jugantor
বিচিত্র
নিষিদ্ধ পাঁচ রহস্যময় জায়গা

   

২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

বিশাল এ পৃথিবীতে আজব জিনিসের অভাব নেই। বিস্ময়কর অনেক বিষয়েরই সমাধান পাওয়া দুষ্কর। অনেক রহস্য থেকে যায় দিনের পর দিন। মানুষ চেষ্টা চালায় এসব রহস্যকে জানতে। কোনোটার জবাব মেলে, কোনোটা থেকে যায় রহস্যের আড়ালে। পৃথিবীতে এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে সাধারণ মানুষ কখনোই যেতে পারবেন না। কারণ সেখানে কাউকে যেতে দেয়া হয় না। শুধু তালিকাবদ্ধ হাতে গোনা কয়েকজন মানুষর যেতে পারেন সেখানে। এ জায়গাগুলোর নিরাপত্তা খুবই কঠোর। সেখানে যাওয়া দূরের কথা খুব কম মানুষই জানেন ওইসব জায়গার কথা। সাধারণের জন্যে নিষিদ্ধ এরকম পাঁচটি জায়গা নিয়ে আজকের আয়োজন-

এরিয়া ৫১ : এরিয়া ৫১ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদায় অবস্থিত। এ জায়গা নিয়ে সারা বিশ্বের মানুষের জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। কিন্তু কোনো কিছুই পরিষ্কার করে জানতে পারেননি কেউ। এ স্থানটি জনসাধারণের জন্য নিষিদ্ধ। মূলত এটি একটি মিলিটারি বেইজ ক্যাম্প। কিন্তু মাঝে মাঝে অনেক অদ্ভুত অদ্ভুত জিনিস ঘটতে দেখা যায়। অনেকের মতে এখানে প্রায়ই অজানা বস্তু অর্থাৎ ইউএফও উড়তে দেখা যায়, অদ্ভুত অদ্ভুত প্রাণীর মৃতদেহ পাওয়া যায়, ভয়ঙ্কর শব্দ শোন যায়। আসলে এখানে কী হয় তা আজও সবার কাছে অজানা। জানা যায়নি কেনই বা এত নিরাপত্তা!

ইসি গ্রান্ড মন্দির : এ জায়গাটি জাপানে অবস্থিতি। এটি জাপানের সবচেয়ে গোপনীয় এবং পবিত্র জায়গা। ধারণা করা হয় খ্রিস্টপূর্ব ৪ সালে ইসি গ্রান্ড মন্দিরটি তৈরি করা হয়। তখন থেকে আজ পর্যন্ত এখানে জাপানের রাজপরিবার এবং প্রিস্ট ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারেনি। প্রতি ২০ বছর পর পর এ মন্দিরটি নতুন করে নির্মাণ করা হয়। ইতিহাসবিদদের ধারণা এখানে জাপানিজ সাম্রাজ্যের মূল্যবান এবং হাজার হাজার বছরের পুরনো নথিপত্র লুকানো আছে যা বিশ্ববাসীর কাছে অজানা।

ক্লাব ৩৩ অব ডিজনিল্যান্ড : মানুষের কাছে ডিজনিল্যান্ড বিনোদনের জন্য বিখ্যাত। পৃথিবীজোড়া এর সুখ্যাতি। এখানের সবকিছুই সাধারণ মানুষের জন্যে উন্মুক্ত। কিন্তু একটি ক্লাবকে খুব কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে। সেখানে কোনো সাধারণ মানুষ ঢুকতে পারে না। ক্লাবটির নাম ক্লাব ৩৩। ক্লাবটির প্রতিষ্ঠাতা স্বয়ং ওয়াল্ট ডিজনি। এখানে সদস্য হবার প্রক্রিয়া এতই জটিল, সদস্য পদের জন্য আবেদন করার প্রায় ১৪ বছর পরে তার জবাব পাওয়া যায়।

ভ্যাটিকান সিক্রেট আর্কাইভস : ভ্যাটিকান সিটি মানুষের কাছে যুগ যুগ ধরে একটি রহস্যময় স্থান। পৃথিবীর অনেক পুরানো ইতিহাসের স্বাক্ষী এ ভ্যাটিকান সিটি। এ গোপন আর্কাইভটিকে বলা হয় স্টোর হাউজ অফ সিক্রেট। খুব কম সংখ্যক মানুষই এ জায়গার ঢোকার অনুমতি পায়। আর্কাইভটি ৮৪ কিলোমিটার দীর্ঘ। ধারণা করা হয় এখানে প্রায় চুরাশি হাজার বই আছে। ইতিহাসবিদদের মতে এখানে খ্রিস্টান, প্যাগান, মেসনারিসহ আরও বিভিন্ন ধর্ম ও মতবাদের গোপন নথিপত্র এখানে সংরক্ষিত আছে।

মস্কো মেট্রো ২ : এ জায়গাটির অবস্থান রাশিয়ায়। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভূগর্ভস্থ শহর এটি। কিন্তু রাশিয়া সরকার কখনই এ জায়গার অস্তিত্ব স্বীকার করেনি। এটি স্টালিনের আমলে তৈরি করা হয়েছিল। বেশির ভাগ মানুষ মনে করেন, ক্রেমলিনের সঙ্গে এফএসবি হেডকোয়ার্টারকে সংযুক্ত করতে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। এতবড় একটি স্থানে মানুষের প্রবেশ অধিকার তো দূরের কথা ভালোভাবে এর অস্তিত্বই জানে না কেউ।

এ রিয়াজ


 

