jugantor
এই সময়ে
ফলের বাজার

   

১২ মে ২০১৫, ০০:০০:০০  | 

প্রচণ্ড গরমে এক গ্লাস ফলের জুস শরীরে আনে প্রশান্তি। সেইসঙ্গে পুষ্টির চাহিদাও পূরণ করে। ফলের পুষ্টিকর উপাদানগুলো আমাদের শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। প্রতিদিন এক গ্লাস ফলের রস আপনাকে দেবে স্ট্রেংথ ও এনার্জি। ফলের রসের ভেতর কলেস্টেরল খুবই কম থাকায় মোটা হয়ে যাওয়ার ভয় কম থাকে। ফলের রস ভিটামিন মিনারেলসহ অন্য জরুরি পুষ্টিগুণসম্পন্ন যা মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা মেটায়।

এখন গ্রীষ্মকাল। এ সময় প্রচণ্ড গরমে শরীরের লবণ পানি বের হয়ে যাওয়ার ফলে আমাদের দেহে পানিস্বল্পতা দেখা দেয়। ফলের জুস দেহের পানিস্বল্পতা পূরণ করতে পারে খুব সহজেই। এখন নানা রকম ফল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। সারা বছর পাওয়া যায় এমন ফল যেমন রয়েছে তেমনি মৌসুমি ফলেও বাজার এখন ভরপুর। রসালো মিষ্টি এসব ফল খেতেও খুব মজা। বাজারে এখন যেসব ফল সারা বছর পাওয়া যায় তাদের মধ্যে আপেল, কমলা, মালটা, বেদেনা, আঙুর, পেয়ারা ইত্যাদি। পাশাপাশি মৌসুমি ফলও উঠতে শুরু করেছে- যেমন আম, কাঁঠাল, লিচু, জাম, তরমুজ, আনারস, বেল, বাঙ্গি প্রভৃতি। ফলে ফলের বাজার বেশ জমজমাট।

দরদাম : বাজারে এখন তিন জাতের আম পাওয়া যাচ্ছে। জাতভেদে দামও ভিন্ন ভিন্ন হয়। গোলাপ ভোগ ও গোবিন্দভোগ আমের কেজি ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। ল্যাংড়া আমের কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। সাইজ ভেদে রসালো কাঁঠাল কিনতে পাবেন ১০০ থেকে ২০০ টাকায়। লিচুর বাজার মৌসুমের শুরুতে দর একটু বেশিই হয়ে থাকে। রসে ভরা লিচুর শ’ ৪০০ থেকে ৬৫০ টাকা। জামের কেজি ৬০ থেকে ১০০ টাকা। আনারসের হালি ৭০ থেকে ১০০ টাকা। বেল প্রতি পিস ৩০ থেকে ৫০ টাকা। তরমুজের দাম আকার ভেদে কম বা বেশি হয়ে থাকে। ছোট বা বড় আকারের তরমুজ কিনতে পাবেন ৬০ থেকে ২০০ টাকায়। বাঙ্গির দাম ৫০ থেকে ৭০ টাকা।

এছাড়া আপেলের কেজি জাতভেদে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা। কমলা ১০০ টাকা হালি। মাল্টা পাওয়া যাচ্ছে ১৬০ থেকে ২০০ টাকা। বেদেনার কেজি ১৫০ টাকা। পেয়ারা পাওয়া যাচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা।

মনে রাখবেন : ফল অবশ্যই তরতাজা কিনুন। ফরমালিনযুক্ত ফল খাবেন না। যে কোনো ফল ভালোভাবে ধুয়ে খাবেন। ফলের জুসে চিনি মেশাবেন না। চিনি আপনার শরীরের পানিস্বল্পতা সৃষ্টি করতে পারে। বাইরে ফুটপাতের খোলা জায়গায় ফলের জুস খাবেন না। এতে নানা ধরণের সমস্যা হতে পারে। ইমরান ফরহাদ


 

