¦

এইমাত্র পাওয়া

  • হালনাগাদ ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ; নতুন ভোটার ৪৩ লাখ ৬৮ হাজার ৪৭ জন
বিভিন্ন স্থানে পুনর্নির্বাচন দাবি

যুগান্তর ডেস্ক | প্রকাশ : ০২ জানুয়ারি ২০১৬

কারচুপি, ভোট দিতে না পারাসহ নানা কারণে বিভিন্ন পৌরসভায় মেয়র প্রার্থীরা নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করে আবার নির্বাচনের দাবি করেছেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর অভিযোগ যড়যন্ত্র করে তাকে হারানো হয়েছে। তাই তিনি আবার ভোট চেয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করবেন। কারচুপির অভিযোগ এনে ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌরসভার নির্বাচনের ফল প্রত্যাখান করেছে বিএনপি। নড়াইলের কালিয়া পৌরসভায় আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর অভিযোগ তিনি নিজেই ভোট দিতে পারেননি। ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-
চাঁপাইনবাবগঞ্জ : চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভা নির্বাচনে ফল প্রত্যাখ্যান করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী সামিউলহক লিটন। তিনি অভিযোগ করেন, কন্ট্রোল রুমে বিভিন্ন কেন্দ্রের প্রাপ্ত ভোটের ফলাফল একত্রিকরণের সময় কারচুপি করে তাকে হারিয়ে জামায়াত সমর্থিত স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী অধ্যক্ষ মো. নজরুল ইসলামকে বিজয়ী করা হয়েছে। তিনি সাংবাদিকদের জানান, মাত্র ১ হাজার ভোটের ব্যবধান দেখিয়ে পরিকল্পিতভাবে তাকে হারিয়ে দেয়া হয়েছে। তাই তিনি এ অনিয়মের তদন্তসহ পুনরায় ভোট গণনার জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন করবেন। এ ব্যাপারে রির্টানিং অফিসার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করে কেটে দেন।
ফরিদপুর : ফরিদপুরের বোয়ালমারী পৌরসভা নির্বাচনের ফল প্রত্যাখ্যান করে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে স্থানীয় বিএনপি। শুক্রবার বিকালে বোয়ালমারী বিএনপি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনে কারচুপির ব্যাপক অভিযোগ আনেন বিএনপি নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহ মোহাম্মদ আবু জাফর। তিনি বলেন, বোয়ালমারী পৌরসভা নির্বাচনের ফল দেখে আমরা বিস্মিত। ভোটাররা নৌকা প্রতীককে প্রত্যাখ্যান করে যেভাবে ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন তাতে ফলাফল আমাদের প্রার্থীর পক্ষেই ছিল। কিন্তু কয়েকজন মন্ত্রীর ফোন পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ফল পাল্টে দিয়েছে। ভোট গণনার সময় ধানের শীষ প্রার্থীর এজেন্টদের স্বাক্ষর নিয়ে বের করে দেয়া হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট সিরাজুল ইসলাম, খন্দকার রফিকুল ইসলাম কামাল, শেখ আফসার উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
নড়াইল : জেলার কালিয়া পৌরসভা নির্বাচনে নিজের ভোট দিতে পারেননি আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী ওয়াহিদুজ্জামান হীরা। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ অভিযোগ করেন।
হীরা বলেন, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কালিয়া পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট দিতে গিয়ে জানতে পারি কাউন্সিলর প্রার্থী মো. ফসিয়ার রহমান ও জিল্লুর মোল্যার সর্মকদের মধ্যে মারামারির ঘটনায় কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছে। পরে ভোট না দিয়েই ফিরে আসি। এরপর কাউকে না জানিয়ে কখন কিভাবে পুনরায় ভোট গ্রহণ হয়েছে তা কেউ বলতে পারেন না। অবাক করার বিষয়, ফল ঘোষণার সময় জানতে পারি ওই কেন্দ্রে পুনরায় ভোটগ্রহণ হয়েছে। তিনি বলেন, শুধু আমি না, আমার পরিবারসহ মহল্লার কেউই ভোট দিতে পারেননি।
ভোলা : বৃহস্পতিবার জেলা বিএনপি আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলার সভাপতি ৩টি পৌরসভার ফলাফল প্রত্যাখ্যান করে পুনরায় নির্বাচন দাবি করেন। নির্বাচনকে তিনি শান্তিপূর্ণ ভোট ডাকাতি বলে উল্লেখ করেন। সভাপতির বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন নির্বাচন পরিচালনার প্রধান সমন্বয়কারী জেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আমিনুল ইসলাম খানও। কিন্তু ওই সংবাদ সম্মেলনেই তাদের বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন মেয়র প্রার্থী ও জেলা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক হারুন অর রশিদ ট্রুমেন। নির্বাচন নয়, তিনি সরকার পতনের আন্দোলনের পক্ষে। একই মত দেন দৌলতখানের মেয়র প্রার্থী আনোয়ার হোসেন কাকন ও বোরহানুদ্দিনের মেয়র প্রার্থী মনিরুজ্জামান কবির। তিন মেয়র প্রার্থীর এই ভূমিকা নিয়ে বিব্রত জেলার শীর্ষ নেতারা।
খবর পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close