাম্মদের সঙ্গে থাকা বস্তা ঘেঁটে দেখা যায়, সেখানে বিপুল পরিমাণ টাকা। এ টাকা গুনতে প্রায় ৩ ঘণ্টা লেগে যায় কয়েকজনের। পরে স্থানীয়রা ঠিকানা জিজ্ঞেস করলে পুরোপুরি না বলতে পারলেও নিজের নাম মোহাম্মদ আর জেলা বিক্রমপুর বলে জানান তিনি। মহাদেব সরকার আরও জানান, বড় বড় চুল আর খালি পায়ে ঘুরে বেড়ানো এ মানসিক প্রতিবন্ধী কাগজের সঙ্গে টাকা রাখায় তা এক বস্তা হয়ে গেছে। মোহাম্মদের তেমন কিছুই চাহিদা নেই বলে জানান তিনি। কিছু খেতে দিলেও আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। খাবার দিলে তা পাশেই রেখে দিচ্ছেন। তবে মাঝে মধ্যে ধূমপান করছেন। সিএনজি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার বলেন, বস্তায় থেকে প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ টাকাই নষ্ট হয়ে গেছে। এর মধ্যে ভেজা টাকার পরিমাণ প্রায় পাঁচ কেজি। সঠিক ঠিকানা না বলতে পারায় তার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া যাচ্ছে না। তবে প্রশাসন ও ফিলিং স্টেশনের লোকদের সহায়তায় মোহাম্মদকে তার ঠিকানায় পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানান মহাদেব সরকার।



সাবমিট

মানসিক প্রতিবন্ধীর কাছে বস্তা বোঝাই টাকা!

 স্টাফ রিপোর্টার, সাভার 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
টাকা দিয়ে কী করা যায় তা জানেন না তিনি। জমানো টাকা কিভাবে খরচ করা যায়, তাও হয়তো তার জানা নেই। তবুও এক টাকা, দুই টাকা, পাঁচ টাকা, দশ টাকা করে এক বস্তা অর্থ জমিয়েছেন মোহাম্মদ নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী। বয়স প্রায় ৫০ বছর। বুধবার ওই টাকার বস্তা নিয়ে সাভারের শ্যামলী ত্রিনয়নী সিএনজি ফিলিং স্টেশনের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় দুর্বৃত্তদের কবলে পড়েন তিনি। কিন্তু সাভার মডেল থানার টহলরত পুলিশ দুর্বৃত্তদের কবল থেকে তাকে উদ্ধার করে। প্রথমে তাকে ওই সিএনজি স্টেশনেই রাখা হয়।

শ্যামলী ত্রিনয়নী সিএনজি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মহাদেব সরকার জানান, গভীর রাতে পাম্পের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় কিছু দুর্বৃত্তের কবলে পড়েন মানসিক প্রতিবন্ধী লোকটি। সে সময় টহলরত সাভার মডেল থানার উপপুলিশ পরিদর্শক (এসআই) শাহিন আলম তাকে উদ্ধার করে সিএনজি ফিলিং স্টেশন দেখভালের জন্য রেখে যান। মহাদেব সরকার জানান, পুলিশ রেখে গেলে মোহাম্মদের সঙ্গে থাকা বস্তা ঘেঁটে দেখা যায়, সেখানে বিপুল পরিমাণ টাকা। এ টাকা গুনতে প্রায় ৩ ঘণ্টা লেগে যায় কয়েকজনের। পরে স্থানীয়রা ঠিকানা জিজ্ঞেস করলে পুরোপুরি না বলতে পারলেও নিজের নাম মোহাম্মদ আর জেলা বিক্রমপুর বলে জানান তিনি। মহাদেব সরকার আরও জানান, বড় বড় চুল আর খালি পায়ে ঘুরে বেড়ানো এ মানসিক প্রতিবন্ধী কাগজের সঙ্গে টাকা রাখায় তা এক বস্তা হয়ে গেছে। মোহাম্মদের তেমন কিছুই চাহিদা নেই বলে জানান তিনি। কিছু খেতে দিলেও আগ্রহ দেখা যাচ্ছে না। খাবার দিলে তা পাশেই রেখে দিচ্ছেন। তবে মাঝে মধ্যে ধূমপান করছেন। সিএনজি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার বলেন, বস্তায় থেকে প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ টাকাই নষ্ট হয়ে গেছে। এর মধ্যে ভেজা টাকার পরিমাণ প্রায় পাঁচ কেজি। সঠিক ঠিকানা না বলতে পারায় তার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া যাচ্ছে না। তবে প্রশাসন ও ফিলিং স্টেশনের লোকদের সহায়তায় মোহাম্মদকে তার ঠিকানায় পৌঁছে দেয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানান মহাদেব সরকার।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র