সাবমিট
এই সময়ে

ফলের বাজার

  
১২ মে ২০১৫, ১২:০০ এএম  | 

প্রচণ্ড গরমে এক গ্লাস ফলের জুস শরীরে আনে প্রশান্তি। সেইসঙ্গে পুষ্টির চাহিদাও পূরণ করে। ফলের পুষ্টিকর উপাদানগুলো আমাদের শরীরের জন্য বিশেষ উপকারী। প্রতিদিন এক গ্লাস ফলের রস আপনাকে দেবে স্ট্রেংথ ও এনার্জি। ফলের রসের ভেতর কলেস্টেরল খুবই কম থাকায় মোটা হয়ে যাওয়ার ভয় কম থাকে। ফলের রস ভিটামিন মিনারেলসহ অন্য জরুরি পুষ্টিগুণসম্পন্ন যা মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা মেটায়।

এখন গ্রীষ্মকাল। এ সময় প্রচণ্ড গরমে শরীরের লবণ পানি বের হয়ে যাওয়ার ফলে আমাদের দেহে পানিস্বল্পতা দেখা দেয়। ফলের জুস দেহের পানিস্বল্পতা পূরণ করতে পারে খুব সহজেই। এখন নানা রকম ফল বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। সারা বছর পাওয়া যায় এমন ফল যেমন রয়েছে তেমনি মৌসুমি ফলেও বাজার এখন ভরপুর। রসালো মিষ্টি এসব ফল খেতেও খুব মজা। বাজারে এখন যেসব ফল সারা বছর পাওয়া যায় তাদের মধ্যে আপেল, কমলা, মালটা, বেদেনা, আঙুর, পেয়ারা ইত্যাদি। পাশাপাশি মৌসুমি ফলও উঠতে শুরু করেছে- যেমন আম, কাঁঠাল, লিচু, জাম, তরমুজ, আনারস, বেল, বাঙ্গি প্রভৃতি। ফলে ফলের বাজার বেশ জমজমাট।

দরদাম : বাজারে এখন তিন জাতের আম পাওয়া যাচ্ছে। জাতভেদে দামও ভিন্ন ভিন্ন হয়। গোলাপ ভোগ ও গোবিন্দভোগ আমের কেজি ১২০ থেকে ১৫০ টাকা। ল্যাংড়া আমের কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। সাইজ ভেদে রসালো কাঁঠাল কিনতে পাবেন ১০০ থেকে ২০০ টাকায়। লিচুর বাজার মৌসুমের শুরুতে দর একটু বেশিই হয়ে থাকে। রসে ভরা লিচুর শ’ ৪০০ থেকে ৬৫০ টাকা। জামের কেজি ৬০ থেকে ১০০ টাকা। আনারসের হালি ৭০ থেকে ১০০ টাকা। বেল প্রতি পিস ৩০ থেকে ৫০ টাকা। তরমুজের দাম আকার ভেদে কম বা বেশি হয়ে থাকে। ছোট বা বড় আকারের তরমুজ কিনতে পাবেন ৬০ থেকে ২০০ টাকায়। বাঙ্গির দাম ৫০ থেকে ৭০ টাকা।

এছাড়া আপেলের কেজি জাতভেদে ১৫০ থেকে ১৭০ টাকা। কমলা ১০০ টাকা হালি। মাল্টা পাওয়া যাচ্ছে ১৬০ থেকে ২০০ টাকা। বেদেনার কেজি ১৫০ টাকা। পেয়ারা পাওয়া যাচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা।

মনে রাখবেন : ফল অবশ্যই তরতাজা কিনুন। ফরমালিনযুক্ত ফল খাবেন না। যে কোনো ফল ভালোভাবে ধুয়ে খাবেন। ফলের জুসে চিনি মেশাবেন না। চিনি আপনার শরীরের পানিস্বল্পতা সৃষ্টি করতে পারে। বাইরে ফুটপাতের খোলা জায়গায় ফলের জুস খাবেন না। এতে নানা ধরণের সমস্যা হতে পারে। ইমরান ফরহাদ


 

 
শনি
রোব
সোম
মঙ্গল
বুধ
বৃহ
শুক্র