¦
স্টারফিশের অদ্ভুত কয়েকটি তথ্য

| প্রকাশ : ০৯ মে ২০১৫

বিচিত্র বর্ণের এ সুন্দর প্রাণীটির কথা হয়ত আমরা সবাই শুনেছি। অনেকে দেখেছিও সমুদ্রসৈকতে। আকৃতি তারার মতো বলে একে স্টারফিশ বলা হয়। এদের দেহের উপরের অংশটি কাঁটাযুক্ত আচ্ছাদনে ঢাকা আর নিচের অংশটি বেশ নরম। বিচিত্র এ প্রাণীটির আছে অদ্ভুত কিছু তথ্য। যেমন, নামে ফিশ হলেও এটি আসলে মাছ নয়। তেমনই কিছু তথ্য জেনে নিন এ সামুদ্রিক প্রাণীটি সম্পর্কে-
* স্টারফিশ আসলে একিনোডার্মস
স্টারফিশ আসলে একাইনোডার্মাটার একটি পর্ববিশেষ। এরা আসলে বালির প্রাণী, সামুদ্রিক প্রাণীবিশেষ। সব ধরনের একিনোডার্মসের ৫টি দৈহিক অঙ্গ থাকে। ফলে তার মূল দেহটি মাঝখানে থাকে।
* স্টারফিশ কোনো মাছ নয়
যদিও স্টারফিশ সমুদ্রের নিচে বসবাস করে এবং এদের ফিশ অর্থাৎ মাছ বলা হলেও এরা প্রকৃতপক্ষে কোনো মাছ জাতীয় প্রাণী নয়। এদের মাছের মতো ফুলকা বা পাখনা নেই। মাছের চলাচলে সাহায্য করে এর লেজ আর পাখনা কিন্তু স্টারফিশের চলাচলে সাহায্য করে এর ক্ষুদ্র কতগুলো নল।
* হাজার প্রজাতির স্টারফিশ
মোটামুটিভাবে ২০০০ প্রজাতির স্টারফিশ রয়েছে সামুদ্রিক জলে। এদের কোনো প্রজাতি জলের উপরিভাগে, কোনোটা গভীর জলে, কোনোটা ক্রান্তীয় অঞ্চলে আবার ঠাণ্ডা পানিতে বসবাস করে।
* সব স্টারফিশের ৫টি বাহু
থাকে না
স্বাভাবিকভাবে আমরা জানি সব স্টারফিশের ৫টি বাহু থাকে প্রচলিতভঅবে তারার ৫টি বাহুর মতো। কিন্তু সব স্টারফিশের ৫টা বাহু থাকে না। অনেক স্টারফিশের তারও বেশি বাহু থাকে। যেমন সান স্টারফিশের ৪০টি বাহু রয়েছে।
* স্টারফিশ ক্ষয়ে যাওয়া বাহু পুনরায় তৈরি করতে পারে
এটা অবাস্তব হলেও সত্যি যে কোনো স্টারফিশের যদি কোনো বাহু নষ্ট হয়ে যায় বা কাটা পড়ে তাহলে সেটিকে পুনরায় তৈরি করতে পারে এ আজব প্রাণী স্টারফিশ। পুরাতন বাহুর জায়গায় নতুন একটি বাহু গজিয়ে যায়। টিকটিকির লেজের বেলায় যেমনটি হয়।
* স্টারফিশ তার উপরের খোলস দিয়ে নিজেকে রক্ষা করে
প্রজাতির ভিন্নতা অনুযায়ী স্টারফিশের ত্বক পাতলা, কঠিন এবং কাঁটাযুক্ত হয়ে থাকে। এর উপরের ত্বকটি ক্যালসিয়াম কার্বোনেটযুক্ত যা তাদের দেহকে প্রতিরক্ষা করতে সহায়তা করে। ত্বকের এ স্তর দিয়ে এরা দেহকে শিকারি, পাখি, মাছ বা সামুদ্রিক অন্যান্য প্রাণী থেকে রক্ষা করে থাকে।
* বাহুগুলো দিয়ে এরা চলাফেরা করে
মাছ যেমন তাদের ফুলকা এবং পাখনার সাহায্যে চলাচল করে স্টারফিশ তেমনি এদের বাহুগুলো দিয়ে চলাফেরা করে থাকে।
* আহারের জন্য এরা ভেতরের পাকস্থলীকে বাইরে বের করে আনে
স্টারফিশ কিছুটা আজব প্রক্রিয়ায় আহার করে। এদের মুখ দেহের ভিতরে থাকে। এরা সামুদ্রিক বিভিন্ন ঝিনুক, ছোট মাছ, শামুক ও রাজহংসের মতো আহার করে থাকে। অর্থাৎ ভেতরে থাকা মুখ বাইরে বের করে এনে আহার করে। আহার শেষে মুখ ভেতরে লুকিয়ে রাখে।
* স্টারফিশের চোখ আছে
দেখে মনে হবে স্টারফিশের কোনো চোখ নেই। কিন্তু স্টারফিশের আসলেই চোখ আছে তবে সেগুলো প্রতিটি বাহুর শেষ প্রান্তে অবস্থিত। খুবই ছোট্ট আকৃতির চোখ রয়েছে যেগুলো দেখতে লাল আলোর মতো দেখায়। এ চোখগুলো দিয়ে স্টারফিশ খুব একটা পরিষ্কার দেখতে পারে না তবে আলো ও অন্ধকারের পার্থক্য বুঝতে পারে।
এ রিয়াজ
 

একদিন প্রতিদিন পাতার আরো খবর
৭ দিনের প্রধান শিরোনাম

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৮৪১৯২১১-৫, রিপোর্টিং : ৮৪১৯২২৮, বিজ্ঞাপন : ৮৪১৯২১৬, ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৭, সার্কুলেশন : ৮৪১৯২২৯। ফ্যাক্স : ৮৪১৯২১৮, ৮৪১৯২১৯, ৮৪১৯২২০

Developed by
close
close