সাবমিট
বিচিত্র

নিষিদ্ধ পাঁচ রহস্যময় জায়গা

  
২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 

বিশাল এ পৃথিবীতে আজব জিনিসের অভাব নেই। বিস্ময়কর অনেক বিষয়েরই সমাধান পাওয়া দুষ্কর। অনেক রহস্য থেকে যায় দিনের পর দিন। মানুষ চেষ্টা চালায় এসব রহস্যকে জানতে। কোনোটার জবাব মেলে, কোনোটা থেকে যায় রহস্যের আড়ালে। পৃথিবীতে এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে সাধারণ মানুষ কখনোই যেতে পারবেন না। কারণ সেখানে কাউকে যেতে দেয়া হয় না। শুধু তালিকাবদ্ধ হাতে গোনা কয়েকজন মানুষর যেতে পারেন সেখানে। এ জায়গাগুলোর নিরাপত্তা খুবই কঠোর। সেখানে যাওয়া দূরের কথা খুব কম মানুষই জানেন ওইসব জায়গার কথা। সাধারণের জন্যে নিষিদ্ধ এরকম পাঁচটি জায়গা নিয়ে আজকের আয়োজন-

এরিয়া ৫১ : এরিয়া ৫১ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভাদায় অবস্থিত। এ জায়গা নিয়ে সারা বিশ্বের মানুষের জল্পনা-কল্পনার শেষ নেই। কিন্তু কোনো কিছুই পরিষ্কার করে জানতে পারেননি কেউ। এ স্থানটি জনসাধারণের জন্য নিষিদ্ধ। মূলত এটি একটি মিলিটারি বেইজ ক্যাম্প। কিন্তু মাঝে মাঝে অনেক অদ্ভুত অদ্ভুত জিনিস ঘটতে দেখা যায়। অনেকের মতে এখানে প্রায়ই অজানা বস্তু অর্থাৎ ইউএফও উড়তে দেখা যায়, অদ্ভুত অদ্ভুত প্রাণীর মৃতদেহ পাওয়া যায়, ভয়ঙ্কর শব্দ শোন যায়। আসলে এখানে কী হয় তা আজও সবার কাছে অজানা। জানা যায়নি কেনই বা এত নিরাপত্তা!

ইসি গ্রান্ড মন্দির : এ জায়গাটি জাপানে অবস্থিতি। এটি জাপানের সবচেয়ে গোপনীয় এবং পবিত্র জায়গা। ধারণা করা হয় খ্রিস্টপূর্ব ৪ সালে ইসি গ্রান্ড মন্দিরটি তৈরি করা হয়। তখন থেকে আজ পর্যন্ত এখানে জাপানের রাজপরিবার এবং প্রিস্ট ছাড়া কেউ প্রবেশ করতে পারেনি। প্রতি ২০ বছর পর পর এ মন্দিরটি নতুন করে নির্মাণ করা হয়। ইতিহাসবিদদের ধারণা এখানে জাপানিজ সাম্রাজ্যের মূল্যবান এবং হাজার হাজার বছরের পুরনো নথিপত্র লুকানো আছে যা বিশ্ববাসীর কাছে অজানা।

ক্লাব ৩৩ অব ডিজনিল্যান্ড : মানুষের কাছে ডিজনিল্যান্ড বিনোদনের জন্য বিখ্যাত। পৃথিবীজোড়া এর সুখ্যাতি। এখানের সবকিছুই সাধারণ মানুষের জন্যে উন্মুক্ত। কিন্তু একটি ক্লাবকে খুব কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে। সেখানে কোনো সাধারণ মানুষ ঢুকতে পারে না। ক্লাবটির নাম ক্লাব ৩৩। ক্লাবটির প্রতিষ্ঠাতা স্বয়ং ওয়াল্ট ডিজনি। এখানে সদস্য হবার প্রক্রিয়া এতই জটিল, সদস্য পদের জন্য আবেদন করার প্রায় ১৪ বছর পরে তার জবাব পাওয়া যায়।

ভ্যাটিকান সিক্রেট আর্কাইভস : ভ্যাটিকান সিটি মানুষের কাছে যুগ যুগ ধরে একটি রহস্যময় স্থান। পৃথিবীর অনেক পুরানো ইতিহাসের স্বাক্ষী এ ভ্যাটিকান সিটি। এ গোপন আর্কাইভটিকে বলা হয় স্টোর হাউজ অফ সিক্রেট। খুব কম সংখ্যক মানুষই এ জায়গার ঢোকার অনুমতি পায়। আর্কাইভটি ৮৪ কিলোমিটার দীর্ঘ। ধারণা করা হয় এখানে প্রায় চুরাশি হাজার বই আছে। ইতিহাসবিদদের মতে এখানে খ্রিস্টান, প্যাগান, মেসনারিসহ আরও বিভিন্ন ধর্ম ও মতবাদের গোপন নথিপত্র এখানে সংরক্ষিত আছে।

মস্কো মেট্রো ২ : এ জায়গাটির অবস্থান রাশিয়ায়। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ভূগর্ভস্থ শহর এটি। কিন্তু রাশিয়া সরকার কখনই এ জায়গার অস্তিত্ব স্বীকার করেনি। এটি স্টালিনের আমলে তৈরি করা হয়েছিল। বেশির ভাগ মানুষ মনে করেন, ক্রেমলিনের সঙ্গে এফএসবি হেডকোয়ার্টারকে সংযুক্ত করতে এটি নির্মাণ করা হয়েছে। এতবড় একটি স্থানে মানুষের প্রবেশ অধিকার তো দূরের কথা ভালোভাবে এর অস্তিত্বই জানে না কেউ।

এ রিয়াজ


 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র