jugantor
বানিয়াচংয়ে এসিল্যান্ডের ওপর যুবদল নেতার হামলা
২ ভূমিদস্যুর কারাদণ্ড

  বানিয়াচং (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ রায়হানুল হারুনের ওপর হামলা চালিয়েছেন যুবদল নেতারা। সরকারি একটি খাল দখল ও মাটি ভরাট করার কাজে বাধা দিলে হবিগঞ্জ জেলা যুবদল নেতা সোহেল মিয়ার নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়। মঙ্গলবার বিকালে কালারডোবা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সুবিদপুর ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুই ভূমিদস্যুকে গ্রেফতার করে। এ সময় ঘটনার মূল হোতা জেলা যুবদল নেতা উমেদনগর এলাকার কুতুব মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া দৌড়ে পালিয়ে যান। সন্ধ্যার দিকে সুবিদপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে গ্রেফতারকৃত দুই ভূমিদস্যুকে ১ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইউএনও মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম। দণ্ডপ্রাপ্তরা হল- হবিগঞ্জের উমেদনগর পৌর এলাকার বিলাল মিয়ার ছেলে আবদুস ছালাম ও একই এলাকার বেদন মিয়ার ছেলে আবদুল কবির।

সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, বানিয়াচং-হবিগঞ্জ সড়কের পাশের কালারডোবা খালে ট্রাক্টর দিয়ে মাটি ভরাট করেন হবিগঞ্জ জেলা যুবদল নেতা সোহেল ও তার লোকেরা। বানিয়াচং আথুকুড়া মৌজার ১ একর ৩০ শতক ওই ভূমির মূল্যে প্রায় চার কোটি টাকার উপরে। বর্ষায় বানিয়াচং ও আজমিরীগঞ্জের প্রত্যন্ত গ্রামের নৌকা ওইখালে নোঙর করে। স্থানীয়রা কালারডোবা নৌঘাট হিসেবে চেনেন। ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষ বুধ ও বৃহস্পতিবার দুটি নোটিশ পাঠিয়ে মাটি ভরাটে আপত্তি জানালেও সোহেল নোটিশের তোয়াক্কা করেননি। সপ্তাহ ধরে মাটি ভরাটের কাজ করতে থাকেন।

মঙ্গলবার বিকালে সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ রায়হানুল হারুন সরেজমিন গিয়ে মাটি ভরাটে বাধা দেন। শ্রমিকরা মোবাইল ফোনে সোহেলকে এ খবর জানালে সোহেল ও তার লোকেরা দুটি মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় ভূমিদস্যুরা বেপরোয়া হয়ে উঠে ও ত্রাস সৃষ্টি করে সহকারী কমিশনারকে ঘেরাও করে রাখে। একপর্যায়ে সহকারী কমিশনারের ওপর হামলা চালায় তারা।



সাবমিট

বানিয়াচংয়ে এসিল্যান্ডের ওপর যুবদল নেতার হামলা

২ ভূমিদস্যুর কারাদণ্ড
 বানিয়াচং (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১০ ডিসেম্বর ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 
হবিগঞ্জের বানিয়াচংয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোহাম্মদ রায়হানুল হারুনের ওপর হামলা চালিয়েছেন যুবদল নেতারা। সরকারি একটি খাল দখল ও মাটি ভরাট করার কাজে বাধা দিলে হবিগঞ্জ জেলা যুবদল নেতা সোহেল মিয়ার নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়। মঙ্গলবার বিকালে কালারডোবা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। সুবিদপুর ফাঁড়ি পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে দুই ভূমিদস্যুকে গ্রেফতার করে। এ সময় ঘটনার মূল হোতা জেলা যুবদল নেতা উমেদনগর এলাকার কুতুব মিয়ার ছেলে সোহেল মিয়া দৌড়ে পালিয়ে যান। সন্ধ্যার দিকে সুবিদপুর ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে গ্রেফতারকৃত দুই ভূমিদস্যুকে ১ বছর কারাদণ্ড দিয়েছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইউএনও মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম। দণ্ডপ্রাপ্তরা হল- হবিগঞ্জের উমেদনগর পৌর এলাকার বিলাল মিয়ার ছেলে আবদুস ছালাম ও একই এলাকার বেদন মিয়ার ছেলে আবদুল কবির।

সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, বানিয়াচং-হবিগঞ্জ সড়কের পাশের কালারডোবা খালে ট্রাক্টর দিয়ে মাটি ভরাট করেন হবিগঞ্জ জেলা যুবদল নেতা সোহেল ও তার লোকেরা। বানিয়াচং আথুকুড়া মৌজার ১ একর ৩০ শতক ওই ভূমির মূল্যে প্রায় চার কোটি টাকার উপরে। বর্ষায় বানিয়াচং ও আজমিরীগঞ্জের প্রত্যন্ত গ্রামের নৌকা ওইখালে নোঙর করে। স্থানীয়রা কালারডোবা নৌঘাট হিসেবে চেনেন। ভূমি অফিস কর্তৃপক্ষ বুধ ও বৃহস্পতিবার দুটি নোটিশ পাঠিয়ে মাটি ভরাটে আপত্তি জানালেও সোহেল নোটিশের তোয়াক্কা করেননি। সপ্তাহ ধরে মাটি ভরাটের কাজ করতে থাকেন।

মঙ্গলবার বিকালে সহকারী কমিশনার মোহাম্মদ রায়হানুল হারুন সরেজমিন গিয়ে মাটি ভরাটে বাধা দেন। শ্রমিকরা মোবাইল ফোনে সোহেলকে এ খবর জানালে সোহেল ও তার লোকেরা দুটি মোটরসাইকেলে ঘটনাস্থলে আসেন। এ সময় ভূমিদস্যুরা বেপরোয়া হয়ে উঠে ও ত্রাস সৃষ্টি করে সহকারী কমিশনারকে ঘেরাও করে রাখে। একপর্যায়ে সহকারী কমিশনারের ওপর হামলা চালায় তারা।



 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র