¦

এইমাত্র পাওয়া

  • হালনাগাদ ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ; নতুন ভোটার ৪৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৭ জন
নিত্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন বছরের যাত্রা

শাহ আলম খান | প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০১৬

নিত্যপণ্যের মূল্যে স্থিতিশীলতা নিয়ে নতুন বছরের যাত্রা শুরু হয়েছে। বছরের প্রথম দিন ছিল শুক্রবার। ছুটির এ দিনটিতে এমনিতেই বাজারে পণ্যের চাহিদা বেশি থাকে। তা সত্ত্বেও চাল, ডাল, চিনি, লবণ, তেল, পেঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, সবজি কিংবা মাছ-মাংসের সরবরাহ সহজেই সামাল দিতে পেরেছেন বিক্রেতারা। ফলে এদিন দাম ছিল ক্রেতাদের নাগালের মধ্যেই। বছরের শুরুতে সাশ্রয়ী মূল্যের কারণে ক্রেতাদের মধ্যে ছিল স্বস্তি। নতুন বছরে বাজার অস্থির করার কথিত সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য বন্ধ হবে, পণ্যের অবৈধ মজুদ ও দাম নিয়ে অসৎ ব্যবসায়ীদের কারসাজি কমবে এবং নিয়মিতভাবে সরকারের তীক্ষè মনিটরিং অব্যাহত থাকবে- এমন প্রত্যাশা সবার।
বাজারের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সভাপতি গোলাম রহমান যুগান্তরকে বলেন, বিদায়ী বছরে পণ্যমূল্যের স্থিতিশীলতা নতুন বছরকেও প্রভাবিত করছে। কারণ চলতি মৌসুমে দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় বেশিরভাগ পণ্যের জোগান ও সরবরাহ স্বাভাবিক আছে। নতুন বছরে দ্রব্যমূল্য ও সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তিনি কৃষি, শিল্প, পশু সম্পদ, বাণিজ্য ও অর্থ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যকার কার্যক্রম অধিকতর সমন্বয় করে চলার পরামর্শ দেন। এ ছাড়া দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট পণ্যের ঘাটতি মৌসুম বুঝে আগাম আমদানির মাধ্যমে বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক এবং মূল্য নির্ধারণ করে বাজার স্থিতিশীল রাখার পক্ষে মত দেন তিনি।
বাজারে নিয়মিত ক্রেতাদের অনেকেই দাবি করছেন, অতি চাহিদাযোগ্য দু-একটি পণ্য ছাড়া সদ্য বিদায়ী বছরেও প্রায় সব ধরনের পণ্যের দাম স্বাভাবিক ছিল। কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) বার্ষিক জরিপ প্রতিবেদনেও ২০১৫ সালে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
রামপুরা বাজারে কেনাকাটায় আসা বিদেশী সংস্থা ইউসেপের আঞ্চলিক কর্মকর্তা তোরাব আলী যুগান্তরকে বলেন, চাহিদা ও সরবরাহের বিদ্যমান পরিস্থিতিতে দ্রব্যমূল্য ওঠানামা করতে পারে। এটিই স্বাভাবিক। কিন্তু এ বিষয়ে সরকারকেই বাজারের ওপর নজর রাখতে হবে। যেসব পণ্যের দাম বাড়ছে সেগুলোর বৃদ্ধি যৌক্তিক কিনা তা দেখতে হবে। অযৌক্তিক হলে দাম বৃদ্ধির সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। তাহলে বাজার অস্থির করার অপতৎপরতা কমবে।
শুক্রবার রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি পিস ফুলকপি ও বাঁধাকপি ২৫-৩০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া প্রতি পিস লাউ ৩০-৪০, পাকা মিষ্টি কুমড়া প্রতি পিস ২০, সবুজ মিষ্টি কুমড়া ৩০-৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ৬০-৭০, ধনেপাতা ৬০-৮০, শিম ৩০-৪০, মুলা ২০, বেগুন ৩৫-৪০, টমেটো ৪০-৫০, চিচিঙ্গা ৫০, বরবটি ৪০, গাজর ৩৫-৪০, পেঁয়াজ পাতা ২৫, ঢেঁড়স ৪০-৫০, তিত করলা কেজি ৪০, পেঁপে ২০-২৫, পটল ৩৫-৪০, আলু ৩০-৩৫ ও শসা কেজি ৩০-৩৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি তেলাপিয়া ছোট ১২০, মাঝারি ১৪০-১৬০ এবং বড় আকারের ১৮০-২০০, রুই মাঝারি ১৮০-২২০, বড় ২৮০-৩৫০, পাঙ্গাশ ছোট ১২০-১৩০, বড় পাঙ্গাশ ১৫০-১৬০, সুরমা ১৩০-১৫০, শিং ৪০০-৫০০, মাগুর ৫০০-৭০০, কই ১৮০-২০০, ট্যাংরা ৩৫০-৪৫০ ও লইট্যা ১৬০-২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি ব্রয়লায় ১৪০-১৫০, লেয়ার ১৬০-১৭০, সোনালি ২০০-২২০, দেশী মুরগি ৩০০-৩২০, গরুর মাংস ৪০০ ও খাসির মাংস ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close